a
ফাইল ছবি
তালেবানের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমানে উপ-প্রধানমন্ত্রী আব্দুল গনি বারাদারের মৃত্যু গুজব সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সোমবার এক অডিও বিবৃতিতে তিনি জীবিত আছেন বলে জানিয়েছেন।
তালেবানের পোস্ট করা ওই অডিও বিবৃতিতে বলা হয়, এটা একটা ‘ভুয়া প্রোপাগান্ডা’। গত সপ্তাহেই বারাদার নতুন আফগান সরকারে মোল্লা মোহাম্মদ হাসানের পরই স্থান পেয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হওয়া খবরে বলা হয়, আফগান প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে তালেবানের বিদ্রোহীদের সাথে গুলি বিনিময়ে মারাত্মকভাবে আহত হন।
সামাজিকমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর এসেছে উল্লেখ করে অডিও বার্তায় বারাদার বলেন, ‘গত কয়েক রাত ধরে আমরা ভ্রমণে রয়েছি। এ মুহূর্তে আমরা যেখানে রয়েছি, সেখানে আমরা ভাই-বন্ধু সবাই ভালো আছি।’
তিনি বলেন, ‘মিডিয়ায় সর্বদাই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা প্রচার করে যাচ্ছে। যা হোক, এসব মিথ্যা প্রত্যাখ্যান করুন এবং আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করতে চাই, এমন কোনো ঘটনাই হয়নি এবং আমরা কোনো সমস্যায় নেই।’
এর আগে তালেবানের প্রধান নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিয়েও এরকম গুজব ছড়ানো ছড়িয়েছিল। বলা হয়েছিল, তিনি কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। সূত্র : এএফপি
ফাইল ছবি
সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা নেটওয়ার্কের অর্থনীতিবিদেরা এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করার পর ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা সুদের হার আরেক দফা বাড়ানোর কথা ভাবছেন।
গতকাল রবিবার এ নিয়ে ফেডারেল রিজার্ভের সঙ্গে নীতি-নির্ধারকরা অনির্ধারিত এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
অর্থনীতিবিদদের ধারণা, পতনের ঝুঁকি ত্বরান্বিত হতে পারে সুদের হার বাড়ালেই। কারণ, তার ফলে সরকারি বন্ড এবং মর্টগেজ-বন্দকীর নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সম্পদের মূল্য কমে যাবে। এতে আমানতকারিদের পক্ষে স্বাভাবিক লেন-দেন চালিয়ে নেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়তে পারে। এসব কারণেই সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক সংকটে পড়ে দেউলিয়া ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।
সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা নেটওয়ার্কের অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকের সম্পদের দাম একেবারে তলানিতে যাওয়ার ফলেই বীমাহীন আমানতকারিরা গচ্ছিত অর্থ দ্রুত সরিয়ে ফেলেন এবং ব্যাংকিং সিস্টেমকে লন্ডভন্ড হয়ে যায়। ১৮৬টি ব্যাংকও অনুরূপ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে, যা ঠেকাতে সঠিক নীতিমালার কোন বিকল্প নেই। অর্থাৎ এসব ব্যাংকের পতন ঠেকাতে বেল আউটের মতো প্রক্রিয়া অবলম্বন তথা ফেডারেল সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।
অর্থনীতি নিয়ে যারা গবেষণা করেন তারা বলেছেন, ‘কোনো ব্যাংকের আমানতকারিরা যদি খুব দ্রুত তাদের জমানো অর্ধেক অর্থ উইথড্র করেন, তাহলেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পতনের ঝুঁকিতে পড়ে।’
রবিবার প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকিং জায়েন্ট ইউবিএস বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় টালমাটাল অবস্থার অবসানের অভিপ্রায়ে নীতি-নির্ধারকদের সমন্বয়ে একটি চুক্তির আওতায় প্রায় ৩.২৫ বিলিয়ন ডলারে কঠিন সংকটে পতিত ‘ক্রেডিট সুইস ব্যাংক’ কিনে নিচ্ছে। এটি ছিল ইউবিএসের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী একটি ব্যাংক। ফেডারেল রিজার্ভ এবং আরো ৫টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার থেকে শুরু হওয়া তাদের ডলারের ‘অদলবদল’ ব্যবস্থায় তারল্য বাড়ানোর জন্যে সমন্বিত পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়।
ফেডারেল ব্যাংক অব কানাডা, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড, ব্যাংক অব জাপান, ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক এবং সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে এই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারপারসন জেরমি পাওয়েল বুধবার সুদের হার বৃদ্ধির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন। গত বছরের ৮ বার সুদের হার বৃদ্ধির মতো আরেক দফা পদক্ষেপ নেবেন কি না সে সিদ্ধান্ত দেবেন।
জেরমি পাওয়েল ইতোমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, প্রত্যাশিত ত্রৈমাসিক শতাংশের চেয়ে বেশি হার বাড়াতে পারেন। কারণ, মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশা অনুযায়ী হ্রাস পাচ্ছে না। অপরদিকে শ্রমবাজার শক্তিশালী রয়ে গেছে। তিনি সে ধারণা পোষণ করেছিলেন সিলিকন ভ্যালি এবং সিগন্যাচার ব্যাংক পতনের আগে।
গত সপ্তাহে ক্যালিফোর্নিয়ার ফার্স্ট রিপাবলিকান ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ১১টি ব্যাংক থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলারের জরুরি ঋণ নিয়েছে, আর এটি করা হয়েছে বাইডেন প্রশাসনের মধ্যস্থতায়।
ফার্স্ট রিপাবলিকান ব্যাংক কর্তপক্ষ দাবি করেছে যে, ঘনঘন সুদের হার বৃদ্ধি করায় ব্যাংকের সম্পদের মূল্য কমেছে। এতে করে আমানতকারিরা ভয় পেয়ে যায় এবং একাউন্ট থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়ায় ব্যাংক পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে।
এদিকে, বাইডেনের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বারবার দাবি করছেন যে, ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই কিন্তু অর্থনীতিবিদেরা দাবি করেন বাস্তবতা ভিন্ন। এর ফলে ছোট ও মাঝারি ধরনের সকল ব্যাংক থেকে গ্রাহকেরা আমানত উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
দুই দিন বন্ধ থাকার পর রাজধানীসহ দেশের সব মহানগরীতে আবারও শুরু হয়েছে গণপরিবহন চলাচল। আজ বুধবার থেকে নির্ধারিত ৬০ ভাগ বর্ধিত ভাড়া ও অর্ধেক যাত্রী নিয়ে শুরু হয়েছে গণপরিবহন চলাচল।
গত সোমবার থেকে সরকার ঘোষিত এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করলে গণপরিবহন বন্ধ হয়ে যায়। তবে গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিষয়ক সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
সংস্থাটির পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শীতাংশু শেখর বিশ্বাস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩১ মার্চ ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়ায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহনের চলাচলের নির্দেশ প্রদান করা হয়।