a
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লব গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেছেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো সম্পূর্ণভাবে নজরদারিতে আছে।
তিনি বলেন, শত্রুদের সকল বিষয় নজরদারিতে রয়েছে এবং কোনো জাহাজ পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করছে এবং বের হয়ে যাচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে পর্যবেক্ষণে আছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীর ব্যান্ডউইথ কন্ট্রোল কোড অনুসারে এসব জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আলী রেজা তাংসিরি বলেন, এ অঞ্চলে আইআরজিসি'র উপস্থিতি শুধুমাত্র সামরিক কারণে নয় বরং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি রয়েছে। তিনি পারস্য উপসাগরকে উন্নয়নের ইঞ্জিন বলেও মন্তব্য করেন।
রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় এবং এ এলাকায় ভৌগলিক বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ায় পাশ্চাত্যের কিছু দেশ ও শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগরে আইআরজিসি’র পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের উপস্থিতির কারণে বাড়তি জনশক্তি যুক্ত হয়েছে। এখন আমরা ইলেকট্রনিক এবং ইলেকট্রো-অপটিক সিস্টেম ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরের সমস্ত গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।’ সূত্র : পার্সটুডে
জেনারেল বিপিন রাওয়াত
আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সামরিক জোট ন্যাটো। আগামী ১ মে থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এ সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) এক সুরক্ষা সম্মেলনে তিনি বলেন, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর প্রস্তাবিত সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন। কারণ, সেনা প্রত্যাহারের ফলে দেশটিতে তৈরি হওয়া শূন্য স্থানটিতে "বিঘ্নকারীরা" পদক্ষেপ নিতে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে।
তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করলেও দেশটিকে সমর্থন দিয়ে যাবে। তবে এই সমর্থন কোনোভাবেই সামরিক হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘এখন সময় এসেছে দীর্ঘতম যুদ্ধটি বন্ধ করার।’
বাইডেন বলেন, আফগানিস্তানে আমাদের সামরিক উপস্থিতি প্রসারিত অব্যাহত রাখতে পারি না। তাদের সাথে সামরিকভাবে জড়িত থাকবো না। তবে আমাদের কূটনৈতিক ও মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে এবং আমরা আফগানিস্তান সরকারকে সমর্থন অব্যাহত রাখবো।
বিবিসি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা ও সাড়ে ৯ হাজার ন্যাটো আফগান মিশনে অংশ নিতে দেশটিতে অবস্থান করছে।
সংগৃহীত ছবি
মালতির প্রশ্ন
এম.এস প্রিন্স
তোমাকে ছাড়া ভাবতে পারিনা আমি নিজেকে
পারিনা চলতে পৃথিবীর পথে।
তবে কেন রবে তুমি দূর থেকে বহু দূর?
হে কবি! এসো, মলিনি পৃথিবী লীন করি
চলি দুজনায় এক সাথে।
ভালোবাসার এক নীড়ে তোমায় ভালোবাসব-
ভালোবাসা দেব - ভালোবাসা নেব
যেন দুজনায় জোড়া কবুতর
অবাক বিশ্ব তাকিয়েই রবে -
আমরা চলব আমাদেরই মত রঙিন দুনিয়ায়।
কবির সাড়া পেলনা - গভীরের গান
শুধু সুরেই গেয়ে গেল মালতি।
কবি আজ কোথায়? কেন নীরব? প্রশ্ন তার।