a
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
‘হল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দাও’ আন্দোলন ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
জবি প্রতিনিধি, মুন্না শেখ: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সন্ত্রাসী বাহিনি কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একযোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় ।
সোমবার (৭ ই এপ্রিল) জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এর সামনে থেকে এ মিছিল শুরু হয়ে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস, ভিক্টোরিয়া পার্ক ও রায় সাহেব বাজার সংলগ্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
উক্ত সংহতি সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, প্রক্টর, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, বিভিন্ন সক্রিয় ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা গাজার সাধারণ মানুষের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানান এবং বিশ্ব নেতাদের প্রতি এই বর্বরতা বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বর্বর হামলায় হাজার হাজার নিরীহ শিশু, নারী ও বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। এ সময় ফিলিস্তিনের পক্ষে বিশ্বব্যাপী জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা ইসরায়েল ও তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর মালিকানাধীন পণ্য বয়কটের আহ্বানও জানান। একইসাথে ঐকবদ্ধভাবে আমেরিকার দূতাবাসে লং মার্চ ঘোষণা এবং স্মারকলিপি প্রদানের কথা উঠে আসে। ।
এ সময় মিছিলে "নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার, ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি ফিলিস্তিন উইল বি ফ্রি, মুসলিম উম্মারা এক হও এক হও, মুসলিম বিশ্ব ঐক্য গড়, ফিলিস্তিন স্বাধীন করো, নেতানিয়াহুর চামড়া তুলে নিবো আমরা, ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন" ইত্যাদি স্লোগানে লোকান্তরিত হয়।
ফাইল ছবি
আজ ৩ মে সকালে মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মায় স্পিডবোট ডুবিতে পিতা-মাতা ও দুই বোনকে হারিয়ে অলৌকিকভাবে প্রানে বেঁচে গেল শিশু মিম। আজ সকালে দুর্ঘ’টনার পর নদীতে একটি ব্যাগ ধরে ভাসতে থাকা মিমকে উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
সোমবার দুপুরে শিবচরের পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, শিশু মিম শিবচর ইউএনও অফিসের এক কর্মচারি ও বাংলাবাজার স্পিডবোট ঘাটের নৈশ প্রহরী দেলোয়ার ফকিরের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালের একটি কক্ষে দুপুরের ভাত খাচ্ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিশু মিমের বাবা মনির হোসেন, মা হেনা বেগম, ছোট দুই বোন সুমি (৫) ও রুমি (৩) স্পিডবোট দুর্ঘটনায় মারা গেছে। তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মিমকে উদ্ধারকারী নৌ পুলিশের কনস্টেবল মেহেদী বলেন, ‘শিশুটিকে নদীতে ব্যাগ ধরে ভাসতে দেখি, তার হাত ও চোখের কাছে কিছুটা আঘাতের চিহ্ন ছিল। দ্রুত তাকে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে জানা যায় শিশুটির পরিবারের সকল সদস্যরাই মারা গেছে।’
শিশু মিম শুধু জানে তার মা, বাবা, বোনেরা কেউ বেঁচে নেই। মাঝে মাঝেই মা মা বলে কেঁদে উঠছে সে। কান্নারত অবস্থায় মিম বলে, আমরা দাদা মারা গেছে দাদাকে শেষবারের মত দেখতে আমরা বাড়ি যাচ্ছিলাম। এখন আমার আর কেউ রইলো না।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে আসা স্পিডবোটটি কাঁঠালবাড়ী ঘাটের কাছে এসে নোঙর করে রাখা একটি বালুবোঝাই বাল্কহেডের সাথে ধাক্কা লেগে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ৫ জন চিকিৎসাধীন আছেন ৷