a এফডিসিতে সাংবাদিকের ওপর অতর্কিত হামলা
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

এফডিসিতে সাংবাদিকের ওপর অতর্কিত হামলা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৪, ১২:২২
এফডিসিতে সাংবাদিকের ওপর অতর্কিত হামলা

ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এই ধরণের ঘটনা ঘটে।

মিশা-ডিপজল প্যানেল আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর-পরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় দৈনিক খবরের কাগজের বিনোদন প্রতিবেদক মিঠুন আল মামুন, তার ক্যামেরাম্যানসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ(বাসকপ)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন


খোরশেদ আলম, সম্পাদক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫, ০৩:১২
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ(বাসকপ)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

গতকাল ১৮ মার্চ, মঙ্গলবার, ঢাকায় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের এক সাধারণ সভা ও ইফতার পার্টি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিমের  সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।  সভায় নির্বাচন কমিশনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হারুন অর রশিদ।

সভায় ২০২৫-২৬ ইং বছরের জন্য  সংগঠনের নুতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির কর্মকর্তারা হলেন, চেয়ারম্যান - এটিএম মমতাজুল করিম, ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে - কবির আহমদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম, মোঃ ইউছুফ, মহাসচিব- সালেহ আহমদ, যুগ্ম সচিব - কাজি মাসুদ আলম, মোঃ ছানাউল্লাহ, সাংগঠনিক সচিব যথাক্রমে - মুরশিদুর রহমান সোহেল, মলয় নাথ, অর্থ সচিব - ঝর্ণা বিশ্বাস, মহিলা সম্পাদক - মমতা পারভীন, আইটি সচিব - সাইফুল আলম, দপ্তর সচিব -মো: শামীম  হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সচিব - মোঃ হুমায়ুন কবির মানিক, সমাজকল্যাণ সচিব- মোঃ দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য - মঃ শাহীন আলম,আবুল কালাম আজাদ, মঃ আবুল হোসেন, মোঃ তারিক হোসেন, শামান্তা শাহীন ও নুর আলম মৃধা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিয়ে করতে পরিচয় লুকিয়ে বাসন মাজতেন কোটিপতির মেয়ে


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ১১:৪২
বিয়ে করতে পরিচয় লুকিয়ে বাসন মাজতেন কোটিপতির মেয়ে

ফাইল ছবি । গোবিন্দ

প্রেমে পাগল কি আর সাধে বলে! প্রেমে পাগল হয়ে কোটিপতির একমাত্র ছেলে গোবিন্দ সব ছেড়ে প্রেমিকার বাড়ির চাকর হয়ে কাজে ঢুকেছিলেন। জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ— সব সামলেছেন একা হাতে। উদ্দেশ্য ছিল প্রেমিকা এবং তাঁর পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করা। করেও ছিলেন এবং পরে ধরাও পড়ে গিয়েছিলেন। এতক্ষণ যে গল্পটি পড়লেন, তা টেলিভিশনে অনেকেই দেখেছেন নিশ্চয়ই। গোবিন্দ, করিশ্মা কপূর অভিনীত জনপ্রিয় ছবি ‘হিরো নম্বর ওয়ান’। গোবিন্দ হয়েছিলেন রাজেশ মলহোত্রা। ধনকুবের ধনরাজ মলহোত্র (এই ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন কাদের খান)-এর একমাত্র ছেলে।

কিন্তু জানেন কি গোবিন্দর নিজের জীবনেও ঘটে গিয়েছিল হুবহু এ রকমই ঘটনা! শুধু ভূমিকাগুলি বদলে গিয়েছিল। ছবিতে করিশ্মার প্রেমে পাগল হয়েছিলেন গোবিন্দ। বাস্তবে তাঁর প্রেমে পাগল হয়েছিলেন এক মহিলা। যিনি নিজেও ছিলেন কোটিপতির মেয়ে। ছবিতে গোবিন্দ যেমন করিশ্মা এবং তাঁর পরিবারকে খুশি করতে চাকর সেজেছিলেন, তেমনই বাস্তবে তাঁর নিজের বাড়িতেও পরিচারিকার কাজ নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন ওই কোটিপতি মহিলা।

ওই মহিলার নামধাম, পরিচয় কখনও সংবাদ মাধ্যমে জানাননি গোবিন্দ বা তাঁর স্ত্রী সুনীতা। তবে এক সাক্ষাৎকারে ঘটনাটি স্বীকার করে নিয়েছিলেন। গোবিন্দ তখন বলিউডের সুপারস্টার হয়ে গিয়েছিলেন। অভিনয়, নাচ সব মিলিয়ে বিনোদনের যাবতীয় মশলা গোবিন্দর কাছে ছিল। 

গোবিন্দর অনুরাগীদের সংখ্যাও ছিল অসংখ্য। তারই একজন ছিলেন ওই মহিলা। অনুরাগীদের ভিড়ে মিশে না গিয়ে গোবিন্দর জীবনে বিশেষ একজন হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। গোবিন্দকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। ইন্ডাস্ট্রিতে সুপারস্টার হওয়ার অনেক আগেই যদিও গোবিন্দর বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। 

১৯৮৭ সালে স্ত্রী সুনীতা তাঁর জীবনে এসেছিলেন। কিন্তু তখনও গোবিন্দর বিবাহিত হওয়ার খবর ইন্ডাস্ট্রির কেউই জানতেন না। ক্যারিয়ারের স্বার্থে গোবিন্দই এই খবর লুকিয়ে রেখেছিলেন। তা নিয়ে স্ত্রীরও কোনও আপত্তি ছিল না।

গোবিন্দর বিবাহিত হওয়ার খবর ওই মহিলাও জানতেন না। তিনি গোবিন্দর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে চলে যান। নিজেকে তিনি পরিচারিকা হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন। গোবিন্দ এবং তাঁর মায়ের কাছে নিজের অসহায়তার কথা বলে পরিচারিকার কাজ পান। কোটিপতি ওই মহিলা গোবিন্দর বাড়িতে বাসন মাজার কাজ পেয়েছিলেন। গোবিন্দর প্রেমে এই কাজও মুখ বুঁজে করছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর কাজকর্ম গোবিন্দর মায়ের একেবারেই পছন্দ হচ্ছিল না। আসলে তিনি ঠিকমতো বাসন মাজতেই পারছিলেন না। এ রকমই চলছিল। কিন্তু একদিন কোটিপতি বাবার সঙ্গে মহিলার কথোপকথন গোবিন্দর স্ত্রী সুনীতার কানে পৌঁছয়। তাঁর কথা শুনে সন্দেহ হয় সুনীতার। গোবিন্দকে সব জানান তিনি।

তারপরই মহিলার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন গোবিন্দ। আসল কারণ জানতে পারেন। মহিলার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে বাড়িও পাঠিয়ে দেন। ওই মহিলার বাবা ছিলেন বড় ব্যবসায়ী। ৪-৫ টি গাড়ির মালিক ছিলেন মহিলা। তিনি ভেবেছিলেন, পরিচারিকা হয়ে ঢুকে গোবিন্দর সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে তারপর তাঁকে নিজের প্রকৃত পরিচয় দিয়ে প্রেম প্রস্তাব দেবেন। তা আর হয়ে ওঠেনি। বরং গোবিন্দ বিবাহিত জানতে পেরে প্রেমে আঘাত পেয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও গোবিন্দর বাড়িতে বাসন মেজে এতটুকু আক্ষেপ ছিল না তাঁর। সুত্র: আনন্দবাজার

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - গণমাধ্যম