a
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা পিয়াল দাস অনুপ।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মানবতার সেবায় সর্বদা এগিয়ে। যেকোনো দুর্যোগ ও মহামারি মোকাবেলায় ছাত্রলীগের সূর্য সন্তানরা মানুষের পাশে থেকেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ক্ষুধা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সর্বদা নিয়োজিত।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সূযোগ্য সভাপতি অাল নাহিয়ান খান জয় ভাই ও বিচক্ষণ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদার নির্দেশে মানুষের জন্য কাজ করে যাবো প্রতিটি নেতাকর্মী। শিক্ষা,শান্তি আর প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
এ করোনার মহামারীতে মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা অন্য কোন সংগঠন করেনি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের কটূক্তি ও অবান্তর মন্তব্যের প্রতিবাদে ও তাদের দৃষ্টানত মূলক শাস্তির দাবিতে ২৩ মে (সোমবার) বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।
সোমবার (২৩ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন এর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় ঘুরে ভিক্টোরিয়া পার্ক প্রদক্ষিণ করে বিজ্ঞান অনুষদ, ভিসি চত্বর, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ হয়ে ভাষা শহীদ রফিক ভবনে এসে শেষ হয়। এ সময় জমায়েত হয়ে ছাত্রদলকে প্রতিহত করতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে পুরো ক্যাম্পাস।
উক্ত সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন। এসময় তিনি বলেন, ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে নিয়ে কটূক্তি করায় ছাত্রদলকে মাফ না চাওয়া পর্যন্ত জগন্নাথে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হল।
শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম ফরাজী সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ থেকে ছাত্রদল অবাঞ্চিত। আপনারা ছাত্রদলের অছাত্রদের দেখা মাত্রই প্রতিহত করবেন।
ফাইল ছবি
সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছাত্রদল-ছাত্রলীগের মধ্যে রক্তক্ষয়ী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
বিচারপতি, আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও আদালত সংশ্নিষ্টরা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে উচ্চ আদালতে প্রবেশ করতে পারেন, বিষয়টি মাথায় রেখে গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা হয়, রোববার থেকে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে।
বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বজলুর রহমান, পুলিশের রমনা অঞ্চলের ডিসি, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রারসহ সংশ্নিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন দুপুরের দিকে সুপ্রিম কোর্টের ভেতরে আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, মারামারি ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের মারামারিতে এক আইনজীবীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
বৈঠকের পর আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান, সব গেটে আনাগোনা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বিচারপ্রার্থী, আইনজীবীরা যাতে সুপ্রিম কোর্টে নির্বিঘ্নে, স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারেন সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: সমকাল