a
ফাইল ছবি
গ্রাহকদের টাকা ফেরত ও ই-অরেঞ্জের নামে প্রতারণার মূলহোতা সোহেলকে দেশে আনার দাবিতে সড়ক অবরোধ করায় পুলিশ লাঠিচার্জ করে করেছে। এতে কয়েকজন গ্রাহক আহত হয়েছেন এবং সেখান থেকে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হাইকোর্ট থেকে মৎস্য ভবনের দিকে যাওয়ার রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস। এমনিতেই যানবাহনের চাপ বেশি থাকে, তারপর গ্রাহকরা সড়ক অবরোধ করেছিল। আমরা তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে রাস্তা পরিস্কার করে দেই।
আর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২/৩ জনকে থানায় নেওয়া হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
গ্রাহকরা সড়ক অবরোধ করার পাশাপাশি তারা পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানা ও ক্রিকেটার মাশরাফির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ই-কমার্সের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন ই-অরেঞ্জ গ্রাহকরা।
এ বিষয়ে ই-অরেঞ্জ ভুক্তভোগী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আফজাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। আমাদের ১০ জন এতে আহত হয়েছে। আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে।
ফাইল ছবি
দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার কারণে স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠান আবারও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে আগামী ১১ এপ্রিলও পদক প্রদান অনুষ্ঠান হচ্ছে না।
বুধবার (৭ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, আসছে ১১ এপ্রিল ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পূর্বনির্ধারিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১’ প্রদান অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়।
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাবেন। গত ৭ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে গেলো ২৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ২৪ মার্চের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। সে সময় নতুন সময় নির্ধারণ করা হয় ১১ এপ্রিল।
কিন্তু করোনার পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাওয়ায় তা আবারও পিছিয়ে গেল।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রত্যেক বছর এ পুরস্কার প্রদান করে আসছেন।
ফাইল ফটো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
ভারতে করোনা সংক্রমণের হার উত্তরোত্তর বেড়ে যাওয়ায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক ডেকেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই এর খবর মতে, আগামীকাল বুধবার দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
গত জানুয়ারি মাসে করোনার টিকা কর্মসূচি শুরুর আগে নরেন্দ্র মোদি মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠক করেছিলেন। তার আগে করোনা মহামারী শুরুর পর নিয়মিতভাবে বৈঠক করতেন তিনি।
উল্লেখ্য, ভারতের করোনার সংক্রমন সবচেয়ে বেশি রাজ্যগুলো হচ্ছে মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, কর্নাটক, গুজরাট, তামিলনাড়ু। করোনার ভয়াবহতার কারণে অনেক অনেক রাজ্যগুলোতে নতুন করে লকডাউন আরোপ করা হয়েছে।