a জবির কেন্দ্রীয় মাঠ দখল হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ
ঢাকা শনিবার, ১৯ পৌষ ১৪৩২, ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

জবির কেন্দ্রীয় মাঠ দখল হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ


অমৃত রায়,জবি প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১, ০৩:১৫
জবির কেন্দ্রীয় মাঠ দখল হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রকাশ

ফাইল ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ (​ধুপখোলা মাঠ) দখল করে সেখানে মার্কেট ও পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। পূর্বের পরিকল্পনা হিসেবে গত ১০ জুন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জোহা ও সিটি কর্পোরেশনের সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হরিদাস মল্লিক মাঠের ভেতর ম্যাপ অনুযায়ী মাঠের চার কর্নারে খুঁটি বসান। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে মাঠের মধ্যে মার্কেট নির্মাণের পরিকল্পনার বিষয়টি নজরে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ দখলের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল স্যারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, "গতকাল ১৬ জুন আমরা মাঠ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম, মাঠে যেয়ে সেখানে দায়িত্বরত যারা ছিলেন তাদের সাথে কথা হয়েছে কাজ আপাতত বন্ধ থাকবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ দখলের বিষয়ে  ভিসি স্যার মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও মেয়র মহোদয়ের সাথে কথা বলবেন। এ ব্যাপারে দ্রুত সমাধান আসবে বলে আশাবাদী আমরা।"

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের ১৩তম ব্যাচের ক্রীড়াপ্রেমী শিক্ষার্থী আনতাজ হেনা আখি বলেন, আমরা কখনোই চাইবো না মাঠটা দখল হোক। একজন খেলোয়াড়  হিসেবে অবশ্যই চাইবো মাঠ টা আমাদের থাকুক। কেননা এই মাঠটুকুই আমাদের জগন্নাথের খেলোয়াড়দের একমাত্র স্বস্তির জায়গা। ভালোবাসার জায়গা আমাদের খেলাধূলার জন্য। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাসহ সকলেই এ বিষয়ে বিশেষ নজরদারি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

চলন্ত বাস থেকে ফেলে সাবেক জবি শিক্ষার্থীকে হত্যা


সিয়াম, জবি প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:২২
চলন্ত বাস থেকে ফেলে সাবেক জবি শিক্ষার্থীকে হত্যা

ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দিয়ে আবু সায়েম মুরাদ (৩০) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

নিহিত মুরাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০০৪-২০০৫ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। শনিবার (১৫ অক্টোবর) অ্যালামনাইয়ের অনুষ্ঠানের খোঁজ নেয়ার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিল তিনি।

ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বাসটি পুড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে ওই বাসের চালক ও সহকারীকে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ চালক ও সহকারীকে আটক করে।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডেমরা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আবু সায়েম মুরাদ নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত ৮ নম্বর বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে বাসটি পুড়ে গেছে। তবে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। বাসের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাস থেকে সহকারী তাকে ধাক্কা দেন। এতে আবু সায়েম মুরাদ নামের ওই যাত্রী সড়কে পড়ে মারা যান। তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত মুরাদের ভাই আবু সাদাত সায়েদ অভিযোগ করেন, চলন্ত বাস থেকে মুরাদকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় মুরাদ ৮ নম্বর বাসে ছিলেন। মুরাদকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পর পর ওই বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা স্রষ্টার সৃষ্টি জগৎকে দেখেছিলেন এক অভিন্ন পরিবার হিসেবে: বিভাগীয় কমিশনার


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৬
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা স্রষ্টার সৃষ্টি জগৎকে দেখেছিলেন এক অভিন্ন পরিবার হিসেবে বিভাগীয় কমিশনার

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও সুফি চিন্তাবিদ হজরত খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) স্রষ্টার সৃষ্টি জগৎকে দেখেছিলেন এক অভিন্ন পরিবার হিসেবে। তাঁর মতে, স্রষ্টার একত্বে বিশ্বাস মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ দূর করে এবং মানবিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। তাঁর প্রণীত ‘বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ব’ দর্শন মানুষে মানুষে সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে নৈতিকতা, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও নিঃস্বার্থ সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩ টায় রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সেমিনার হলে আহছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটির আয়োজনে "বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব: দর্শন ও কর্মকৌশল” শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একথা বলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন-আইনের শাসন, মানবাধিকার ও নৈতিকতার সমন্বয় ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নাগরিকের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করতে পারলে রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন ডাম ক্লাব ২৫-এর উপদেষ্টা ড. কাজী এম. এহছানুর রহমান। তিনি বলেন-খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.)-এর বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের ভাবনা ছিল স্রষ্টার এককত্বে পূর্ণ বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত, যেখানে তিনি সমগ্র সৃষ্টিকে একই পরিবারের অংশ মনে করতেন এবং মানুষে মানুষে, এমনকি জীব ও জড়ের মধ্যে ভেদাভেদ না করে সার্বজনীন ভালোবাসা ও সেবার ওপর জোর দিতেন, যা 'সৃষ্টের সেবা' এবং 'মানবতার ধর্ম' ধারণার মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি মনে করতেন, স্রষ্টা ও সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা থাকলে বিশ্বে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব, যা তাঁর দর্শন ও শিক্ষার মূল ভিত্তি ছিল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান। এসময় তিনি বলেন-খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক উন্নয়নের কথা বলেছেন, যেখানে শিক্ষা, নৈতিকতা, পল্লী উন্নয়ন, এবং স্রষ্টার নৈকট্য লাভের মাধ্যমে আত্ম-উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন; তিনি 'ভয়, শ্রদ্ধা ও প্রেম' এর সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে গড়ে তোলার কথা বলেছেন এবং তরুণদের জন্য তাঁর জীবন আদর্শকে পাথেয় হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলীর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.)-এঁর বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব ভাবনা বিষয়ক আলোচনা করেন খানবাহাদুর আহছানউল্লা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আলহাজ্ব এ এফ এম এনামুল হক, সেইন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল ব্রাদার ভিক্টর বিকাশ ডি রোজারিও, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মিলটন কুমার দেব। এসময় উন্মুক্ত আলোচনা করেন আহ্ছানউল্লা সেন্টার ফর ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল মাসুদ।

এসময় আলোচকরা বলেন- খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা (র.) তাঁর সমগ্র চিন্তা ভাবনার মধ্যদিয়ে একটি আলোকিত সমাজ গঠনের চেষ্টা করেছেন। তিনি কখনো গোঁড়ামির কথা বলেননি। তাঁর সমাজ চিন্তায় মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টের সেবা’। স্রষ্টার এবাদত করতে হলে আগে সৃষ্টের সেবা করতে হবে। তিনি ভয়, শ্রদ্ধা এবং প্রেম এই তিনটার সমন্বয় ঘটিয়ে নিজেকে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। তারা আরো বলেন, খানবাহাদুর আহছানউল্লা (র.)’র জীবন ধারার প্রতিটি বাঁকে যে অফুরান সমৃদ্ধি, সমারোহ ও সৌন্দর্য্যরে বিকাশ ঘটেছিল তাঁর যথার্থ নিরুপণ করা সম্ভব হলে ইতিহাসের অনেক অজানা কাহিনী উদ্ধার হতো। তাঁর জীবনভিত্তিক অনেক ঐতিহাসিক সত্যের তেমন মজবুত মিমাংসা হয়নি। তবু তাঁর বিশাল বর্নিল জীবনধারার কাছে আমাদের ঋণ ও কাতরতার কোন শেষ নেই।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস