a
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা পিয়াল দাস অনুপ।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মানবতার সেবায় সর্বদা এগিয়ে। যেকোনো দুর্যোগ ও মহামারি মোকাবেলায় ছাত্রলীগের সূর্য সন্তানরা মানুষের পাশে থেকেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ক্ষুধা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সর্বদা নিয়োজিত।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সূযোগ্য সভাপতি অাল নাহিয়ান খান জয় ভাই ও বিচক্ষণ সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদার নির্দেশে মানুষের জন্য কাজ করে যাবো প্রতিটি নেতাকর্মী। শিক্ষা,শান্তি আর প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
এ করোনার মহামারীতে মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা অন্য কোন সংগঠন করেনি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।
ফাইল ছবি
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ ভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়েবোমেট্রিক্সের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং জুলাই -২০২২ সালের প্রকাশিত র্যাংকিং এ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৩ তম অবস্থানে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের মধ্যে গতবারের চেয়ে একধাপ এগিয়ে ১৮তম হয়েছে জবি আর বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৩৩৯৯তম, এশিয়া মহাদেশে অবস্থান ১২৩০ তম, দক্ষিণ এশিয়ায় ২৩৩ তম অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বসেরা তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। এশিয়ার সেরা চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
২০২২ এর দ্বিতীয় সংস্করণে (জুলাই) বিশ্বের দুই শতাধিক দেশের ৩১ হাজার উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। তন্মোধ্যে এশিয়ার ১৫ হাজার ৯১৩টি এবং বাংলাদেশের ১৭১টি পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থান পেয়েছে। ওয়েবোমেট্রিক্সের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং তৈরিতে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষণ পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রভাব, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা, সাম্প্রদায়িক সন্নিবেশ অর্থাৎ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত ভূমিকা বিবেচনা করে ওয়েবোমেট্রিক্স। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ছাড়াও তাদের গবেষক এবং তাদের প্রবন্ধ বিবেচনায় নিয়ে এটি তৈরি করে ওয়েবমেট্রিক্স। সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ৫০ শতাংশ, টপ সাইটেড গবেষকদের ১০ শতাংশ এবং টপ সাইটেড প্রবন্ধ ৪০ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে র্যাংকিং তৈরি করে এ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।
ওয়েবমেট্রিক্সের জুলাই ২০২২ এর দ্বিতীয় সংস্করণে বিশ্বসেরা তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। র্যাংকিংয়ের দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্রের স্টানফর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় ম্যাচাচুয়েটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে যথাক্রমে অক্সফোর্ড ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে। তালিকার শীর্ষ দশের মধ্যে ৯টিই যুক্তরাষ্ট্রের।
বাংলাদেশের মধ্যে এ তালিকার শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র্যাংকিং ১৪৬৮), দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সিলেটের শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(বিশ্ব র্যাংকিং ১৪৭৬)। তিনে রয়েছে বুয়েট (বিশ্ব র্যাংকিং ১৪৮৩ )। চার নম্বরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র্যাংকিং ১৫৯৩) পাঁচে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র্যাংকিং ১৭৫০ )। ছয় নম্বরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র্যাংকিং ২১৪৬ ), সাত নম্বরে ব্রাক ইউনিভার্সিটি (বিশ্ব র্যাংকিং ২২১৮ ), আট নম্বরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র্যাংকিং ২৩১৯), নয় নম্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ব র্যাংকিং ২৪৮১) এবং ১০ নম্বরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (র্যাংকিং ২৪৮১)।
অন্যদিকে দেশের শীর্ষ ১০০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ৬টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের স্থান হয়েছে। তালিকার ৫১তম স্থানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ৭৬তম স্থানে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ। ৮২ ও ৮৩তম স্থানে যথাক্রমে ময়মনসিংহ ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। ৮৫তম বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ। ৯৫তম অবস্থানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সাল থেকে ওয়েবোমেট্রিক্স নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং প্রকাশ করে আসছে। প্রতি বছর জানুয়ারি ও জুলাই মাসে তারা এ র্যাংকিং প্রকাশ করে।
সংগৃহীত ছবি
চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এরফলে দ্বিতীয়বার কোনো চীনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিলো বৈশ্বিক এই প্রতিষ্ঠানটি।
অনুমোদন পাওয়া চীনের অন্য টিকাটি হলো সিনোফার্ম। মঙ্গলবার (১ জুন) রাতে এ খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর অনুমোদনের ফলে এখন থেকে কোভ্যাক্স প্রোগ্রামেও ভ্যাকসিনটির ব্যবহার করা যাবে। যার লক্ষ্য ভ্যাকসিনগুলোর সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করা। অবশ্য আগে থেকেই বেশ কয়েকটি দেশে এটির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন মানে হলো সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং উত্পাদনের দিক দিয়ে সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন আন্তর্জাতিক মান পূরণ করেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে, সিনোভ্যাকের টিকা করোনায় আক্রান্তদের অর্ধেকেরও বেশি লোকের লক্ষণজনিত রোগ প্রতিরোধ করেছে। আশা করা যাচ্ছে চীনা ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের এই সিদ্ধান্ত কোভ্যাক্স প্রোগ্রামকে গতিশীল বৃদ্ধি করবে।
ডব্লিউএইচওর স্বাস্থ্য পণ্য অনুমোদন বিষয়ক সহকারী মহাপরিচালক মারিয়াঞ্জেলা সিমাও বলেন, বিশ্বজুড়ে বিশাল আকারে সরবরাহের বৈষম্য মোকাবিলায় জরুরিভাবে একাধিক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দরকার।
আমরা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানদের কোভাক্স সুবিধায় অংশ নিতে অনুরোধ করছি। তাদের জ্ঞান এবং তথ্য শেয়ার করুক এবং মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনতে অবদান রাখুক বলে মন্তব্য করেন তিনি।