a
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের ঘোষণাকৃত কঠোর বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের ২৬৯ ধারায় মামলা হতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সংগত কারণ না দেখাতে পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় মামলায় ৬ মাসের জেল ও জরিমানা হতে পারে।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পুলিশ রাস্তায় থাকবে। কোনো যানবাহন বের হলে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় মামলা করা হবে।
যৌক্তিক কারণ না দেখাতে পারলে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হবে। এর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতেও সাজা দেয়া হবে। এবার পুলিশ শক্ত অবস্থানে থাকবে। পুলিশ শক্ত অবস্থানে থাকবে বলেই আপনারা নিরাপদে থাকবেন।’
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল বৃহ্স্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনে বন্ধ থাকবে সব ধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল ও মার্কেট। সেই সঙ্গে মহল্লা ও অলি-গলির চা ও পানের দোকানও বন্ধ থাকবে।
ফাইল ছবি: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধ করতে নতুন আইন আসছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ রবিবার সংসদে জাতীয় পার্টির এমপি রুহুল আমিন হাওলাদারের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধ করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে। তবে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ সরকারের উদ্দেশ্য নয়।’
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে সংসদে প্রশ্নের জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। জাপার এমপি রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘অনেক অনলাইন সংবাদমাধ্যম মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, অপপ্রচার করে। এগুলো বন্ধে আইন করা হবে কি না?’
জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘সংবিধানে বলা মৌলিক অধিকারের মধ্যে বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। সেই নিরিখে এবং সেটাকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে আইন প্রণয়ন করতে হয়। ইতোমধ্যে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্যকে জানাতে চাই, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং আরও কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে। তবে সংবাদ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ নয়, মিথ্যা তথ্য এবং মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাতে বন্ধ করা যায়, সে ব্যবস্থা সরকার নেবে। কিন্তু এর পাশাপাশি আমি বলে রাখত চাই, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কোনোভাবে সরকার খর্ব করবে না।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বিশ্বকাপে ভারতকে ইতিপূর্বে কখনোই হারাতে পারেনি পাকিস্তান। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিলে সর্বশেষ ১২ বারের মুখোমুখিতে প্রতিবারই জয় পেয়েছে ভারত। তাইতো এবার বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান শপথ করে নেমেছিল, তারা এবার কোহলিদের হারাবেই। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা।
১০ উইকেটের ব্যবধানে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। বিরাট কোহলি এন্ড কোং'কে লজ্জায় ডুবিয়ে জয় তুলে নিলো পাক বাহিনী।
ভারতের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। শুরু থেকেই দেখে শুনে খেলতে থাকেন দলটির দুই ওপেনার অধিনায়ক বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় বোলারদের শাসন করে ১৩ বল ও সবকটি উইকেট হাতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা।
৫৫ বলে সর্বোচ্চ ৭৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন রিজওয়ান। তার ম্যাচজয়ী এ ইনিংসটিতে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের মার।
অপরপ্রান্তে, বাবর আজম ৫২ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। সে ৬টি চার ও ২টি ছক্কার মারে। তাতেই ১৭.৫ ওভারে জয়ে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
এর আগে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে উভয় দলেরই এটি প্রথম ম্যাচ। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বসে টিম ইন্ডিয়া। দলীয় ৬ রানের মাথায় রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল আউট হয়ে যান। দু'জনই শাহিন আফ্রিদির শিকার।
এরপর একা লড়ে যান অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তার ৫৭ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৫১ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ভারত। কোহলিকে কিছুটা সঙ্গ দিয়েছেন রিশাব পান্ট। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ বলে ৩৯ রান।
পাক বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। এছাড়া হাসান আলি ২টি এবং শাদাব খান ও হারিস রউফ নেন একটি করে উইকেট। ম্যাচ সেরা প্লেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন শাহিন আফ্রিদি।