a যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন রাত: বাইডেন
ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন রাত: বাইডেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২, ০১:৪৬
যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন রাত: বাইডেন

ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ শেষ পর্যন্ত কাদের হাতে যাবে, তা চূড়ান্তভাবে এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে দুই দলের কেউই এবারের ভোটে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন একটি রাত (ফলাফল ঘোষণার রাত)। খবর বিবিসি ও আল–জাজিরার

ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে বাইডেন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। এ সময় নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমসহ অনেকেই বলেছিল, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দেশজুড়ে রিপাবলিকানদের “লাল ঢেউ” বয়ে যাবে। তবে তেমনটা হয়নি।’

তবে ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি উল্লেখ করে বাইডেন বলেন, ‘নির্বাচনে যে কোনো আসন হারানোই দুঃখজনক। এবারের ভোটে আমাদের দলের অনেক ভালো ভালো প্রার্থী জয় পাননি। ডেমোক্র্যাটদের জন্য এটা কঠিন একটি রাত। তবে আমি পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্ট।’

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ‘গণতন্ত্রের জন্য সুখকর’ বলে মন্তব্য করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোয় গণতন্ত্র বড় ধরনের পরীক্ষার মুখে পড়েছে। তবে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল। এটা গণতন্ত্রের জন্য একটি শুভদিন।’

কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি আসন। সবশেষ ফলাফলে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে এসেছে যথাক্রমে ৪৮ ও ৪৯টি আসন। অর্থাৎ আর দুটি আসনে জয় পেলে সিনেট রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।

অন্যদিকে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার পথে রয়েছে রিপাবলিকান পার্টি। তবে কত বেশি আসনে দলটি জয়ী হবে, তা এখন দেখার বিষয়। নিম্নকক্ষের ৪৩৫ আসনের মধ্যে ২০৩টিতে জয় পেয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। ডেমোক্রেটিক প্রার্থীরা ১৮৭টি আসনে জয় পেয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য মোট ২১৮টি আসনে জয় প্রয়োজন। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতিসংঘ মহাসচিব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করেছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২০ আগষ্ট, ২০২৪, ০১:০৪
জাতিসংঘ মহাসচিব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন করেছে

ফাইল ছবি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

 

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি আবারও বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে তার সরকারের প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে জাতিসংঘ।

বাংলাদেশ তার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, এই ক্রান্তিকালীন সময়ে সহিংসতার অবসান, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ নির্ধারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত ১৬ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো চিঠিতে আন্তোনিও গুতেরেস একথা জানিয়েছেন।

আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, জাতিসংঘ ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করতে এবং অনুরোধ পেলে যেকোনও সমর্থন দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে আবাসিক সমন্বয়কারী এবং জাতিসংঘের কান্ট্রি টিমের মাধ্যমে এই অনুরোধ করা যেতে পারে।

গতকাল সোমবার (১৯ আগস্ট) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং চিঠিটি শেয়ার করে। চিঠিতে জাতিসংঘ প্রধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাকে তার শুভেচ্ছা জানান।

গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রচেষ্টাকে আমি স্বাগত জানাই।

জাতিসংঘ প্রধান আরও বলেন, এই ক্রান্তিকালীন সময়ে সহিংসতার অবসান ঘটাতে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, আইন-শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে এবং গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পথ নির্ধারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, যুবক ও নারীদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের কণ্ঠস্বরও বিবেচনায় নেওয়াসহ আপনার সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পন্থা গ্রহণ করবে।’

চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, তিনি সব নাগরিক এবং বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নির্ভর করছেন। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নেওয়ায় ইসরায়েলি এমপিকে বেদম প্রহার


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:২৩
ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নেওয়ায় ইসরায়েলি এমপিকে বেদম প্রহার

ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ করায় নিজেদের এমপিকেও ছাড়ল না ইসরায়েলি পুলিশ। পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিনিদের জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় ওই এমপি-কে বেদম প্রহার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। 

গত শুক্রবার তাকে মারধরের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে।

বার্তা সংস্থার এপির তথ্যমতে, ভুক্তভোগীর নাম ওফার কাসিফ। তিনি ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে আরব দলগুলোর জোট ‘জয়েন্ট লিস্ট’-এর একমাত্র ইহুদি সদস্য।

ভিডিওতে দেখা যায়, কাসিফকে পুলিশ ঘুষি মারছে, ঘাড় চেপে ধরছে, মাটিতে টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। একপর্যায়ে পুলিশের এক কমকর্তা সংসদ সদস্যের বুকে হাটু গেড়ে বসে।
পিটুনিতে এমপি কাসিফের চোখ মুখ ফুলে ওঠে এবং শার্ট ছিড়ে যায়।

জয়েন্ট লিস্টের আরেক এমপি আহমদ তিবি এ ঘটনাকে ‘নির্দয় হামলা’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন এটা সংসদীয় সুরক্ষার লঙ্ঘন।

এদিকে ইসরায়েলি পুলিশ দাবি করেছে, এমপি কাসিফই তাদের ওপর আক্রমণ করেছিলেন। একারণে পুলিশ ‘সহনীয় শক্তি’ প্রয়োগ করেছে এবং পরিচয় জানার পরপরই তাকে ছেড়ে দিয়েছে।

এদিকে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেরুজালেম পুলিশের প্রধান ডোরন তুর্গম্যান।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইহুদীবাদী ইসরায়েল। এরপর তারা এই শহরকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসছে। এজন্য বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনি ভূমি অধিগ্রহণ করে ইহুদি বসতি স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের দাবি, শহরটি তাদের ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক