a
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি লরির ভেতর থেকে ৪২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সবাই অভিবাসী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সান আন্তোনিও শহরের উপকণ্ঠে একটি লরিতে এসব মানুষকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। খবর: বিবিসি। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, লরির ভেতর থেকে আরও অন্তত ১৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্সেলো ইব্রার্ড বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিউইয়ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকে গাড়ির চালক পলাতক। সান আন্তোনিওর পুলিশ কর্মকর্তারা চালককে ধরতে অভিযান শুরু করেছে।
টেক্সাসের সান আন্তোনিও শহর মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) দূরে অবস্থিত। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এসব মানুষের মৃত্যুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, বাইডেনের ‘উন্মুক্ত সীমান্ত নীতির ফলাফল’ এটি।
বিবিসি জানিয়েছে, কীভাবে এসব মানুষ মারা গেল তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয় এবং স্থানীয় পুলিশ এখনও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালানো হয়েছে। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যভিত্তিক তথ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কাসেয়াকে টার্গেট করে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা হানট্রেস ল্যাবস। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
হানট্রেস ল্যাবস জানিয়েছে, সাইবার হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্ত করে বের করা হবে। রেভিল নামে রাশিয়ার একটি সংস্থা এই হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
এই ঘটনা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো বিষয়ক সংস্থা এক বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, হ্যাকারদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার (২ জুলাই) বিকেল থেকে এই সাইবার হামলা শুরু হয়। কাসেয়া জানিয়েছে, এ হামলার কারণে তাদের কর্পোরেট সার্ভার, ডেস্কটপ কম্পিউটার ও নেটওয়ার্ক ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আরও ক্ষতি ঠেকাতে নিজেদের কর্মীদের ভিএসএ সিস্টেম ব্যবহার করে সার্ভার বন্ধ করার পরামর্শ দিয়েছে তারা।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই সাইবার হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ১০টিরও বেশি দেশের ১০ হাজারের মতো গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হানট্রেস ল্যাবসের সিনিয়র সিকিউরিটি রিসার্চার জন হ্যামন্ড রয়টার্সকে পাঠানো এক ই-মেইলে বলেন, এই হামলার কারণে আমাদের কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
ফাইল ছবি : তামিম
চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনে স্বপ্নের মতো এক সেশন কাটালো বাংলাদেশ দল। এই সেশনে একাধিক অর্জনের সাক্ষী হয়েছে স্বাগতিকরা। দাপুটে ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কান বোলারদের শাসন করেছে বাংলাদেশের দুই ওপেনার। দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়েছেন দুই ব্যাটসম্যান তামিম আর জয়।
দলীয় ১৬২ রানে সাজঘরে ফেরেন জয়। ৫৮ রান করে তিনি ফিরলেও অন্যপাশে তামিম তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের ১০ম টেস্ট শতক। দীর্ঘ ২৬ মাসের বেশি সময় পর তিন অঙ্কের স্বাদ পেলেন তিনি। এই ফরম্যাটে লঙ্কানদের বিপক্ষে এটি তার প্রথম শতক।
এই ফরম্যাটে সবশেষ শতকটি করেছিলেন ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এর মাঝে কেটে গেছে ১৬ ইনিংস। যেখানে ৬টি অর্ধশতক হাঁকালেও ম্যাজিক ফিগারের দেখা পাচ্ছিলেন না।
৮৯ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যান তামিম, সেখান থেকে ফিরেই সেঞ্চুরির কোটা পূর্ণ করেন। ৭৩ বলে ফিফটি করলেও পরের পঞ্চাশ করতে লেগেছে ৮৮ বল। সাকুল্য তামিমের এই শতক এসেছে ১৬২ বলে। যেখানে নেই কোনো ওভার বাউন্ডারি, চার মেরেছেন ১০টি। সূত্র: ইত্তেফাক