a
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তারা আগামী ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে স্মারকলিপি প্রদান করবে।
আজ বৃহস্পতিবার নীলক্ষেত মোড়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনকালে তারা এই ঘোষণা দেয়। এরপর তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় নীলক্ষেত মোড়ে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।
ফাইল ছবি
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে প্রতীকী অনশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সামিনা লুৎফা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত কয়েক দিন ধরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত হামলার প্রতিবাদ, শিক্ষার্থীদের প্রাণরক্ষার দাবি ও তাদের ন্যায্য দাবিগুলোর সমর্থনে আজ দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে একটি প্রতীকী অনশন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক।
উল্লেখ্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা গণ-অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন। আমরণ অনশনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আরও ৫ শিক্ষার্থী। এ নিয়ে মোট অনশনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে। অনশনকারীদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৫ জন। বাকি ১৩ জন অনশনরত অবস্থায় উপাচার্য বাস ভবনের সামনে অবস্থান করে আসছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে গাজীপুরের স্টাইলক্রাফট নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। উত্তেজিত শ্রমিকেরা আজ বুধবার সকালে ঢাকা–জয়দেবপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। সড়ক অবরোধের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পথচারীরা। বেলা ১১টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, ঢাকা–জয়দেবপুর সড়কে গাজীপুর মহানগরীর তিনসড়ক এলাকায় স্টাইলক্রাফট নামের তৈরি পোশাক কারখানায় প্রায় তিন হাজার শ্রমিক কাজ করেন। মালিকপক্ষের কাছে তাঁদের জুন ও জুলাই মাসের বেতন এবং কোরবানি ঈদের বোনাস পাওনা আছে।
এসব পাওনা নিয়ে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে আগে থেকেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ জুলাই কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে মালিকপক্ষের সঙ্গে শ্রমিকদের সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১ আগস্ট তাঁদের বেতন পরিশোধ করার কথা। কিন্তু পাওনা আদায় না করে মালিকপক্ষ কারখানা বন্ধ করে নোটিশ টাঙিয়ে দেয়। আজ সকালে কাজে যোগ দিয়ে শ্রমিকেরা বন্ধের নোটিশ দেখতে পেয়ে কারখানার সামনের রাস্তার উপরে আন্দোলন শুরু করেন।
শিল্প পুলিশের পরিদর্শক রেজাউল করিম বলেন, বেতন–ভাতা পরিশোধের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রমিকদের সঙ্গে কারখানার মালিকের সমঝোতা চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ১ আগস্ট জুন মাসের বেতন এবং ৮ আগস্ট শ্রমিকদের ঈদ বোনাস দেওয়ার কথা। কিন্তু মালিকপক্ষ বেতনাদি পরিশোধ না করেই কারখানা সাত দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।
আজ বুধবার সকালে শ্রমিকেরা কাজে এসে বন্ধের নোটিশ দেখতে পেয়ে উত্তেজিত হয়ে রাস্তায় নামে। পুলিশ মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছে। মালিকপক্ষ জানিয়েছে, বেতনের টাকা জোগাড় করতে না পেরে তারা কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো