a ওমিক্রন মোকাবেলায় ১ সপ্তা‌হের ম‌ধ্যে নতুন দিক-নির্দেশনা আসছে
ঢাকা সোমবার, ১২ মাঘ ১৪৩২, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ওমিক্রন মোকাবেলায় ১ সপ্তা‌হের ম‌ধ্যে নতুন দিক-নির্দেশনা আসছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৫৪
ওমিক্রন মোকাবেলায় ১ সপ্তা‌হের ম‌ধ্যে নতুন দিক-নির্দেশনা আসছে

ফাইল ছবি

দে‌শে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ঠেকাতে বেশ কিছু দিক-নির্দেশনা আরোপ করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী সাত দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রিসভা বিভাগের সঙ্গে আলোচনার একদিন পর ওমিক্রন ঠেকাতে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত  গণমাধ্যমকে জানান মন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা কেবিনেটের সঙ্গে গতকাল মিটিং করেছি। বেশ কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এগুলো এখনো ফাইনাল না। কেবিনেট থেকে এগুলো ফাইনাল করা হবে। এর আগে যে আলোচনা হয়েছে, করোনাভাইরাস রুখতে হবে একারনেই এ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, যানবাহনে মাস্ক ছাড়া চলাচল করা যাবে না। যারা চলাচল করবেন তাদের জরিমানার মধ্যে পড়তে হবে। পরিবহনের মধ্যে বাস থাকবে, ট্রেন থাকবে এবং লঞ্চ থাকবে এটা একটা সিদ্ধান্ত মোটামুটি হয়েছে। আমাদের প্রস্তাবনায় রয়েছে। তারপর বাস এবং অন্যান্য যানবাহনে যাত্রী অর্ধেক নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রেস্টুরেন্ট-হোটেল সেখানেও মাস্ক পড়ে যেতে হবে। মাস্ক ছাড়া গেলে দোকানদারসহ উভয়ের ফাইন হবে। দোকানের সময়সীমাও কমিয়ে আনা হয়েছে। রাত ৮টা পর্যন্ত ১০টার পরিবর্তে, এটাও প্রস্তাব করা হয়েছে। টিকা নেওয়ার জন্য তাগাদা দেয়া হয়েছে। রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে ভ্যাকসিন কার্ড অবশ্যই দেখাতে হবে।

স্কুল চলবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। সংক্রমন বেশি বৃদ্ধি পেলে স্কুলের বিষয় চিন্তাভাবনা করা হবে, এটাকে চালানো যাবে কিনা। এখনো আমরা সে সিদ্ধান্ত নেইনি, সে পরিস্থিতি এখনো বিরাজ করছে না।

তিনি বলেন, অনেকে জিজ্ঞেস করে লকডাউন দেওয়া হবে কিনা, পাশের দেশে তো দিয়েছে। আমরা এখনো সে চিন্তা করছি না। যদি পরিস্থিতি হাতের বাহিরে চলে যায়, সংক্রমন অনেক বৃদ্ধি পায় তাহলে লকডাউনের চিন্তা মাথায় আছে। পাশাপাশি আমাদের বর্ডারগুলো স্ক্রিনিং আরো জোরদার করা হয়েছে এবং কোয়ারেন্টিনে যারা থাকবে তারা যাতে বাহিরে ঘোরাফেরা না করে এজন্য পুলিশ পাহারা দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে।

‘ডিসি এসপিদের বলা হয়েছে তারা এ নির্দেশ যখন পাবে তা যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করেন। আগে ১৫ দিন সময় দেয়ার কথা বলা হয়েছিলো কিন্তু আজ প্রপোজ করেছি ১৫ দিন নয় সাত দিন দেয়ার জন্য। এটা কেবিনেট সচিবকে বলা হয়েছে তিনিও একমত পোষণ করেছেন। এটা সাত দিন পরেই নির্দেশগুলো বাস্তবায়ন কার্যকর শুরু হবে।’

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, আপনারা জানেন যে পৃথিবীতে ওমিক্রন বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশের দেশেও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশেও কিছু রোগী পাওয়া গেছে যারা ওমিক্রনে আক্রান্ত।  আমরা লক্ষ্য করছি সপ্তাহখানেক যাবত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। গত ১০ দিন আগেও এটা ২০০ থেকে আড়াইশর মধ্যে ছিলো। গতকাল এটা পৌণে ৭শ হয়ে গেছে। যেভাবে বাড়ছে এটা আশঙ্কাজনক।’ সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কঠোর অবস্থানে থেকে মোকাবিলা করবে সরকার



মঙ্গলবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০৫
কঠোর অবস্থানে থেকে মোকাবিলা করবে সরকার

সরকার ভাবছে  রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে কঠোর অবস্থানে থেকে হেফাজতে ইসলামকে মোকাবিলা করার কথা। এ যাবৎ সংঘটিত প্রতিটি সহিংস ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে খুব কম সময়ের মধ্যে চার্জশিট দেবে পুলিশ। এর পর পরই শুরু হবে গ্রেপ্তার। এরই মধ্যে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নেতারা জানান, এখন দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক শক্তি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা প্রথমে জনগণকে সচেতন করার কর্মকাণ্ডে উদ্যোগী ভূমিকা নেবেন। এরপর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন।

এ ছাড়া প্রশাসনিকভাবে হেফাজতে ইসলামের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডকে ছাড় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কয়েকজন মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ ২৪ শীর্ষ নেতা এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নারায়ণগঞ্জের ৩০টি মাদ্রাসার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় উগ্রবাদী সংগঠনের সন্ত্রাস-সহিংসতা এবং উস্কানিমূলক অপতৎপরতার সঙ্গে সম্পৃক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এসব তাণ্ডবের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় চার্জশিট দেওয়া হবে। এরপর শুরু হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।

আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কয়েক নেতার ভাষ্য, হেফাজতে ইসলামের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে দলের অনেক নেতাকর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবির প্রতিও অসম্মান দেখানো হয়েছে। এই বিষয়গুলো নেতাকর্মীরা স্বাভাবিকভাবে নেননি। তারা কেন্দ্রের কাছে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক নির্দেশনা চাচ্ছেন। দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকেও এই বিষয়ে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দলের চার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রস্তুত রয়েছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে দলের নেতাকর্মীদের তারাই গুছিয়ে আনতে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করবেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী সমকালকে বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার। সবাইকে আইনের আওতায় আনবে। আওয়ামী লীগ দায়িত্ববোধের অবস্থানে থেকে সন্ত্রাস ও সহিংসতার বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করে তুলবে। মনে রাখতে হবে, ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে জ্বালাও-পোড়াওয়ের কোনো স্থান নেই। এই চেতনাকে জাগ্রত করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে ১৭ জন মারা গেছেন। হঠাৎ করে এই তাণ্ডব কেন? নিশ্চয়ই এর কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যারাই তাণ্ডব করে থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের তীব্র সমালোচনার পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। হেফাজতে ইসলামের সন্ত্রাস-সহিংসতার পেছনে বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধন ও সম্পৃক্ততা খুঁজে দেখার কথাও বলেছেন। বিএনপি-জামায়াত ও তাদের মিত্রদের বক্তৃতা-বিবৃতিই হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে- এমনটা মনে করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতায় হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে জামায়াতে ইসলামীর সরাসরি সমর্থন এবং বিএনপি নেতাদের এই হরতালকে যুক্তিসংগত আখ্যা দেওয়ার বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত রবিবার সংসদ অধিবেশনে হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক তাণ্ডবের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের পেছনে বিএনপি-জামায়াতের মদদ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, 'পুলিশ কেন ধৈর্য দেখিয়েছে- এই প্রশ্ন সংসদেও এসেছে। আমরা ধৈর্য দেখিয়েছি এগুলো বিরত করার জন্য। সংঘাতে সংঘাত বাড়ে। আমরা তা চাইনি। সুবর্ণজয়ন্তী ভালোভাবে উদযাপন করতে চেয়েছি।'

গতকাল সাংবাদিকদের  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে যারা তাণ্ডব চালিয়েছিল, তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে রয়েছে। সুতরাং যারা পেছন থেকে উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে উস্কানি ও অর্থায়ন করছে, তাদের মুখোশও উন্মোচন করা হবে।

সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতার নামে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ঢাকা, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্থানে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা রক্তাক্ত সহিংসতার পাশাপাশি ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। তাদের ডাকা হরতালেও সহিংসতা হয়েছে। জ্বালাও-পোড়াও থেকে রক্ষা পায়নি রেলস্টেশন, ভূমি অফিস, জেলা প্রশাসক-পুলিশ সুপার-সিভিল সার্জন-জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুরসম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যালয় ও ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক নির্দশন। আওয়ামী লীগের অফিস জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর ছবিও ভাঙচুর করা হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে যে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাস-সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ রিসোর্টে একজন নারীসহ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের উপস্থিতির পরও এ সংগঠনের নেতাকর্মীরা যেভাবে হামলা-ভাঙচুর চালিয়ে তাদের নেতাকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছে; সে বিষয়টিও সরকার এবং প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলেছে।

সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা যায় , হেফাজতে ইসলামের নেতাসহ সংশ্নিষ্ট মাদ্রাসাগুলোর ব্যাংক হিসাব ও আয়-রোজগারে অস্বাভাবিক গরমিল পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া সন্ত্রাস-সহিংসতা ও প্রাণহানির দায়েও হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। এরই মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে সাড়ে ৮ হাজার মানুষকে। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলামের দায়িত্বশীল কোনো নেতা বা কর্মীর নাম নেই। হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের ইন্ধন কিংবা সম্পৃক্ততা 'পাওয়া গেলে' তাদের এসব মামলায় হুকুমের আসামি করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

২০১০ সালে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের আত্মপ্রকাশ। চট্টগ্রামের হাটহাজারী বড় মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম থেকে পরিচালিত হয় সংগঠনটি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে ২০১৩ সালে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলাম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে প্রথম সবার নজরে আসে। ওই বছর ৫ মে ঢাকার মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান করে গোটা এলাকায় নজিরবিহীন জ্বালাও-পোড়াও চালিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সংগঠনটি।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনার পর হেফাজতে ইসলামের তোলা প্রতিটি দাবিতেই সরকার সমঝোতা কিংবা আপসের পথে হেঁটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। হেফাজতে ইসলামের দাবির মুখে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন এবং সুপ্রিম কোর্টের সামনের ভাস্কর্য অপসারণের সিদ্ধান্তও সরকার নিয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

টেলর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে বিদায় জানালেন


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:০৮
টেলর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে বিদায় জানালেন

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিদায় বলতে যাচ্ছেন জিম্বাবুয়ের তারকা ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর। ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার আর একটি ওয়ানডে খেলেই বিদায় জানাবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। অবসরের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়েছেন টেলর নিজেই।

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় টেলর জানান, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে তার ক্যারিয়ারের সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

গত সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মাঠে নামবে জিম্বাবুয়ে। এই ম্যাচে ১১০ রান করতে পারলে টেলর বনে যাবেন ওয়ানডেতে দেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

ইনস্টাগ্রাম বার্তায় টেলর বলেন, ‘অনেক ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে বলতে হচ্ছে, আগামীকাল আমার প্রিয় দেশের হয়ে শেষ ম্যাচটি খেলব। এটা আমাকে বিনয়ী হতে সহায়তা করেছে, আমাকে মনে করিয়ে দিয়েছে এই পর্যায়ে থাকতে পেরে আমি কতটা ভাগ্যবান। ২০০৪ সালে প্রথম যখন খেলতে নামি, তখন থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল দলকে ভালো অবস্থানে রাখা। আশা করি আমি এটা করতে পেরেছি।’

টেলর আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে যে বন্ধুত্বগুলো হয়েছে তাতে আমি কৃতজ্ঞ। আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটকে ধন্যবাদ। আমার সাবেক-বর্তমান কোচ ও সতীর্থদের হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি তোমাদের কখনই ভুলব না।’

এছাড়াও স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে টেলর লিখেছেন, ‘এয়ারপোর্টে আর মন খারাপ করতে হবে না।’ ২০০৪ সালের এপ্রিলে ওয়ানডে ক্রিকেট দিয়ে জিম্বাবুয়ের হয়ে অভিষেক হয় টেলরের। ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ৩৪টি টেস্ট, ২০৪টি ওয়ানডে, ৪৫টি টি-টোয়েন্টি। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলা টেলর অবসর নেবেন ২০৫টি ওয়ানডে খেলে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়