a
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এই ধরণের ঘটনা ঘটে।
মিশা-ডিপজল প্যানেল আয়োজিত দোয়া মাহফিলের পর-পরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় দৈনিক খবরের কাগজের বিনোদন প্রতিবেদক মিঠুন আল মামুন, তার ক্যামেরাম্যানসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
গতকাল ১৮ মার্চ, মঙ্গলবার, ঢাকায় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের এক সাধারণ সভা ও ইফতার পার্টি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এটিএম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নির্বাচন কমিশনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হারুন অর রশিদ।
সভায় ২০২৫-২৬ ইং বছরের জন্য সংগঠনের নুতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির কর্মকর্তারা হলেন, চেয়ারম্যান - এটিএম মমতাজুল করিম, ভাইস চেয়ারম্যান যথাক্রমে - কবির আহমদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম, মোঃ ইউছুফ, মহাসচিব- সালেহ আহমদ, যুগ্ম সচিব - কাজি মাসুদ আলম, মোঃ ছানাউল্লাহ, সাংগঠনিক সচিব যথাক্রমে - মুরশিদুর রহমান সোহেল, মলয় নাথ, অর্থ সচিব - ঝর্ণা বিশ্বাস, মহিলা সম্পাদক - মমতা পারভীন, আইটি সচিব - সাইফুল আলম, দপ্তর সচিব -মো: শামীম হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সচিব - মোঃ হুমায়ুন কবির মানিক, সমাজকল্যাণ সচিব- মোঃ দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য - মঃ শাহীন আলম,আবুল কালাম আজাদ, মঃ আবুল হোসেন, মোঃ তারিক হোসেন, শামান্তা শাহীন ও নুর আলম মৃধা।
ফাইল ছবি
দেশে চলমান টানা লকডাউনে বন্ধ আছে দূর পাল্লার বাসসহ লঞ্চ পরিবহন। কিন্তু কঠোর লকডাউনের মাঝেও টঙ্গীর আবদুল্লাহপুর, সাভার ও গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে উত্তরবঙ্গগামী দূরপাল্লার বাস স্বাভাবিকভাবেই চলছে। আর পুলিশ কর্মকর্তা জানালেন, রাস্তায় এতো মানুষ তাই এখন পুলিশের আর কিছু করার নেই।
পবিত্র ঈদ যত কাছে আসছে নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ ততোই বাড়ছে। আজ বুধবার (১২ মে) একেবারে সকাল হতেই লক্ষ্য করা যায় ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডে হাজারো মানুষ বাড়িতে যাওয়ার জন্য রাস্তায় বের হয়েছে। বিভিন্ন পন্থায় মানুষ গ্রামে যাচ্ছে। কেউ মালবাহী ট্রাকে, কেউ বা ভাড়া করা প্রাইভেট কারে। তবে গাজীপুরের চন্দ্রায় দেখা যায় উল্টো চিত্র। সরকারের আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে শ্রমিকরা দূরপাল্লার বাস নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছে।
বাস চালকদের মতামত ছিল সামনে ঈদ তাদের আর কোন আয়ের উৎস নেই, তাই তারা বাধ্য হয়ে বাস নিয়ে সড়কে নেমেছেন। আর যাত্রীরা জানালেন, বাস তো রাতের বেলায় হরহামেশা চলছেই তাহলে অযথা বাস বন্ধের এই নাটক করে কেন আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে? মাঝখান থেকে আমাদের অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে।
লকডাউনে সরকারের নির্দেশনা ছিল, যে যেখানে আছে সে সেখানেই ঈদ করবেন কিন্তু জনগন সে নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বাড়ি ফিরছে স্বজনদের সাথে ঈদ করতে।