a গণমাধ্যমে মাহফুজ আনাম ও নঈম নিজামের পৃথক বক্তব্য
ঢাকা সোমবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

গণমাধ্যমে মাহফুজ আনাম ও নঈম নিজামের পৃথক বক্তব্য


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১, ১১:৪২
গণমাধ্যমে মাহফুজ আনাম ও নঈম নিজামের পৃথক বক্তব্য

ফাইল ছবি

সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজামের পদত্যাগ বিষয়ে সংগঠনের সভাপতি ও ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম গণমাধ্যমে বক্তব্য পাঠিয়েছেন। 

অপরদিকে, নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়ে আরেকটি বক্তব্য দিয়েছেন নঈম নিজামও। বুধবার তারা পৃথকভাবে গণমাধ্যমে বক্তব্য পাঠান। নিচে দু’জনের বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

মাহফুজ আনাম তার বক্তব্যে বলেন, 'সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে নঈম নিজামের পদত্যাগের সংবাদে আমি বিস্মিত ও মর্মাহত। মঙ্গলবার রাতে তিনি নিউইয়র্ক থেকে টেলিফোনে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তার পদত্যাগপত্র আমি এখনও পাইনি। সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে পরিষদের অবস্থান জানানো হবে। উল্লেখ্য, সম্পাদক পরিষদের যে কোনো সিদ্ধান্ত সদস্যদের মধ্যে আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়। কখনোই এর ব্যত্যয় ঘটেনি। আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, নঈম নিজামের সঙ্গে আমার কর্মক্ষেত্রের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার এবং পরিষদ পরিচালনার বিষয়ে তার সঙ্গে আমার কখনোই কোনো মতানৈক্য হয়নি।'

অন্যদিকে, নঈম নিজাম তার বক্তব্যে বলেন, 'আমরা পরস্পর ঐক্য ধরে রেখে একটি ইতিবাচক অবস্থান নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কিছু কঠিন বাস্তবতা হলো, সরকারের বিরুদ্ধে মাঝে মাঝে বিবৃতি প্রদান ছাড়া সম্পাদক পরিষদ আর কোনো কিছু নিয়ে কাজ করছে না। সম্পাদকদের একটি প্রতিষ্ঠান শুধু সরকারবিরোধী ভাব নিয়ে চলতে পারে না। পরিষদ পেশার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারছে না। শুধু সভাপতির ব্যক্তিগত ইচ্ছায় প্রতিষ্ঠান চলছে। প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের স্বার্থ রক্ষা সম্পাদক পরিষদের কাজ হতে পারে না। এসব তৎপরতা মিডিয়ার জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। কোনো অপরাধ প্রমাণের আগে কোনো মিডিয়া মালিকের বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এ ব্যাপারে বারবার বলার পরও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরেননি বিধায় সম্পাদক পরিষদ থেকে আমার সরে দাঁড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না।'

সূত্র: সমকাল

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ফেসবুকে সকলের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ০৮:২৭
ফেসবুকে সকলের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা

ড. মোঃ জুলফিকার মাহমুদ

সম্প্রতি পত্রপত্রিকার প্রকাশিত খবরে জানতে পারলাম উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে। জানিনা খবরের সত্যতা কতটুকু। যদি সত্য হয় তবে তা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়। এই ধরনের কাজ আবারও হতে পারে তাই আগামী কিছুদিন আমাদের সবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। ফেসবুক ব্যবহার যখন করতেই হয়, তখন এখানে নিরাপদ থাকতেই হবে। না হলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা তো বটেই, মারাত্মক বিপদেও পড়তে পারেন।  নিচের বিষয়গুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকলে এ ধরনের অযাচিত ঝামেলা এড়িয়ে চলা সম্ভবঃ 

১। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড: 
ফেসবুক একাউন্টের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড  এমন হবে যা সাধারনভাবে কেউ ধারণা করতে পারবে না। পাসওয়ার্ড বড় এবং কঠিন হতে হবে। শুধু বড় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে আপনার একাউন্ট নিরাপদ হবে না। কারণ হ্যাকাররা ‘ডিকশনারি অ্যাটাক' নামে একটি কৌশল অবলম্বন করে যেখানে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে তৈরি করা যায় এমন সব শব্দই ব্যবহার করা হয়। তাই পাসওয়ার্ডে সবসময় ছোটবড় অক্ষর, সংখ্যা, বিশেষ চিহ্ন যেমন #@%&*!$  ইত্যাদি ব্যবহার করা ভাল।
 
যে ভুলগুলো বেশিরভাগ মানুষ করে থাকে তা হলঃ নিজের নাম, বান্ধবী/বন্ধু/স্বামী/স্ত্রীর নাম, নিজের ডাকনাম, সাথে কমন ১২৩৪৫, ফোন নম্বর, বিভাগের নাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, জন্মতারিখ, বিয়ে বার্ষিকী, পরীক্ষার বছর  ইত্যাদি পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার পরিচিত বা বন্ধুদের কেউ আপনার পাসওয়ার্ড পেতে চাইলে প্রথমেই এগুলো দিয়ে চেষ্টা করবে।
 
ভিন্ন ভিন্ন সাইটের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ভাল৷ যেমন ফেসবুক, ইয়াহু মেইল, জিমেইল, টুইটার ও গুগল অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা৷ সবগুলোতে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে আপনার যে কোনো একটি অ্যাকাউন্টে হ্যাক হলে সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্যগুলোতেও ঢুকতে পারবে।

২। টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন:
আপনাকে অবশ্যই টু-ফ্যাক্টর ভেরিফিকেশন চালু রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কেউ যদি আপনার পাসওয়ার্ড পেয়েও যায় তারপরও সহজে লগইন করতে পারবে না। লগইন করার সময় আপনার  ফোনে একটি কোড আসবে। এই কোড না থাকার কারণে অন্য কেউ লগইন করতে পারবে না। সিকিউরিটি এন্ড লগইন সেকশনে গিয়ে আপনার মোবাইল নম্বরটি যোগ করে দিতে পারেন। এরপর থেকে প্রতিবার ফেসবুকে লগইনের সময় বিনামূল্যে একটি এসএমএস আসবে এবং সেটি প্রবেশ করিয়ে লগইন করতে হবে। 

৩। ট্রাস্টেড কন্টাক্ট সেট করুন:
যদি কোন কারণে আপনার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হয় তখন আপনার একজন বিশ্বস্ত বন্ধুর সহায়তায় আপনার আইডি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। সিকিউরিটি এন্ড লগইন পেজে আপনি তিন থেকে পাঁচজন বন্ধুকে ট্রাস্টেড কন্টাক্ট হিসেবে সেট করে রাখুন। আপনার একাউন্ট হ্যাক হলে তাঁরা আপনাকে ইউআরএল এর মাধ্যমে একটি রিকভারি কোড পাঠাতে পারবে। 

৪। সন্দেহজনক লিংক:
কখনোই সন্দেহজনক কোন লিংকে ক্লিক করবেন না 
অপরিচিত বা অপ্রয়োজনীয় লিংকে কখনও ক্লিক করবেন না। বিশেষ করে যাদের আপনি চিনেন না বা বিশ্বাস করেন না এমন কারো কাছ থেকে আসা লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। আপনার একান্ত কাছের বন্ধু অথবা ফেসবুক বন্ধুর কাছ থেকে যদি এমন কোন লিংক, মেসেজ অথবা পোস্ট পান যা তাঁর স্বাভাবিক কার্যক্রমের সাথে মেলে না, সেক্ষেত্রে তা এড়িয়ে যান। সন্দেহজনক এটাচমেন্ট ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। 

৫। ফেসবুকের নামে পাসওয়ার্ড  চাইলে: 
মনে রাখবেন ফেসবুক কখনো মেইলে আপনার পাসওয়ার্ড চাইবে না। এ ধরনের মেইল পেলে তা ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। 

৬। ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহণে সতর্কতা:

এমন কাউকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করবেন না যাকে আপনি চেনেন না। হ্যাকাররা মিথ্যা পরিচয়ে আপনার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে। আর পরে আপনাকে বিব্রতকর পোস্টে ট্যাগ করতে পারে অথবা আপনার টাইমলাইনে স্প্যাম ছড়াতে পারে অথবা হ্যাকিংয়ের মেসেজ পাঠাতে পারে। 

৭। লগইন এ সতর্ক হোন:

স্ক্যামাররা ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে (যেমনঃ www.facebooc.com) সেখানে আপনার ফেসবুকের লগইন ইমেইল/ফোন নম্বর বা পাসওয়ার্ড চাইতে পারে। মনে রাখবেন www.facebook.com  ছাড়া অন্য কোন ইউআরএল ফেসবুক ব্যবহার করে না। সতরাং ফেসবুকের বাইরে অন্য কোন শব্দ থাকলে বা সন্দেহ হলে সঠিক ইউআরএল চেক করে নিন।

পাব্লিক প্লেসে বা সাইবার ক্যাফে বা অন্য কারো কম্পিউটারে ফেইসবুক ব্যবহারের সময় কখনো ‘কিপ মি লগড ইন' বা ‘সেভ পাসওয়ার্ড’-এ ক্লিক করেবন না৷  যদি কখনো লগইন করার পর লগআউট করতে ভুলে যান তাহলে অন্য কোন কম্পিউটার বা মোবাইলে পুনরায় লগইন করে সিকিউরিটি এন্ড লগইন সেটিংসয়ে সর্বশেষ লগইন হিস্টরি থকে ডিভাইস সনাক্ত করে লগআউট করে দিন। 

৮। প্রাইভেসি সেটিংস এবং টুলস:
আপনার ফেসবুকের প্রাইভেসি আপনার নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ফেসবুকে নিজেকে নিরাপদ রাখার এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়। https://www.facebook.com/privacy মেনু থেকে আপনার পছন্দমত সেটিংস করে নিন। বিশেষ করে, How People Find and Contact You ট্যাব থেকে Email address, phone number অপশনগুলোকে Friends অথবা Only Me করে রাখুন। এছাড়া ‘সিকিউর ব্রাউজিং' অপশন, ‘লগইন নোটিফিকেশনস' অপশন চালু করে রাখা আর Who can see your future posts অপশন এ Friends করে রাখলে আপনি অনেকটাই নিরাপদ থাকতে পারবেন।

সবশেষে বলব, ফেসবুকে কিছু শেয়ার করার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করতে পারেন, এটা ফাঁস হলে আপনার কোনো ক্ষতি হবে কি না। মনে খানিকটা দ্বিধা থাকলেও সম্মতি দেবেন না।

লেখক: ড. মোঃ জুলফিকার মাহমুদ, সহযোগী অধ্যাপক, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পেপার ও পেপার বোর্ড আমদানিতে প্লাস্টিক শিল্পের অনুরূপ শুল্ক কর ৫% বা তার কম চায় ব্যবসায়ী মহল


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫, ০২:৪৯
পেপার ও পেপার বোর্ড আমদানিতে প্লাস্টিক শিল্পের অনুরূপ শুল্ক কর ৫% বা তার কম চায় ব্যবসায়ী মহল

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  বাংলাদেশ পেপার ইম্পোর্টাস এসোসিয়েন, দি বাংলাদেশ পেপার মার্চেন্টস এসোসিয়েশন, মেট্রোপলিটন প্রেস ওনার্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং চট্টগ্রাম কাগজ ও সেলোফিন ব্যবসায়ী গ্রুপ প্রাক বাজেট সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায় শৃঙ্খলা, দূর্নীতি হ্রাস ও কর ফাঁকি রোধে প্রকাশনা, মোড়কজাত ও ঔষধ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল (যা দেশে উৎপাদিত হয়না) উন্নতমানের পেপার ও পেপার বোর্ড আমদানিতে প্লাস্টিক শিল্পের অনুরূপ শুল্ক কর (সিডি) ৫% বা তার ও কম করার আবেদন করেন। 

আজ ২৭ এপ্রিল ২০২৫ ইং সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক কর (সিডি) ৫% করা হলে ব্যবসায় শৃঙ্খলা, দূর্নীতি হ্রাস ও কর ফাঁকির হার কমে আসবে ফলে সরকারের রাজস্ব বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে যা হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা।

উক্ত চারটি সংগঠনের উদ্যোগে আজকের সভার সভাপতি বলেন, ব্যক্তিগত/কোম্পানী আয়করের (Income Tax) উপর অডিট আপত্তির বিপরীতে আপিলাত ট্রাইবুনালে আপিল দায়ের করতে হলে আপত্তিকৃত মোট টাকার উপর ১০% সরকারি কোষাগারে জমা করার বিধান রয়েছে এবং উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করার ক্ষেত্রে ২৫% জমা করার বিধান রয়েছে। এমতাবস্থায় সরকারের কাছে আবেদন উভয়ক্ষেত্রে ৫% করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। কিছু অসাধু কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যক্তিগত/কোম্পানী আয়করের (Income Tax) উপর অযাচিত অডিট আপত্তি দিয়ে থাকেন এ ক্ষেত্রে ৫% করা হলে অসাধু কর্মকর্তদের দৈরাত্বও কিছুটা কমে আসবে।

ভ্যাট কমিশনার কর্তৃক দাবীকৃত মূসকের বিপরীতে আপীলাত ট্রাইবুনালে আপীল দায়ের করার ক্ষেত্রে বিধিবদ্ধ জমা ১০% এবং উচ্চ আদালতে ইনকাম ট্যাক্স রেফারেন্সের ক্ষেত্রে ১০% জমা করার বিধান রয়েছে । এমতাবস্থায় মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ সংশোধন পূর্বক উভয় ক্ষেত্রে ৫% করার জন্য আবেদন করছি। এক্ষেতে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে অযাচিত অডিট আপত্তি দেওয়ার প্রবনতা হ্রাস পাবে এবং ব্যবসায়ীরা হয়রানি মুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে পারবেন।

বানিজ্যিকভাবে আমদানীকৃত ডুপ্লেক্স বোর্ড (Duplex Board) ও আর্টকার্ড (HS Code 4810) এর মূল্য আর্ন্তজাতিক বাজারে কমে যাওয়ায় প্রকৃত বিনিময় মূল্যে শুল্কায়নের আবেদন। শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা ২০০০ এর বিধি-৪ এ বলা আছে পণ্যের প্রকৃত পরিশোধিত মূল্য উক্ত পণ্যের বিনিময় মূল্য, এক্ষেত্রে পেপার এন্ড পেপার বোর্ড (HS Code 4810) আমদানীর ক্ষেত্রে পণ্যের প্রকৃত বিনিময় মূল্যকে শুল্কায়ন যোগ্য মূল্য হিসাবে বিবেচনা করে শুল্কায়নের আদেশ প্রদান করে ব্যবসায়ীদেরকে বিপুল পরিমান আর্থিক ক্ষতি হতে রক্ষা করার আবেদন। নচেৎ বন্ডের অপব্যবহারকারীরা সুবিধা পাবে এবং সরকার বিপুল রাজস্ব হারাবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ইং তারিখের একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর অভ্যন্তরে এবং কমলাপুর আইসিডিতে স্থিত আমদানিকৃত এফসিএল কন্টেইনারের Common Landing Date এর ৮ম দিন হতে প্রযোজ্য Slab এর ০৪ (চার) গুন হারে "স্টোর রেন্ট" আরোপ করেছে। ঈদের ছুটির ১/২ দিন পূর্ব হতে আগত কন্টেইনারসহ ছুটির মধ্যে বন্দরে আগত কন্টেইনার নির্ধারিত ৪ দিনের মধ্যে খালাস করা সম্ভব ছিল না এছাড়াও বন্দর বা আইসিডি হতে মালামাল খালাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ ছাড়াও আরও অন্যান্য এজেন্সি/ব্যক্তিবর্গের সম্পৃক্ততা থাকে এবং এসব ডকুমেন্টেশন প্রসেসিং এ অনেক সময় লেগে যায়।

আমদানীকারদের উপর এরূপ অযৌক্তিক উচ্চহারে "স্টোর রেন্ট" আরোপের ফলে শিল্প উৎপাদন বা অভ্যন্তরীণ ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায়গন অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুক্ষীন হবেন। এমতাবস্থায়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ইং তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪ (চার) গুন হারে "স্টোর রেন্ট" আরোপের সিদ্ধান্ত বাতিল করতঃ পূর্বের ন্যায় "স্টোর রেন্ট" বহাল রাখার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পেপার ইম্পোর্টাস এসোসিয়েশন, দি বাংলাদেশ পেপার মার্চেন্ট এসোসিয়েশন, মেট্রোপলিটন প্রেস ওনার্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং চট্টগ্রাম কাগজ ও সেলোফিন ব্যবসায়ী গ্রুপ এই ৪টি সংগঠনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে বালাদেশব্যাপী অন্তত ০৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক মানুষ কর্মসংস্থানে জড়িত আছেন। আমাদের সংঠনগুলোর পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবীগুলো আসন্ন বাজেটে কার্যকর করতঃ এ সেক্টরে কর্মরত ০৫ (পাঁচ) লক্ষাধিক মানুষের জীবনধারনের গতিধারা অব্যাহত রাখার জন্যে অনুরোধ জানাচ্ছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - গণমাধ্যম