a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি লরির ভেতর থেকে ৪২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সবাই অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে একটি লরিতে এসব মানুষকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। খবর: বিবিসি। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, লরির ভেতর থেকে আরও অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিউইয়ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে গাড়ির চালক পলাতক। সান আন্তোনিওর পুলিশ কর্মকর্তারা চালককে ধরতে অভিযান শুরু করেছে।
টেক্সাসের সান আন্তোনিও শহর মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এসব মানুষের মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ এটি।
বিবিসি জানিয়েছে, কীভাবে এসব মানুষ মারা গেল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় এবং স্থানীয় পুলিশ এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
প্রতিকী ছবি
১৯৭০ সালের পর এবারই বছরের প্রথম ছয় মাসে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মার্কিন শেয়ার বাজার। লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেকটাই নিম্নমুখী।
২০২২ সালের জানুয়ারি-জুন, গেল ছয় মাসে বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স ‘এস এন্ড পি ৫০০’-এর ২০.৬% অবনমন হয়েছে। এছাড়াও যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার শেয়ার বাজারও একই সমস্যায়। এই অবস্থায় বিশ্বের অধিকাংশ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোই জীবনযাপনের ব্যয় কমানো এবং খাবার ও জ্বালানির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে লাগাম টানার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, এই বছরের শুরুতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র সুদের হার বাড়ানোয় এমন মন্দায় পড়েছে।
পর্তুগালে বার্ষিক সম্মেলনে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক, ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড বলেছে, মূল্যবৃদ্ধির এই প্রবণতায় নিয়ন্ত্রণে বাইরে যাওয়ার আগেই এর লাগাম শক্ত হাতে টানতে হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
মুক্তা দাশ
একটা কথা ছিলো
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা!
এতোগুলো দিন পেরোলাম
কত সকাল বাসি হলো,
দুপুরের খা খা খা রোদ্দুরে পুড়ে পুড়ে অঙ্গার হলাম!
বিকেল..!
একটু গা এলিয়ে যেই না বাতাসে গা ভিজাচ্ছি,
এলোচুলে হারিয়ে যাচ্ছি অন্য কোন মনে
অমনি ঝুপ করে সন্ধ্যা নেমে এলো উঠোনে।
বারান্দার গ্রিল এর এপাশে আমি!
এতো সব দেখি, শুনি, গায়েও মাখি...
টুকটাক মনমতো সিন্দুকে পুরেও রাখি
সবটাই লোহার গ্রিল এর এপাশে !!
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...!
হাসতে ভুলে গেছি অনেক দিন,
ইটের দেয়াল কাঁপানো বকা খাওয়া হাসি..
এখন আর চাইলেও হাসতে পারি না।
লজ্জাবতী শরীর ছুঁয়েছিলে কোন এক অমৃতযোগে !
শেষ হাসিটা উধাও হলো
আত্মহত্যার অমৃতসুরা পানে ।
লজ্জাবতী’র গোলাপী আভা আজ রক্তাক্ত !
ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের এফোড় ওফোড়।
একটা কথা ছিলো
চার অক্ষরের একটা কথা ...!!
ভা...লো..বা...সি
ভা...লো....বা...সা ।।