a শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে জবি'তে মানববন্ধন
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে জবি'তে মানববন্ধন


অমৃত রায়, জবি প্রতিনিধি:
শনিবার, ২৯ মে, ২০২১, ১১:৪৯
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে জবি'তে মানববন্ধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

অতিবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলে দিয়ে দ্রুততম সময়ে ক্লাস পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মানববন্ধন করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ ২৯ মে (শনিবার) দুপুর সোয়া এগারোটা নাগাদ এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা সকল শিক্ষার্থীদের জোর দাবি ছিলো সরকারি নীতিনির্ধারণী এবং শিক্ষামন্ত্রীর নিকট অবিলম্বে ক্যাম্পাস খোলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবনের বাতি আবার ফিরিয়ে দিতে। দীর্ঘসময় ধরে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, সকল শিক্ষার্থীরা আজ হতাশায় নিমজ্জিত এবং অধিকাংশ শিক্ষার্থী আজ পড়াশোনা থেকে বাহিরের জগতে চলে গেছে। মানসিক শক্তি হারিয়ে অনেকে পরিবারের মাঝে থেকেই আজ নানা সমস্যার মধ্যে জর্জরিত। তাই সকল শিক্ষার্থীদের একটা দাবি ক্যাম্পাস খুলে দেওয়া। 

এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে মানববন্ধনে। এক এক করে  কয়েকজনের বক্তব্য ফুটে উঠে জ্বালাময়ী ক্ষোভ। বক্তব্যের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫তম ব্যাচের আরিফ আহমেদ বলেন, আমাদের একটা দাবি অবিলম্বে আপনারা ক্যাম্পাস খুলে দেন। ক্যাম্পাসে যারা আছে সবাইকে ভ্যাকসিন দিতে হবে। আবাসিক শিক্ষার্থীরা শুধু ভ্যাকসিন পাবে, অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা পাবে না বিষয়টা কোনোভাবে মেনে নেওয়া হবে না। শিক্ষামন্ত্রীর এমন সিন্ধান্তকে আমরা ধিক্কার জানাই।

১৪তম ব্যাচের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান রাসেল বলেন, দেশে সবকিছু চলে শুধু আমাদের ক্লাস চলতে পারে না। খেলা চলতে পারে স্টেডিয়ামে, বাস চলতে পারে রাস্তায়, সবকিছু খোলা রয়েছে, শুধুমাত্র আমরা ঘরে বসে লকডাউন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি আপনাদের মতো কিছু অযোগ্য লোকের জন্য। 

১৩ তম ব্যাচের বোটানি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, গ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থী আজ বিভিন্ন গেম, টিকটিক, পাবজিসহ অপ্রয়োজনীয় কাজে আজ লিপ্ত। একের পর এক লকডাউনে শিক্ষার্থীরা আজ মানসিক ভাবে বির্পযয়। আমাদের সরকারি কর্মকর্তার সন্তানেরা তো আর আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতো পড়াশোনা করে না, করলে আপনাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু চিন্তা করতেন। 

আজ যারা গ্রামে বসে এই সমস্ত বাজে অভ্যাসে আসক্ত হয়েছে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কোন টিকা দিবেন, কোন ভ্যাকসিন আবিষ্কার করবেন, কোন মেডিসিনে মুক্ত করবেন তাঁদের সমস্যা। 

মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী জহির উদ্দিন বলেন, আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খোলার তারিখ শুনতে শুনতে আজ বিরক্ত। আমরা আর এই সমস্ত তারিখ শোনাতে চাই না। আড়ংয়ের সামনে লাইন দিয়ে মানুষ ঈদের কেনাকাটা করলে সেখানে করোনা নাই। মাছের বাজারে ভিড় করে মাছ কিনলে করোনা নেই। শুধু আমাদের বেলায় করোনা। শিক্ষামন্ত্রী নিজে আজ জানে না অনলাইনে কবে যে ক্লাস বন্ধ হয়েছে আদৌ চলে কিনা। যত দ্রুত আমাদের দাবি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলে দিতে হবে।

গনিত বিভাগের শিক্ষার্থী শাহিন বলেন, আমাদের রাস্তাঘাট, বাজারে, দোকানে নিয়ে ক্লাস নেওয়া হোক। হাটে - বাজারে করোনা নেই, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা। আমাদের প্রয়োজনে গার্মেন্টেসে নিয়ে পরীক্ষা নেন, কারণ সেখানে করোনা নেই। অনলাইনে যে পরীক্ষা নিবেন গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের কি হবে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী অনলাইনে এসমস্ত বিষয়ে ক্লাস বা পরীক্ষা দিতে অনাগ্রাহী। 

এই সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা সকলের দাবি বিশ্বিবদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম খুলে আমাদের বাঁচান। আমাদের আজ করেনার ভ্যাকসিন থেকে বেশি প্রয়োজন পরীক্ষায় দেওয়া। মানববন্ধনের শেষে বক্তরা বলেন, আমাদের দাবি না মানা হলে কোনো ছাত্র আর ঘরে বসে থাকবেনা। কঠোর আন্দোলন ডাক দেওয়া হবে। তাঁরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এসময় আলটিমেটাম দিয়ে বলেন" স্বল্প সময়ে ক্যাম্পাস না খোললে যথাযথ জবাব দিবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

আগামীকাল ঢাবি’র ক-ইউনিটের পরীক্ষা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুন, ২০২২, ০৭:৪৮
আগামীকাল ঢাবি’র ক-ইউনিটের পরীক্ষা

ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাসহ সারাদেশে ৮টি বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

এবছর ‘ক’ ইউনিটে এক হাজার ৮৫১টি আসনের বিপরীতে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা এক লাখ ১৫ হাজার ৭০৮ জন। সে হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী রয়েছেন প্রায় ৬৩ জন।

‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বর ১২০। এর মধ্যে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমসিকিউ-এর জন্য ৬০ নম্বর এবং লিখিত বা বর্ণনামূলকের জন্য ৪০ নম্বর থাকবে। এমসিকিউ-এর জন্য ৪৫ মিনিট এবং লিখিত বা বর্ণনামূলকের জন্য ৪৫ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।

ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ও পাঁচটি ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি নেওয়া হয়। অনুষদগুলো হলো, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসি, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদ।

অপরদিকে, ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে আছে, পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউট, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রভৃতি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অমর একুশে বইমেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টলের উদ্বোধন


মাহাদি হাসান, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৯:৪৩
অমর একুশে বইমেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টলের উদ্বোধন

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

বইমেলা কেবল বই কেনা-বেচার জন্য নয়; বইমেলা বাঙালির ‘প্রাণের মেলা’। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টল।

বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২) বিকাল ৫টায় অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টল (স্টল নং: ৬৭৩) এর শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।
 
এসময় উপাচার্য বলেন - গ্রন্থমেলা মানে জ্ঞানের মেলা। যেখানে প্রবীণ, তরুণ, বৃদ্ধ সবার জ্ঞানের সমাহারে সৃষ্ট জ্ঞান কালো অক্ষরে বাঁধাই করা হয় সাদা কাগজে মোড়ানো বইয়ের মাঝে। গ্রন্থমেলা মানে বইপ্রেমী পাঠকদের জন্য এক অনন্য আনন্দের মেলা। তীব্র জ্ঞান আহরণের মেলা। যেখানে বইপ্রেমী পাঠকরা ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বেরিয়ে এসে ভিড় জমায় গ্রন্থমেলায় তাদের প্রিয় লেখকের বই কেনার জন্য।  প্রতিবছরের ন্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রকাশনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বইগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ,  প্রক্টর,  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্টলের সাজ-সজ্জা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক চঞ্চল কুমার বোসসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত চার বছর যাবত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণ করে আসছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টলে নিজস্ব প্রকাশনায় প্রকাশিত বই, জার্নালসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর বই সেখানে স্থান পেয়ে থাকে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - আমার ক্যাম্পাস