a
ফাইল ছবি
ইরানের ইসলামী বিপ্লব গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি নৌ শাখার কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেছেন, পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো সম্পূর্ণভাবে নজরদারিতে আছে।
তিনি বলেন, শত্রুদের সকল বিষয় নজরদারিতে রয়েছে এবং কোনো জাহাজ পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করছে এবং বের হয়ে যাচ্ছে তা সম্পূর্ণভাবে পর্যবেক্ষণে আছে। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীর ব্যান্ডউইথ কন্ট্রোল কোড অনুসারে এসব জাহাজের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আলী রেজা তাংসিরি বলেন, এ অঞ্চলে আইআরজিসি'র উপস্থিতি শুধুমাত্র সামরিক কারণে নয় বরং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি রয়েছে। তিনি পারস্য উপসাগরকে উন্নয়নের ইঞ্জিন বলেও মন্তব্য করেন।
রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় এবং এ এলাকায় ভৌগলিক বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ায় পাশ্চাত্যের কিছু দেশ ও শক্তি মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবৈধ উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগরে আইআরজিসি’র পুরো নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বাসিজের উপস্থিতির কারণে বাড়তি জনশক্তি যুক্ত হয়েছে। এখন আমরা ইলেকট্রনিক এবং ইলেকট্রো-অপটিক সিস্টেম ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরের সমস্ত গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।’ সূত্র : পার্সটুডে
ফাইল ছবি
হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগরে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান ও ওমান। দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে এই নিয়ে ৯ বার যৌথ সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হল।
ইরান ও ওমানের মধ্যকার যৌথ সামরিক কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
ওমান ও ইরানের যৌথ নৌ-মহড়ায় উভয় দেশের কয়েকটি রণতরী, বেশ কিছু হেলিকপ্টার এবং ইরানে তৈরি ড্রোন অংশ গ্রহণ করে। এ সময় ইরান এবং ওমানের উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।
দু’দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা, সাগরে বেশ কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দু’দেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের কার্যক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করাকে চলতি মহড়ার প্রধান উদ্দেশ্য বলে অভিহিত করে।
ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার মঙ্গলবার জানান, তার দেশ ওমানের নৌবহরকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রয়েছে। দু’দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে তিনি ওই আমন্ত্রণ জানান এবং তার আমন্ত্রণের দু’দির পর হরমুজ প্রণালিতে ওমান ও ইরানের নৌবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়া সম্পন্ন হল। সূত্র: প্রেসটিভি
ফাইল ছবি
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ইউরোপ অঞ্চলে পাঁচ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ঘরের মাঠে ফিনল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ফরাসিরা। জোড়া গোল করেছেন সদ্য সাবেক বার্সা তারকা অ্যান্তনিও গ্রিজম্যান। এই জয়ের সঙ্গে গ্রুপ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। অস্বস্তি আর ছন্দহীনতা যেন চেঁপে ধরেছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।
টানা ৫ ম্যাচে জয়হীন দিদিয়ের দেশমের দল। যেখানে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে পয়েন্ট খোঁয়াতে হয়েছে ইউক্রেন আর বসনিয়া হার্জেগোভিনার মতো দলের বিপক্ষে। অবশেষে চেনা রূপে ফিরেছে ফরাসিরা। অলিম্পিয়াকোতে ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমণের পসরা সাজায় গ্রিজম্যান-বেঞ্জেমারা। কিন্তু রক্ষণাত্মক ফিনল্যান্ডের রক্ষণ যেন কোনোভাবেই ভাঙ্গতে পারছিল না ফ্রান্স। ২২ মিনিটে গোলটা বলতে গেলে পেয়েই গিয়েছিলেন করিম বেঞ্জেমা। তবে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের বাঁধায় এগিয়ে যাওয়া হয়নি এই পর্যায়ে।
এরপর আর বেশি অপেক্ষায় থাকতে হয়নি তাদের। ২৫ মিনিটে দারুণ বুঝাপড়ায় ডেডলক ভাঙ্গেন অ্যান্তনিও গ্রিজম্যান। এবার অবশ্য বলটা বানিয়ে দেওয়ার কাজটা করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা করিম বেঞ্জেমা। গোটা স্টেডিয়ামে উল্লাসের জোয়ার। প্রথমার্ধে আরো বেশ কয়েকটি আক্রমণ কাঁপন ধরিয়ে ছিল ফিনল্যান্ডের রক্ষণে। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। ৪৯ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বলটা জায়গা মতো পাঠাতে ব্যর্থ ফরাসি ফুটবলার। তবে ৫৩ মিনিটে আর মিস করেননি গ্রিজম্যান। সতীর্থের পাস থেকে পাওয়া বল নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল কাঁপান ফিনল্যান্ডের। জোড়া গোলের সঙ্গে ২-০ গোলের লিড স্বাগতিক শিবিরে। ৫৯ মিনিটে ফ্রান্সের আক্রমণটা চোখে লেগে থাকার মতো। বেঞ্জেমা, মার্শিয়ালদের দারুণ বোঝাপড়ার ফিনিশিংটা করতে পারেননি গ্রিজম্যান। ফলে মিস করেন হ্যাটট্রিকও। ৮১ মিনিটে আরও একটা সুযোগ নষ্ট হয় দেশম বাহিনীর। শেষ দিকে একটা সুযোগ তৈরি করেছিল ফিনল্যান্ড। তবে ফ্রান্স গোলরক্ষকের বাঁধা ব্যবধান কমানো হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই সঙ্গে ৬ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান ফ্রান্সের।