a
ফাইল ছবি
ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাচেলেট। রবিবার (১৪ আগস্ট) সকালে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এসময় তাকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মিশেল ব্যাচেলেট প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা, এনজিও, একাডেমিয়া, সুশীল সমাজসহ অন্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এছাড়া তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের সফরকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, এ সুযোগে মানবাধিকার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে সরকার। মানবাধিকার ঠিক রেখে বাংলাদেশের উন্নয়নের অবস্থা তুলে ধরা হবে । সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুনে জ্বলছে পুরো বঙ্গবাজারসহ আশে-পাশে আরও ৪টি ভবন। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট। একইসঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সাহায্যকারী দল। আকাশে ৩টি হেলিকপ্টার আগুন নেভাতে কাজ করছে। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোরের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় ৪ হাজার দোকান আছে বলে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে জানা যায় এবং এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু হায়দার মো. রাসেলুজ্জামান জানান, বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি সম্মিলিত সাহায্যকারী দল কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক বলেন, মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেট আগুন লাগার খবর পাই। সংবাদ পাওয়ার পর আমাদের একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৪৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। সঙ্গে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সাহায্যকারী দল যুক্ত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগুনে এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও জানানো যাচ্ছে না। এদিকে ভয়াবহ এই আগুন নেভাতে পানির সংকটে পড়েছে কর্মীরা। দ্রুত সেই সমস্যা সমাধানে বঙ্গবাজারের পার্শ্ববর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ হলের পুকুর থেকে আনা হচ্ছে পানি।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মার্কেটের চার দিক থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে বাতাসের কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। বঙ্গবাজার মার্কেটে লাগা আগুন পাশের এনেক্সকো টাওয়ারেও ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের কারণে ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ছেয়ে গেছে বঙ্গবাজারের আকাশ। ভয়াবহ এ আগুনের কারণে প্রচণ্ড তাপ অনুভূত হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুনের তীব্রতা বাড়ছে।
মার্কেটের দোকানিরা জানান, প্রথমে আগুন লাগে গুলিস্তান মার্কেটে। সেখানে থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বঙ্গবাজার মার্কেটে। এখন পাশের অন্য ভবনগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। কাপড়ের মার্কেট হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
চুনারুঘাটে কিশোর গ্যাং এর উৎপাতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। কিশোর গ্যাং কর্তৃক ধারালো ছোরা কিংবা ক্ষুরের আঘাতে মর্মান্তিকভাবে আহত হচ্ছে সমবয়সী বন্ধু-বান্ধব বা জনসাধারণ।
জানা যায়, নূন্যতম কথা কাটাকাটি বা মতের অমিল হলেই দলবদ্ধভাবে আক্রমণ করে বসছে কিশোর গ্যাং। এই আক্রমণ টানা হেছড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, মর্মান্তিক আঘাতে রক্ত ঝড়ছে অনেকের।
জানা যায়, গত কয়েকদিন পূর্বে চুনারুঘাট পৌর শহরের বাল্লারোডে প্রজেক্টরের পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনাল খেলা দেখতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় কিশোর গ্যাং। এতে ভয়াবহ রক্তারক্তির ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আক্রমণকারী এবং আক্রমণের শিকার উভয়ই ১৮ বছরের কম বয়সী।
কিশোর গ্যাংয়ের দ্বারা তৎসময়ে আক্রমণের শিকার এক কিশোর মাথায় মর্মান্তিক চারটি আঘাত নিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। আক্রমণের শিকার আরেক কিশোরের আঙুল বিশ্রীভাবে কেটে যায়, তাকেও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাখা হয়।
বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুশীল সমাজ ও স্থানীয় নাগরিকেরা। তারা কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।