a
সংগৃহীত ছবি
তালেবান যোদ্ধারা একের পর এক শহর দখল করায় আফগানিস্তানের অবস্থা ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। এ অবস্থায় শনিবার দ্রুত মার্কিন নাগরিকদের আফগান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। খবর আরব নিউজের।
এর আগে গত শুক্রবার আফগানিস্তানে অবস্থানরত সব ব্রিটিশ নাগরিকদের দ্রুত দেশত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাজ্য। ন্যাটো ও মার্কিন সেনাসহ সব বিদেশি সেনা দেশটি থেকে বিদায় নেয়ার পর একের পর এক শহর দখল করছে তালেবানরা।
এ পরিস্থিতিতে তালেবান হামলা থেকে বাঁচতে দ্রুত সব নাগরিককে আফগান ছাড়ার নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।
প্রায় দুই দশকের যুদ্ধের পর মার্কিন নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের সময় আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিতে তালেবানযোদ্ধারা ব্যাপক লড়াই শুরু করার পর এমন সতর্কবার্তা দেয়া হলো।
আফগানিস্তান ছাড়ার পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে মার্কিন নাগরিকদের কাবুলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে দ্রুত যোগাযোগের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ'র পরিচালক উইলিয়াম বার্নস এবং তালেবান নেতা আবদুল গনি বারাদারের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এক কংগ্রেস সদস্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বার্নস এবং বারাদার আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ৩১ আগস্টের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে কয়েকজন নির্বাচিত কংগ্রেস নেতার সঙ্গে আলোচনা করবেন বার্নস।
তবে, তালেবানের একজন মুখপাত্র হতে জানা যায়, বারাদার সিআইএ প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছেন কিনা সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। হোয়াইট হাউস এবং সিআইএ প্রতিনিধি বৈঠকের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।
এর আগে, কাবুলে সংবাদ সম্মেলনে তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, লোকজনকে পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার সময়সীমা আগামী ৩১ আগস্টের পর আর বৃদ্ধি করা হবে না। আমেরিকানরা প্রকৌশলীসহ অন্যান্য ‘আফগান বিশেষজ্ঞদের’ নিয়ে যাচ্ছে। আমরা তাদের এই প্রক্রিয়া বন্ধের আহ্বান জানাই।
ফাইল ছবি
হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান শনিবার বলেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে এখন ইইউকে নতুন কৌশলে এগিয়ে যেতে হবে। আর কৌশলটি হবে শান্তি আলোচনা এবং যুদ্ধে জয়ের পরিবর্তে শান্তি চুক্তির একটি ভালো প্রস্তাব।
ভিক্টর অরবান তার বক্তৃতায় বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চারটি ধারণার ওপর তাদের কৌশল সাজিয়েছিল। প্রথমটি হলো, ন্যাটোর পাঠানো অস্ত্র দিয়ে রাশিয়াকে হারাতে পারবে ইউক্রেন। দ্বিতীয়টি হলো, নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেবে এবং রাশিয়ার নেতৃত্বকে অস্থিতিশীল করে দেবে। তৃতীয়টি হলো, নিষেধাজ্ঞা ইউরোপের চেয়ে রাশিয়ার বেশি ক্ষতি করবে। চতুর্থটি হলো পুরো বিশ্ব ইউরোপের পাশে দাঁড়াবে।
অরবান বলেছেন, এগুলো সব ব্যর্থ হয়েছে, ইউরোপের সরকারের একের পর পতন হচ্ছে এবং জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এখন নতুন কৌশল প্রয়োজন। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এমন একটি গাড়িতে বসে আছি যে গাড়ির চারটি চাকাই পাংচার হয়ে গেছে। এটি পুরোপুরি পরিষ্কার। এভাবে যুদ্ধে জয় পাওয়া সম্ভব না।
কট্টর জাতীয়বাদী অরবান আরও বলেছেন, ইউক্রেন এভাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে জয় পাবেনা, কারণ সামরিক দিক দিয়ে রাশিয়া অনেক শক্তিশালী। সূত্র: আল জাজিরা, আল আরাবিয়া