ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ মাঘ ১৪২৮, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২
Mukto Sangbad Protidin

সোলেইমানিকে হত্যায় অভিযুক্ত ২ মার্কিন ও ১ ইসরায়েলি ঘাতককে হত্যার দাবি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০১:১৮
সোলেইমানিকে হত্যায় অভিযুক্ত ২ মার্কিন ও ১ ইসরায়েলি ঘাতককে হত্যার দাবি
ফাইল ছবি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের কমান্ডার লেফটেন্যোন্ট জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ও ইরাকের জনপ্রিয় হাশদ আশ-শাবির সেকেন্ড ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের ঘাতক দুই কমান্ডারকে হত্যা করেছে প্রতিরোধ যোদ্ধারা। ইরাকের উত্তরাঞ্চলের এরবিল থেকে আমেরিকা ও ইসরায়েলের সেসব কমান্ডারকে হত্যা করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ‘দ্য ক্র্যাডেল’ এই খবর প্রকাশ করে। 

একটি শীর্ষ পর্যায়ের নিরাপত্তা সূত্র থেকে তারা খবরটি জানতে পেরেছে বলে দাবি করে। 
‘দ্য ক্র্যাডেল’ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ও আল-মুহান্দিসের হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রতিরোধ যোদ্ধারা অভিযান চালায় এবং তাতে মার্কিন সেনাবাহিনীর রেড হর্স ইউনিটের কমান্ডার ৫৫ বছর বয়সী লেফটেন্যান্ট কর্নেল জেমস সি. উইলিস এবং ইসরায়েলের নাহাল ব্রিগেডের কর্মকর্তা ৪২ বছর বয়সী কর্নেল শ্যারন অ্যাজম্যান নিহত হন। তবে আমেরিকা ও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, এসব কমান্ডার কয়েকদিনের ব্যবধানে আলাদা দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

পেন্টাগন দাবি, উইলিস গত ২৭ জুন কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে যুদ্ধ-বহির্ভূত ঘটনায় মারা গেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি পেন্টাগন।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যম স্টার অ্যান্ড স্ট্রাইপস উইলিসকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ২১০তম রেড হর্স স্কয়াড্রনের কমান্ডার বলে চিহ্নিত করেছে। এই স্কয়াড্রনে ১৩০ জন সদস্য রয়েছে যারা উচ্চ মাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশেও অভিযান চালাতে সক্ষম।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, কর্নেল অ্যাজম্যান মারা গেছেন ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ফিটনেস প্রশিক্ষণের সময় গত ১ জুলাই। ২৫ বছরের সামরিক জীবনে তিনি লেবানন ও গাজা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।

তবে এসব রিপোর্ট নাকচ করে নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য ক্র্যাডেল বলেছে, উইলিস ও অ্যাজম্যান দু’জনই নিহত হয়েছেন ইরাকের এরবিল অঞ্চলে। জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ও আল-মুহান্দিসের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেনি ক্র্যাডেল।

চলতি বছরে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে লক্ষ্য করে ইরাকে কমপক্ষে দু’টি হামলা পরিচালনা করেছে। সূত্র: প্রেস টিভি, দ্য ক্রাডেল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাতিসংঘের উদ্যোগে ইয়েমেনে ন্যায়পূর্ণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে- ইরান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ১০:২৮
জাতিসংঘের উদ্যোগে ইয়েমেনে ন্যায়পূর্ণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে- ইরান

ফাইল ছবি

ইয়েমেন বিষয়ক শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি ইরানের সমর্থন রয়েছে বলে জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা আলী আসগর খাজি। গতকাল সোমবার ইয়েমেনের জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকারের প্রধান আলোচক মোহাম্মাদ আব্দুস সালামের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, ইয়েমেনি জনগণের বীরোচিত প্রতিরোধ অবশেষে সফল হতে যাচ্ছে এবং দেশটির ওপর থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন নিপীড়নমূলক অবরোধের অবসান শীঘ্রই হতে যাচ্ছে। 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, জাতিসংঘের উদ্যোগে ইয়েমেনে ন্যায়পূর্ণ ও টেকসই শান্তি শীঘ্রই প্রতিষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, আলোচনা দুই দেশের কূটনীতিক ইয়েমেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি মার্টিন গ্রিফিটস সাম্প্রতিক সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন সে ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলী আসগর খাজি। সূত্র: পার্সটুডে

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

শিক্ষা সংস্কৃতির মাইলফলক- এশিয়ান ইউনিভার্সিটির অব বাংলাদেশের রজতজয়ন্তী



বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ১২:৫৩
শিক্ষা সংস্কৃতির মাইলফলক- এশিয়ান ইউনিভার্সিটির অব বাংলাদেশের রজতজয়ন্তী

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পটভূমির  দিকে যদি তাকাই, তাহলে দেখতে পাই যে, আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন স্বল্পতার কারণে তারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছিল না। এ কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের একটি বিরাট অংশ পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গমন  করতো। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে যে, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা মানসম্মত বলে বিবেচিত হয়নি। এমনকি শিক্ষার্থীরা অনেক ক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হয়েছিল। এই পরিস্থিতি একদিকে যেমন আমাদের মেধার অপচয় করছিল  অন্যদিকে তেমনি দেশ থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা বের হয়ে যাচ্ছিলো। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। সুতরাং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখিত পরিস্থিতিতে সরকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি প্রদান করে এবং এই লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণীত হয়। সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসেন। তখন কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তাদের কার্যক্রম শুরু করে।  কিন্তু সেই সময় যে কয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল  তাতে এমন একটি ধারণার সৃষ্টি হয়েছিল যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা একটি বিশেষ শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ।   এরকম ধারণার কারণ ছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অত্যন্ত ব্যয়বহুল  টিউশন ফি স্ট্রাকচার।  যে কারণে  শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে একটি ধারণার জন্ম হয় যে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ স্বল্প আয়ের লোকদের পক্ষে সম্ভব নয়।

এরকম একটি অবস্থার মধ্যে ১৯৯৬ সালের ৪ জানুয়ারি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ তার যাত্রা শুরু করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, যা দ্বৈত পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি লাভ করে। অর্থাৎ দূরশিক্ষণ এবং অন ক্যাম্পাস ভিত্তিক  শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার অনুভূতি লাভ করে| বিশ্ববিদ্যালয়টি সব শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখে টিউশন ফি স্ট্রাকচার , পাঠ্যসূচি নির্ধারণ  এবং বিষয়সমূহ চালু করে যা স্বল্পমূল্যে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ  প্রশস্ত করে। ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সাধারণের নাগালের বাইরে’- বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই অচলায়তন ভেঙে দেয়| এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি খাতে কর্মরত বিভিন্ন পেশাজীবীদের স্বল্প ব্যয়ে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।

একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখন বাস্তবতা। প্রচুর শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ে কর্মক্ষেত্রে যোগ দিচ্ছেন। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদানও যোগ হচ্ছে। ৩৪তম বিসিএসে মেধা তালিকায় সবার সেরা হয়েছিলেন ওয়ালিদ। এই ওয়ালিদ কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বিসিএসের ইতিহাসে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে প্রথম হওয়ার গৌরবও এই ওয়ালিদের হাতে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর  পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা কোনোভাবেই অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। বরং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালোমানের শিক্ষার্থী তৈরির ব্যাপারে ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশে   উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে এবং জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ নির্মাণে যেসকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়     গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তারমধ্যে অন্যতম হলো এশিয়ান ইউনিভারিসিটি অব বাংলাদেশ। আসন্ন ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে এ বিদ্যাপীঠ রজত জয়ন্তী উৎসব পালন করবে নব চেতনায়, তার সুবিশাল নিজস্ব ক্যাম্পাসে।

বাংলাদেশের ইতিহাস ,ঐতিহ্য ও  সংস্কৃতি তুলে ধরার জন্য এটিই প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে  বাংলা বিভাগ চালু করা হয় |এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক, কলা ও মানবিক বিষয় সমূহকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে|  এইউবি শুরু থেকেই শিক্ষাক্রম এমনভাবে নির্ধারণ ও চালু করেছে, যাতে একজন শিক্ষার্থী পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই লক্ষ শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষা কার্যক্রম শেষে দেশে ও বিদেশে সাফল্যের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

রজতজয়ন্তী তথা ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জাতির প্রত্যাশা, বিশ্ববিদ্যালয়টি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণে তার কার্যক্রম সাফল্যের সাথে অব্যাহত রাখবে।

গবেষক ও  লেখক

সহযোগী অধ্যাপক, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব  বাংলাদেশ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক