a
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এই ধরণের ঘটনা ঘটে।
মিশা-ডিপজল প্যানেল আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর-পরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় দৈনিক খবরের কাগজের বিনোদন প্রতিবেদক মিঠুন আল মামুন, তার ক্যামেরাম্যানসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিল (ডিএসইসি)। একইসঙ্গে রোজিনাকে হেনস্থার ঘটনায় স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে সাংবাদিক রোজিনার মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সভাপতি মামুন ফরাজীর সভাপতিত্বে ও দফতর সম্পাদক মনির আহমাদ জারিফ পরিচালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, কাদের গণি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম তপু, শহিদুল ইসলাম, ডিইউজের কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক খাইরুল আলম, দফতর সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, নাসিমা সোমা, আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বিএফইউজে’র সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, আমরা আশা করি, রোববার সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্তভাবে মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে নো রিটার্ন হোম আন্দোলন শুরু করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। আমাদের আর পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই।
ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজী বলেন, সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। সচিবালয়ের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা যারা রোজিনাকে হেনস্ত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
মানববন্ধনে সব ভেদাভেদ ভুলে অধিকার আদায়ে সাংবাদিকদের জাতীয় ঐক্যের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ছাড়া সাংবাদিক নিপীড়ন-নির্যাতনে ব্যবহার হওয়া সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ সকল কালাকানুন বাতিলের দাবি করা হয়।
ফাইল ছবি
ইউক্রেনের চুহুভ শহরে রুশ বাহিনী ১০ দফা ক্ষেপনাস্ত্র ছুড়ার ফলে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানকার একটি স্কুল ও বহু বেসামরিক ভবন। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একটি জাদুঘরও।
সোমবারের এ হামলায় খারকিভ থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বের শহরটি বিধ্বস্ত হয়। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, রুশ বাহিনীর এস থ্রি হান্ড্রেড অ্যান্টি ক্রাফট মিসাইলে বিধ্বস্ত হয় একটি স্কুল ও বহু বেসামরিক ভবন। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একটি জাদুঘর। আবর্জনার নিচে তিন জন জীবিত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তাই উদ্ধারে ধ্বংসস্তুপ সরিয়ে চলছে অনুসন্ধানের কাজ।
এদিকে দোনেৎস্কে বিমান হামলা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। বাখমুত, ক্রমাতোরস্ক, চাসিভ ইয়ার, স্লোভিয়ানস্ক শহরে চলছে একটানা হামলা। আক্রমণ করা হচ্ছে আশপাশ এলাকাগুলোতেও।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া বিরামহীন হামলা চালিয়ে আসছে ইউক্রেনে। এ যুদ্ধে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটলেও দুপক্ষের কেউ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে আসেনি। সূত্র: যুগান্তর