a
ফাইল ছবি
রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া খান রাজার বিরুদ্ধে এক নারী কর্মীর বেতনের টাকা আত্মসাত্ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে পালটা সংবাদ সম্মেলন করেছে হাসপাতালটির আউটসোর্সিং কর্মীদের
অপর আরেকটি অংশ।
তাদের অভিযোগ, মুগদা হাসপাতালের সাবেক ঠিকাদার মুগদা ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বি এম সিরাজুল ইসলাম ঐ নারীকে দিয়ে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করিয়েছেন। তবে এ ধরনের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম।
গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটসোর্সিং ‘কর্মীদের পক্ষে’ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় ফয়সাল আহমেদ। তিনি বলেন, এক আউটসোর্সিং নারী কর্মী উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছুদিন আগে প্রেসক্লাবের সামনে গোলাম কিবরিয়া খান রাজার বিরুদ্ধে ১৫ মাসের বেতন আত্মসাত্সহ সন্তান নষ্ট করার অভিযোগ আনেন, যা মিথ্যা এবং বানোয়াট।
তিনি বলেন, ঠিকাদার কর্তৃক ২০১৯ সালে জুলাইয়ে আমরা মোট ১৩৯ জন নিয়োগপ্রাপ্ত হই। আমাদের এই নিয়োগের মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত। এটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে নতুন দরপত্রের মাধ্যমে ২০২১ সাল পর্যন্ত বহাল থাকার কথা ছিল। কিন্তু করোনাকালীন দুর্যোগের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি না পাওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতুন দরপত্র আহ্বান করতে পারেনি। কিন্তু করোনা রোগীদের সেবা করার মানবিক বিষয়টি বিবেচনার পাশাপাশি দরপত্রের মাধ্যমে আবার নিয়োগ হলে যেন অগ্রাধিকার পাই—সেজন্য আমরা হাসপাতালের পরিচালকের নিকট অনুরোধ করি, যাতে বিনা বেতনে হলেও আমরা দায়িত্বে বহাল থাকতে পারি। পরে দরপত্রের অনুমোদনটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আনা সম্ভব না হলে, আমরা ১২ মাসের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত সেবার বিনিময়ে কোনো বেতন পাইনি। এই বিষয়টি ঐ নারী কর্মী অন্য খাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি ৫ বছর আগেই হাসপাতালের যাবতীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। একজন কাউন্সিলর হিসেবে আমার দায়িত্ব এলাকায় কেউ কোনো সমস্যায় পড়লে তার প্রতি সমর্থন জানানো। কাউকে চাকরি থেকে বের করে দেওয়ার পূর্বে তার যাবতীয় বকেয়া বেতন পরিশোধ করা অবশ্যক। গোলাম কিবরিয়া খান আউটসোর্সিংয়ের কর্মীদের চাকরির অগ্রাধিকার দেওয়ার ভরসা দিয়ে আগের বেতন দেয়নি বরং নতুনভাবে কর্মী নিবন্ধন করেছেন।
ফাইল ছবি
দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার কারণে স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠান আবারও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে আগামী ১১ এপ্রিলও পদক প্রদান অনুষ্ঠান হচ্ছে না।
বুধবার (৭ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, আসছে ১১ এপ্রিল ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পূর্বনির্ধারিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১’ প্রদান অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাবেন। গত ৭ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে গেলো ২৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ২৪ মার্চের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। সে সময় নতুন সময় নির্ধারণ করা হয় ১১ এপ্রিল।
কিন্তু করোনার পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় তা আবারও পিছিয়ে গেল।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রত্যেক বছর এ পুরস্কার প্রদান করে আসছেন।
ফাইল ছবি
মুখের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ব্রাশ করতে হবে। সকালে ও রাতে এই দুইবেলা ভালো টুথপেস্ট ব্যবহার করে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। পাশাপাশি টুথব্রাশ সময়মতো বদলে নিতে হবে। আমাদের একটা বাজে স্বভাব, ব্রাশের ব্রিসেলসগুলো একদম অকেজো হলেই ব্রাশ ফেলে দেই। এমনটা ঠিক নয়।এটি ওরাল হেলথের জন্যও স্বাস্থ্যকর নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মুখেরর ব্রাশ ৩-৪ মাস পরপর বদলানো ভালো। আর যদি আগেই কোনো কারণে ব্রিসেলস নষ্ট হয় তাহলে দ্রুত বদলাতে হবে। আরেকটি বিষয়, বাড়িতে কেউ সংক্রমণজনিত রোগে আক্রান্ত হলে ১-২ দিনের মধ্যে ব্রাশ বদলে ফেলতে হবে সবাইকে। মুখ দিয়ে অনেক রোগ শরীরে ছড়ায়। তবে ব্রাশের কিছু যত্নও নিতে হবে। তবেই তিন চার মাস পর সুস্থ ওরাল হেলথ নিশ্চিত করতে ব্রাশ বদলানো যেতে পারে। টুথব্রাশ ব্যবহারের পদ্ধতিগুলো হলো:
১। নিজের টুথব্রাশ ইচ্ছা/অনিচ্ছায় অন্য কেউ যেন ব্যবহার না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
২। টুথব্রাশ মাউথওয়াশ বা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। গরম পানি অনেক সময় ব্রিসেলসের ক্ষতি করে। বেসিনের কলের পানি দিয়ে ধুলেই চলবে।
৩। ভুল করে কেউ কারোর ব্রাশ ব্যবহার করতেই পারে। সেরকম কিছু হলে ফেলে দিতে হবে।
৪। পরিবারের সবার টুথব্রাশ যেন একে অপরের গায়ে গা লাগিয়ে না থাকে সে ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৫। টুথব্রাশের জন্য আলাদা বদ্ধ ক্যাপ দরকার নেই। প্লাস্টিক এই ক্যাপ ব্যবহার করে নিরাপদ ভাবার কারণ নেই। উলটো সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। সূত্র: ইত্তেফাক