a
ফাইল ছবি
রাজধানীর উত্তরা থেকে ২০১৫ সালে এক আইনজীবীকে অপহরণ করার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে করা মামলা এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী এ আদেশ প্রদান করেন। এদিন দুপুরে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ভুক্তভোগী আইনজীবী সোহেল রানা। তিনি বাদীপক্ষের আইনজীবি হিসেবে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, সাবেক র্যাব ডিজি বেনজির আহমেদ এবং র্যাবের আরও অজ্ঞাত ২৫ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
সংগৃহীত ছবি
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের ঘোষণাকৃত কঠোর বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের ২৬৯ ধারায় মামলা হতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সংগত কারণ না দেখাতে পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় মামলায় ৬ মাসের জেল ও জরিমানা হতে পারে।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পুলিশ রাস্তায় থাকবে। কোনো যানবাহন বের হলে দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারায় মামলা করা হবে।
যৌক্তিক কারণ না দেখাতে পারলে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হবে। এর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতেও সাজা দেয়া হবে। এবার পুলিশ শক্ত অবস্থানে থাকবে। পুলিশ শক্ত অবস্থানে থাকবে বলেই আপনারা নিরাপদে থাকবেন।’
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল বৃহ্স্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনে বন্ধ থাকবে সব ধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল ও মার্কেট। সেই সঙ্গে মহল্লা ও অলি-গলির চা ও পানের দোকানও বন্ধ থাকবে।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর সাত সরকারী কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে তারা ঢাকা কলেজে একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
সকাল ১০টার পর থেকেই শতাধিক শিক্ষার্থী ঢাকা কলেজের মূল ফটকে একত্রিত হয়, পরে বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি কলেজ চত্বর থেকে শুরু হয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে ইউটার্ন নিয়ে নীলক্ষেত হয়ে ইডেন মহিলা কলেজের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করে। পরে আবরও নীলক্ষেত হয়ে ঢাকা কলেজে ফিরে এসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচির ইতি টানে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, সরকার ঘোষণা দেওয়ার পরেও ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশ এখনও প্রকাশ হয়নি, যা অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ‘সাত কলেজ’ কাঠামোর অধীনে অধ্যয়ন করতে গিয়ে তারা পরিচয় সংকটে পড়েছেন। ‘অধিভুক্তি’ শব্দটি তাদের কাছে আত্মপরিচয়হীনতা ও বৈষম্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর টিমের ফোকাল পার্সন আব্দুর রহমান বলেন, “আমরা বহুদিন ধরে স্বতন্ত্র পরিচয়ের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। শিক্ষা সিন্ডিকেটের কোনো ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। এখন সময় এসেছে আমাদের লড়াইয়ের বাস্তবায়ন দেখার।”
তিনি আরও বলেন, “সরকার যখন অধ্যাদেশ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, তখন তা সময়মতো বাস্তবায়ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর আর কোনো অনিশ্চয়তা চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।”
আন্দোলনকারীদের আশঙ্কা, অধ্যাদেশ কার্যকরের প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। তারা জানান, পাঁচটি ধাপ পেরিয়ে এটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে— যার মধ্যে রয়েছে ইউজিসির খসড়া প্রণয়ন, আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো, সেখান থেকে সংশোধন হয়ে ইউজিসিতে ফেরা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো এবং সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন।
তাদের দাবি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা না থাকলেও ধীরগতির প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে দেরি হতে পারে, যা তারা মেনে নিতে রাজি নন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন