a
ফাইল ছবি
তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমানে উপ-প্রধানমন্ত্রী আব্দুল গনি বারাদারের মৃত্যু গুজব সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার এক অডিও বিবৃতিতে তিনি জীবিত আছেন বলে জানিয়েছেন।
তালেবানের পোস্ট করা ওই অডিও বিবৃতিতে বলা হয়, এটা একটা ‘ভুয়া প্রোপাগান্ডা’। গত সপ্তাহেই বারাদার নতুন আফগান সরকারে মোল্লা মোহাম্মদ হাসানের পরই স্থান পেয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হওয়া খবরে বলা হয়, আফগান প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে তালেবানের বিদ্রোহীদের সাথে গুলি বিনিময়ে মারাত্মকভাবে আহত হন।
সামাজিকমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর এসেছে উল্লেখ করে অডিও বার্তায় বারাদার বলেন, ‘গত কয়েক রাত ধরে আমরা ভ্রমণে রয়েছি। এ মুহূর্তে আমরা যেখানে রয়েছি, সেখানে আমরা ভাই-বন্ধু সবাই ভালো আছি।’
তিনি বলেন, ‘মিডিয়ায় সর্বদাই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা প্রচার করে যাচ্ছে। যা হোক, এসব মিথ্যা প্রত্যাখ্যান করুন এবং আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করতে চাই, এমন কোনো ঘটনাই হয়নি এবং আমরা কোনো সমস্যায় নেই।’
এর আগে তালেবানের প্রধান নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিয়েও এরকম গুজব ছড়ানো ছড়িয়েছিল। বলা হয়েছিল, তিনি কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। সূত্র : এএফপি
ফাইল ছবি
নন্দীগ্রামের বয়ালের বুথে গিয়ে দু' ঘণ্টা আটকে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেই সময় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সেখানকার পরিস্থিতি। রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে এই ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন মোদি। তার দাবি, নন্দীগ্রামের ঘটনাই প্রমাণ করে যে দিদি (মমতা) হার মেনে নিয়েছেন।
হাওড়ার উলুবেড়িয়ার সভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'কিছুক্ষণ আগে নন্দীগ্রামে যা হলো আমরা সবাই দেখেছি। এতেই প্রমাণিত, দিদি হার মেনে নিযেছেন। এটাই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে বাংলায বিজেপির সরকার তৈরি হতে চলেছে।
তৃণমূলনেত্রীকে উদ্দেশ করে মোদি আরও বলেন, দিদি, এখনও শেষ দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া চলছে। কানাঘুষা শুনছি আপনি নাকি শেষ পর্বের ভোটের জন্য অন্য কোনও আসন থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন, এটা কি সত্যি? আপনি নন্দীগ্রামে গেলেন, মানুষ আপনাকে জবাব দিয়ে দিয়েছে। আপনি অন্য কোথাও গেলেও বাংলার মানুষ তৈরি হয়ে রয়েছে।
মমতাকে আক্রমণ করে মোদি বলেন, 'বাংলার মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন যে দিদিকে বিদায় জানাতে হবে। নন্দীগ্রামের মানুষ এ দিন সেই স্বপ্নটাই পূরণ করলেন।' সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
রাশিয়া বলেছে, জাতীয় সংসদ এবং স্থানীয় নির্বাচন কেন্দ্র করে দেশের বাইরে থেকে অন্তত তিনটি সাইবার হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
শুক্রবার থেকে রাশিয়ায় এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং রোববার পর্যন্ত তা চলবে। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি বিজয়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স
রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন শনিবার জানিয়েছে, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অনলাইনে যেসব ভোট দেওয়া হচ্ছে তাকে লক্ষ্য করে দেশের বাইরে থেকে সাইবার হামলা চালানো হয়েছে এবং অন্তত তিনটি হামলার ঘটনা নির্বাচন কমিশন রেকর্ড করেছে।
নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, সাইবার হামলার কারণে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বিলম্ব হয়েছে।
রুশ নির্বাচন কমিশনের তথ্য কেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা আলেকজান্ডার শোকলচুক জানান, দুটি হামলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এসব হামলা খুবই শক্তিশালী ছিল বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান, রোববার আরও হামলা হতে পারে। তবে কারা এসব হামলা চালিয়েছে, সেসব দেশের নামও তিনি উল্লেখ করেন। রুশ কর্মকর্তারা এর আগে সাইবার হামলার জন্য পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোকে দায়ী করেছেন।