a
খালেদা জিয়া । ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সুযোগ চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছেন তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার। তার আবেদনপত্র গ্রহণও করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৫ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমণ্ডির বাসায় গিয়ে শামীম এস্কান্দার আবেদনপত্রটি হস্তান্তর করেন। এরপর আবেদনপত্রটি পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার সাথেই উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে রওনা হবেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়া।
আজ বৃহস্পতিবার যেকোনো সময় তাকে চার্টার্ড বিমানে সিঙ্গাপুর হয়ে লন্ডনে নেওয়ার কথা রয়েছে। খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদল এবং পরিবারের কয়েকজন সদস্য।
বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে সর্বশেষ খবরে জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়।
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ভারতে জি-২০ সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বিকাল ৩টা ৩৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ফ্লাইটটি দুপুর ১টা ৮ মিনিটে নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান ভারতের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার দিল্লি যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সন্ধ্যায় দেশটির প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। সেগুলো হলো—কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা, সংস্কৃতি বিনিময়, বাংলাদেশি টাকা এবং ভারতীয় রুপির মধ্যে লেনদেন সহজ করা। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে মুখে খাওয়ার পিল অনুমোদন করেছে যুক্তরাজ্য। ৪ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি মের্ক অ্যান্ড রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিক্সের তৈরি করোনা পিল মলনুপিরাভিরের অনুমোদন করে দেশটি।
এর আগে যুক্তরাজ্যের ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা পণ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এমএইচআরএ) করোনাভাইরাসের ‘গেম চেঞ্জার’ ওষুধ মলনুপিরাভিরের ব্যবহার শুরুর সুপারিশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, করোনাভাইরাসের পরীক্ষায় পজিটিভ রেজাল্ট ও উপসর্গগুলো প্রকাশ হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে যথাশীঘ্র এ ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। খবর এনডিটিভি ও বিবিসির।
করোনা থেকে বাঁচতে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ হলো এ মলনুপিরাভির। যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাও অনুমোদনের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছে। মলনুপিরাভিরের অনুমোদন দেওয়া হবে কি না সে ব্যাপারে চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য উপদেষ্টাদের ভোটাভুটি হবে।
অনেকে বলছেন, এ ওষুধ ব্রিটেনে ল্যাগেভরিও নামে বাজারে আসতে পারে। করোনায় আক্রান্তের প্রথম দিকে এ ওষুধ সেবন করলে ঝুঁকির মুখে থাকা রোগীর মৃত্যু বা হাসপাতালে ভর্তি থাকার সম্ভাবনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে পারে। মুখে খাওয়ার এ ওষুধ করোনাভাইরাসের বংশবিস্তার অকার্যকর করতে সক্ষম বলে দাবি করেছে মের্ক অ্যান্ড রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিক্স। সূত্র: ভোরের কাগজ
মের্কের কর্মকর্তারা বলেছেন, মলনুপিরাভির মানবদেহে প্রবেশকারী করোনাভাইরাসের জেনেটিক কোডে সমস্যা সৃষ্টি করে ভাইরাসটির বংশবৃদ্ধি নষ্ট করে দেয়। আর এর মাধ্যমে করোনারোগীর গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং মারা যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।