a আজ ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা
ঢাকা শুক্রবার, ৩ মাঘ ১৪৩২, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ০৪ জুন, ২০২২, ১১:৩৯
আজ ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা

ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের অধীনে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা। সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত (দেড় ঘণ্টা) ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সাতটি বিভাগীয় শহরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবার এই ইউনিটে মোট আবেদন করেছেন মোট ৫৮ হাজার ৫৬৫ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। ইউনিটটিতে এ বছর আসন রয়েছে ১ হাজার ৭৮৮টি। সেই হিসেবে এবার প্রতি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেবেন প্রায় ৩৩ জন শিক্ষার্থী।

এর আগে, শুক্রবার (৩ জুন) সকালে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের মাধ্যমে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু করে ঢাবি কর্তৃপক্ষ।

সারাদেশের মোট ৩০ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন। এবার ‘গ’ ইউনিটে আসন সংখ্যা ছিল ৯৩০টি। সে অনুযায়ী এখানেও প্রতিটি আসনের বিপরীতে ৩৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা ৫টি ইউনিটে (ক, খ, গ, ঘ ও চ) দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে। আজকের পর আগামী ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট, ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিট আর ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা হবে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সিমাগো র‍্যাঙ্কিং এ প্রথম হওয়ায় জবির রসায়ন বিভাগকে সংবর্ধনা


মাহাদী সিয়াম, জবি প্রতিনিধি
রবিবার, ২৪ জুলাই, ২০২২, ০৬:৪৫
সিমাগো র‍্যাঙ্কিং এ প্রথম হওয়ায় জবির রসায়ন বিভাগকে সংবর্ধনা

ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

স্পেনের সিমাগো ইনস্টিটিউশন র‍্যাঙ্কিং-২০২২ এর প্রকাশিত ফলাফলে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে রসায়ন বিষয়ে গবেষণা সূচকে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। এই উপলক্ষে ২৪ জুলাই রোজ রবিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগকে সংবর্ধনা জানান। সিমাগো ইনস্টিটিউশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি গতবছরে বিভিন্ন বিষয়ে ১৯টি সূচকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৪ হাজার ১২৬টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে জরিপ করেছে। জরিপে রসায়ন বিষয়ক গবেষণা সূচকে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সবার প্রথমে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামছুন নাহার বলেন, আমাদের এ অর্জন বিভাগের শিক্ষকদের টিম ওয়ার্কের ফসল। সকলের সমন্বয়ে আমাদের গবেষণা কার্যক্রম এগয়ে যাচ্ছে। করোনাকালে বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত গবেষণা  করেছেন, তাদের ত্যাগই আমদেরকে রসায়নে দেশসেরা করেছে।

এসময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, রসায়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, বিভাগের সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন আয়োজনে আমি আবেগতাড়িত হয়ে গেছি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি যখন নিযুক্ত হই, বিভাগের শিক্ষকদের বসার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা ছিলনা, গবেষণার সুযোগ ছিলনা বললেই চলে। সেখান থেকে আমরা এখন দেশে রসায়নে প্রথম।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. কামালউদ্দীন আহমদ জানান, জবির সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান বলেছিলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার দিক থেকে সবচেয়ে ভালো বিভাগ হচ্ছে রসায়ন বিভাগ। আপনারা স্যারের কথা প্রমাণ করে চলছেন। তিনি আরো বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক কিংবা শিক্ষার্থী তাদের কর্মক্ষেত্রে বা খেলাধুলায় এরকম সাফল্য দেখলে আমি আবেগ নিয়ন্ত্রন করতে পারিনা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউজিসি অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবীর বলেন, ২০১৯ সালে আমি যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম তখন জাবি রসায়নে দেশসেরা ছিল, বর্তমানে আমি জবির রসায়ন বিভাগের সাথে যুক্ত আছি, এখন জবির রসায়ন বিভাগ দেশসেরা এজন্য আমি গর্বিত। এ বিভাগের তরুণ শিক্ষকরা গবেষণা প্রবণ এটা আশার আলো দেখায়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইমদাদুল হক রসায়ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকে উজ্জ্বল করেছেন। আপনাদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৃতজ্ঞ। এসময় আগামীতে দেশসেরা হওয়ার   জন্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা কাজকে তরান্বিত করার আহ্বান জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

প্ল্যাকার্ড হাতে একা দাঁড়িয়ে যৌন হয়রানির বিচার চাইলেন জবি শিক্ষার্থী


মাহাদী সিয়াম, জবি প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৭:৩৯
প্ল্যাকার্ড হাতে একা দাঁড়িয়ে যৌন হয়রানির বিচার চাইলেন জবি শিক্ষার্থী

ছবি:মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের-(জবি) ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের শিক্ষক আবু শাহেদ ইমনের বিরুদ্ধে হয়রানি ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন। ২০১৭-১৮ সেশনের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী ফারজানা এই অভিযোগের বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে দাড়িয়ে বিচার দাবি করেন।

ফারজানা অভিযোগ, ২০১৯ সালের ৮ নভেম্বর শিক্ষক জনাব আবু শাহেদ ইমন নিকতনের ব্লক-এ এর দুই নাম্বার রোডের ৮২ নাম্বার বাসায় অবস্থিত ব্যক্তিগত অফিস কার্যালয়ে তাকে ডেকে ফ্রেন্ডশিপের প্রস্তাব দিয়ে শারীরিকভাবে নিগৃহীত করেন।

ফারজানার ভাষায় শিক্ষক আবু শাহেদ ইমন তার শরীরে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বলেন, আমাকে দেখে তোমার কি কখনও কিছু অনুভব হয়নি? এ কথা বলতে বলতে তিনি নিজের চেয়ার থেকে উঠে এসে আমার চেয়ারের পেছনে এসে যৌন অঙ্গভঙ্গিতে আমার ঘাড়ে হাত দিয়ে মেসেজ করতে শুরু করেন। তিনি তার যৌন তাড়না প্রকাশ করে বলতে থাকেন ভয় পেয়ো না। এখানে কেউ দেখতে পাবে না, কেউ শুনতেও পাবে না। উনার আচরণে আমি ভয় পেয়ে যাই এবং তৎক্ষণাৎ আমার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াতেই আবারও আমাকে জোরপূর্বক শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন। আমাকে তার সাথে নোংরা কাজে লিপ্ত হওয়ার জোর করেন। আমাকে নিজেকে রক্ষা করতে চিৎকার করে বলতে থাকি স্যার আপনি যা চাচ্ছেন আমি তা চাচ্ছিনা। আমি পুলিশ ডাকার ভয় দেখালে তিনি আমাকে ছাড়তে বাধ্য হোন।

ফারজানা আরোও বলেন, “আমি তার পরের দিন এক সহপাঠীসহ বিভাগীয় চেয়ারম্যানকে এই ঘটনা জানাই। তিনি জানান উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া বিচার করা সম্ভব না। উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া উপাচার্য বরাবর অভিযোগ করলে তা প্রমাণ করতে না পারলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে ছাত্রত্ব বাতিল হতে পারে।”

এই শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন তার পরবর্তীতে ক্লাসে লাঞ্চনা, এসাইনমেন্ট ও উপস্থিতির বৈষম্যের শিকার এবং পরীক্ষার স্বল্প মার্কসের ঘটনা ঘটলে ফারজানা ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে উপাচার্যের কাছে এই বিষয়ে বিচারের জন্যেক লিখিত অভিযোগ করেন। তার অভিযোগ অন্যান্য সহপাঠীদের প্রলোভন দেখিয়ে এবং কাউকে কাউকে ভয় দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি যৌন হয়রানির অভিযোগ সেলেও ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে। সুপরিচিত হিসেবে পরিচিত এই শিক্ষক প্রশাসনের আস্থাভাজন হওয়ায় বিভাগীয় চেয়ারম্যান এই বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেয়নি। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদেরকেও সংবাদ না করার চাপ দেয়া হয়। সর্বশেষ বাধ্য হয়ে একাই এই শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করতে দাঁড়ান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানির প্রতিরোধ কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে, তারা ব্যবস্থা নেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানির প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লাইসা আহমদ লিসা বলেন, এটি নিয়ে আমাদের সামনের সপ্তাহে মিটিং আছে, তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এর আগে কিছু বলা যাচ্ছে না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস