a
ফাইল ছবি
অবশেষে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইরাকে ‘যুদ্ধের দায়িত্ব সমাপ্ত’ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গতকাল সোমবার ওয়াশিংটন সফররত ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-কাজেমির সঙ্গে সাক্ষাতে হোয়াইট হাউসে তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।
যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণার পর বাইডেন বলেন, ২০২১ সালের পর মার্কিন সেনারা ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা দিয়ে যাবে; তারা সরাসরি কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না। তবে এ সাক্ষাতে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কিনা- সে সম্পর্কে মুখ খোলেননি বাইডেন।
‘২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর ইরাকে আর কোনো মার্কিন সেনা যুদ্ধের ভূমিকা পালন করবে না’ বলে সাক্ষাতের পর দুই নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, ইরাকি প্রধানমন্ত্রী কাজেমি গত রবিবার রাতে এমন সময় আমেরিকা পৌঁছান যখন তার দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে ইরাকি পার্লামেন্টে পাস হওয়া আইন এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি।
কলকাতা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন: কলকাতায় কৃষ্ণপদ মেমোরিয়াল হলে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শাখায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বিকেলে কলকাতায় কৃষ্ণপদ মেমোরিয়াল হলে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শাখার উদ্যোগে এক সংস্থার সভাপতি ডক্টর অপুর্ব বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থার প্রধান পৃষ্ঠপোষক এটিএম মমতাজুল করিম। বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের যুগ্ম সচিব ডক্টর অমল কান্তি রায়, সার্ক কালচারাল সোসাইটি ভারতের সেক্রেটারি ডক্টর অনিন্দ্য চক্রবর্তী, সংস্থার সেক্রেটারি জেনারেল ডক্টর আদম শফি খান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ ইমদাদ হোসেন, এডভোকেট মুন্সী আবুল কাসেম, আব্দুর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ মঞ্জু লস্কর প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন ধর্মের উর্ধ্বে মানবতাকে স্থান দিতে হবে। সভায় বিশিষ্ট সংগঠক চন্দ্রনাথ বসুকে সভাপতি ও রঞ্জনা গুহকে সেক্রেটারি নির্বাচিত করে ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস সোসাইটির ২১ সদস্যবিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়।
ফাইল ছবি
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ইরানকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। এই হুমকির পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী-বা আইআরজিসি’র প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেছেন, প্রতিরক্ষানীতিতে শত্রুদের যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপের ‘তাৎক্ষণিক, গুরুতর ও শক্তিশালী জবাব’ দেওয়া হবে। খবর ইরনার।
বুধবার পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালিতে মোতায়েন আইআরজিসি’র নৌসেনাদের যুদ্ধ প্রস্তুতি পরিদর্শনের পর এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন। তিনি বলেছেন, ‘ইরানকে হুমকি দিয়ে যারা কথা বলছে বিশেষ করে দখলদার ইসরায়েলের জেনে রাখা উচিত যে কোনো স্থানে যে কোনো মাত্রার হামলার দাঁতভাঙা জবাব দিতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে। ইরানের স্বার্থে আঘাত হানা হবে অথচ তেহরান তার জবাব দেবে না- এমন দিনের অবসান হয়েছে। ইরানের শত্রুরা যেন আর কোনোদিন সেই দিনগুলো ফিরে আসার স্বপ্নে বিভোর না হয়।’
উল্লেখ্য. এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনেট সেনাবাহিনীর উত্তর কমান্ডে ভ্রমণকালে তেহরানকে লক্ষ্য করে এক হুমকিতে বলেন, সমস্ত মধ্য প্রাচ্যে যখন আগুন জ্বলছে তখন তারা (ইরান) শান্ত্বভাবে তেহরানে বসে থাকতে পারে না। ইসরায়েল একাই দেখে নেবে ইরানকে। আমরা ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বকে সমবেত করার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে আমরা এককভাবেও কাজ করতে জানি। ইরান জানে আমাদের নিরাপত্তার হুমকি হলে তার জন্য কী মূল্য দিতে হয়।