a
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
‘হল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দাও’ আন্দোলন ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান-এর সহধর্মিণী, সুনামধন্য চিকিৎসক, বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে (১৮ জুন ২০২৫) এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন আমরা বিএনপি পরিবার এর সদস্য মো: শাহাদত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসানুর রহমান হাসান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল আউয়াল, আব্দুল জলিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য হাবিবুল্লাহ সৌরভ লিমন আহমেদ,আফজাল হোসেন,অনন্ত কুমার বিশ্বাস সহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ এই কর্মসূচির আয়োজন করে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।▫️
আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে যতোগুলো গাছের প্রয়োজন হবে আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হবে।
ফাইল ফটো:ফারাক্কা বাঁধ
ভারতের বিহার রাজ্যের পানিসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী সঞ্জয় কুমার ঝা অভিযোগ করেন, ফারাক্কা বাঁধের ত্রুটিযুক্ত নকশার ফলে বর্ষার সময় রাজ্যে বন্যা হয় এবং বছরের বাকি সময়গুলোতে প্রচন্ড খরা হয়। তিনি এই পরিস্থিতির জন্য তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফারাক্কার পানিবণ্টন চুক্তিরও সমালোচনা করেন।
গতকাল শনিবার হিন্দুস্থান টাইমস এ খবর প্রকাশ পায়। এর আগেও বিভিন্ন সময় বাঁধের ফটকগুলোতে গঙ্গার পলিমাটি জমে বিহারে সৃষ্ট বন্যা হওয়ায় ফারাক্কা বাঁধকে দায়ী করা হয়েছে।
শুক্রবার এক সেমিনারে ঝা বলেন, ফারাক্কা ব্যারেজের ত্রুটিযুক্ত নকশার ফলে নদীর তলদেশে ভারি পলি জমে যায় এবং বৃষ্টির সময় নদীর তীর ধরে সমগ্র অঞ্চল প্লাবিত হয়।
বর্ষার পর বিহারের নদীগুলোকে গঙ্গায় ১৪০০ কিউসেক পানি সরবরাহ করার কথা, কিন্তু পলি মাটি জমা হওয়ার ফলে পানি প্রবাহিত না হয়ে নদীর বন্যা তৈরি হচ্ছে।