a আবু ত্ব-হার খোঁজ চেয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বিবৃতি
ঢাকা রবিবার, ৫ মাঘ ১৪৩২, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আবু ত্ব-হার খোঁজ চেয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বিবৃতি


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১, ০১:৩৩
আবু ত্ব-হার খোঁজ চেয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বিবৃতি

ফাইল ছবি

আলোচিত ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের নিখোঁজের ৫ দিন পার হলেও এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দিবাগত রাত থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। 

এদিকে নিখোঁজ আবু ত্ব-হা আদনানের সন্ধান চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল সোমবার (১৪ জুন) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়ার ভেরিফায়েড টুইটার থেকে এ বিবৃতি দেয়া হয়।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাউথ এশিয়ার ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ত্ব-হা ‘নিখোঁজ’ সংক্রান্ত বাংলাদেশের একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার প্রতিবেদন শেয়ার করা হয়েছে। এর সাথে বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে যে, আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গী গত বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হা ও তার সঙ্গীদের অবস্থান শনাক্তে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার দাবি জানাচ্ছে অ্যামনেস্টি। আর তারা যদি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকে, তাহলে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার রংপুর থেকে ঢাকায় রওনা হওয়ার পর থেকে আবু ত্ব-হার ‘খোঁজ মিলছে না’ বলে জানিয়েছে তার পরিবার। একই সাথে তার সাথে থাকা আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন ফয়েজেরও খোঁজ মিলছে না।

এ ঘটনায় রংপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জিডির তথ্য ধরে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রংপুর মহানগরীর সেন্ট্রাল রোডের আহলে হাদিস মসজিদ-সংলগ্ন গলিতে তার পৈতৃক বাসা। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শালবন এলাকার চেয়ারম্যানের গলিতে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। আদনানের স্ত্রীর নাম হাবিবা নূর। তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বসয়ী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে তাদের।
 
আদনানের স্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৩৭ মিনিটে তার (আদনান) সঙ্গে শেষ কথা হয়। উনি তখন গাবতলী ছিলেন। এরপর রাত ৩টা থেকে তার ফোন বন্ধ পাই, এখন পর্যন্ত নম্বর বন্ধই পাচ্ছি।’ তিনি আরো জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় তার সঙ্গে গাড়িচালকসহ আরো তিনজন সহকর্মী ছিলেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সোনালী ব্যাংক CPF পেনশনধারীরা সকল বৈষম্যের অবসান চায়


সবুজ হাওলাদার, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৫, ০৯:৪০
সোনালী ব্যাংক CPF পেনশনধারীরা সকল বৈষম্যের অবসান চায়

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সারাদেশেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন দাবীসমূহ বা বৈষম্যসমূহ তুলে ধরার জন্য আন্দোলন বা সমাবেশ বা বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বেশ কয়েকদিন ধরে সোনালী ব্যাংক পিএলসি অবসরপ্রাপ্ত সিপিএফ স্কীমভূক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী “CPF পরিষদ” কেন্দ্রীয় কমিটি রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংক গুলোতে পেনশন ব্যবস্থার বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানান।

CPF পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা এর সাধারণ সম্পাদক মো: ফারুক মিয়া বলেন, আপনারা সবাই CPF পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা কর্তৃক দাবী সমূহ বা বৈষম্য সমূহ তুলে ধরন জাতির সামনে। রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংক গুলোতে পেনশন ব্যবস্থায় দুটো পদ্ধতি বিদ্যমান যেমন - GPF (General Provident Fund) অর্থাৎ পেনশন সুবিধার গ্রাচ্যুইটি পদ্ধতি এবং CPF (Contributary provident fund) অর্থাৎ নগদায়ন গ্রাচ্যুইটি পদ্ধতি। এ দুটো পদ্ধতির মধ্যে আকাশ পাতাল আর্থিক অসংগতি। আমরা সোনালী ব্যাংক CPF ভুক্তরা এই বৈষম্যের অবসান চাই।

এই প্রসঙ্গে তিনি কতগুলো দাবির কথা বলেন। নিম্নে দাবী বা বৈষম্য সমূহ তুলে ধরা হলো-
১) GPF স্কীমভুক্তরা শতভাগ পেনশন বিক্রি করার পর তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রাপ্তিতার সকল অধিকার শেষ হয়ে যায়। তেমনি CPF স্কীমভুক্তদের গ্রাচ্যুইটি নগদায়নের পর তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রাত্তিতার অধিকার শেষ হয়ে যায়। তখন GPF / CPF এর মধ্যে কোন তফাৎ থাকে না প্রাপ্তিতার অধিকার এক এবং অভিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু শতভাগ পেনশন বিক্রি করার পরও GPF ভুক্তরা চিকিৎসা, বোনাস ও নববর্ষ ভাতা পায়। কিন্তু সরকারি ব্যাংকে বা সোনালী ব্যাংকের CPF ভুক্তদের উক্ত সুবিধা (চিকিৎসা, বোনাস ও নববর্ষ ভাতা ) প্রদান করা হয় না। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের CPF ভুক্তরা কিন্তু GPF ভুক্তদের ন্যায় উক্ত সুবিধা সমূহ পায় । অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি ব্যাংক সোনালী ব্যাংক উক্ত সুবিধা পায় না বিষয়টি অমানুবিক ও অযৌক্তিক আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই ।

উল্লেখ্য যে, সোনালী ব্যাংকের মহান পরিচালনা পর্ষদ GPF / CPF এর বৈষম্যের বিষয়টি অনুধাবন করে এবং সদয় হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি ব্যাংক হলো সোনালী ব্যাংক এই বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের CPF ভুক্তদের ন্যায় চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও নববর্ষ ভাতা ২৭মে, ২০১৯ সালে পরিচালনা পর্ষদের ৬৩৫ নং মিটিং এ সোনালী ব্যাংকে অনুমোদন দেয়া হয় ।

কিন্তু পরিতাপের বিষয় অর্থ-মন্ত্রণালয়ের ১৩, ডিসেম্বর-২০২৩ পত্র নং- ০০১.২০.২৯১. এর বিধিবদ্ধতার চিঠির বরাতে CPF স্কীমভুক্তদের চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও নববর্ষ ভাতার সুবিধাটি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানুয়ারি-২০২৪ থেকে স্থগিত করে দেয়। যা অমানবিক, অন্যায্য ও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। আমরা সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদনকৃত ভাতা সমূহ- চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও নববর্ষ ভাতা পুনর্বহাল চাই।

উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ০৫/০১/২০২৫ পত্র নং- ০১/২৫ এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বিষয়টি ছিল নিম্নরূপ :- বিষয়:- সোনালী ব্যাংক পিএলসির সিপিএফ স্কীমভুক্ত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা,উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা পুনর্বহাল করা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যায় সিপিএফ স্কীমভুক্তদের ”বিশেষ আর্থিক সুবিধা” চালু করা প্রসঙ্গে।

CPF পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা এর সভাপতি হোসনে আরা বেগম এই বৈষম্য নিয়ে বলেন, বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। আমরা চাই এই বিষয়টি খুব তাড়াতাড়ি সমাধান হোক। নতুন এই বাংলাদেশে এই ধরনের বৈষম্য আমরা চাই না।

সাবেক জেনারেল ম্যানেজার, সোনালী ব্যাংক পিএলসি এবং সাধারণ সম্পাদক মো: ফারুক মিয়া (CPF পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি, সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ঢাকা) জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায় সাংবাদিকদের সামনে বলেন, একই সেক্টরে দুই ধরনের বৈষম্য আমাদের অনেক পীড়া দেয়।

আমরা চাই দেশের সকল নাগরিক যার যার প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ সুবিধা পাক। তাহলে পেনশনধারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরিবার নিয়ে ভালোভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আ.লীগ কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিরাজু জেলার দায়িত্বে ফরিদুল


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:৪০
আ.লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা। অন্যদিকে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্তমান সহ-সভাপতি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীকে। বুধবার (২৫ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই দুই নেতা অতীতে মহেশখালী-কুতুবদিয়া (কক্সবাজার-২) সংসদীয় আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯৬ সালে সিরাজুল মোস্তফা এবং ২০০১ সালে ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী আওয়ামী লীগের টিকিটে প্রার্থী হন। সিরাজুল মোস্তফার বাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে এবং ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি আরেক দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ওই দুই নেতা নিজেদের অবস্থান পোক্ত করেছেন। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিক হিসেবে। বিগত ২০১৬ সালের ২৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কাউন্সিলে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। পরে একই বছরের ১৩ অক্টোবর ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। সেই কমিটিতে ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীকে সহ-সভাপতি করা হয়। এদিকে কক্সবাজার জেলা থেকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় জেলার নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণ চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজিবুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্তে আমরা জেলাবাসী গর্বিত। আশা করছি, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কক্সবাজারের উন্নয়ন আরও বেশি ত্বরান্বিত হবে।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিবিধ

সর্বোচ্চ পঠিত - বিবিধ

বিবিধ এর সব খবর