a
ফাইল ছবি
ঢাকায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায়। প্রতিবছর গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়লেও এবার গরম শুরুর আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ার খবর আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক মো. নাজমুল ইসলাম।
রোববার অধিদপ্তরের ভার্চ্যুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি বলেন, ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ঢাকা মহানগরীতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডায়রিয়া রোধ করা যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক নাজমুল বলেন, ডায়রিয়া রোধ করতে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে হবে জীবাণুমুক্ত পানি।
তিনি আরও বলেন, ডায়রিয়াজনিত রোগ চলে যায়নি। আমরা একে মোকাবিলা করতে চাই। ডায়রিয়া শুরু হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি
ভারতের নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এ সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে দিল্লি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এদিন সন্ধ্যা সাতটায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি নিবাস নয়াদিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
চীনে করোনার যে নতুন প্রজাতির ভাইরাস ভয়ংকরভাবে ছড়াচ্ছে, তা ভারতেও পাওয়া পাওয়া যাচ্ছে। আবার সেই ভাইরাসে আক্রান্ত চার জন। তবে এর মধ্যে দুইজন নভেম্বর মাসে গুজরাটে আক্রান্ত হন। তারা ভালো হয়ে গেছেন। দুইজন ওড়িশায় আক্রান্ত হয়েছেন। ওক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওমিক্রন ভাইরাসের দুই প্রজাতি বিএফডট৭ ও বিএফডট১২ চীনে ভংকরভাবে ছড়াচ্ছে। প্রচুর মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারাও যাচ্ছেন।
কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে সতর্ক থাকতে এবং করোনা যাতে না বাড়ে তার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলেছে। সেইমতো প্রতিটি রাজ্যই ব্যবস্থা নিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও করোনা নজরদারি টিম করেছে। এই টিমে স্বাস্থ্যসচিব আছেন। কিছু বিশেষজ্ঞ করোনা চিকিৎসককে রাখা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কমিটিতে ডিএম ও ডিএইচএসরাও থাকবেন।
পশ্চিমবঙ্গে গত শনিবার কেউ করোনায়আক্রান্ত হননি। কিন্তু সোমবার আবার সাতজন আক্রান্ত হয়েছেন। একজন মারাও গেছেন।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার কাজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে। প্রতিটি রাজ্য সরকারকে বলা হয়েছে, করোনায় আক্রান্তদের নমুনা কেন্দ্রের কাছে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে।
কেন্দ্রের অনুরোধ, মানুষ যেন করোনার বিধি মেনে চলেন। দেশে অবশ্য কোথাও এখন করোনার কড়াকড়ি নেই। কোনও রাজ্যেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে রাজ্যগুলি আবার মাস্ক পরার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া জানিয়েছেন, করোনা চলে যায়নি। তাই সব রাজ্যকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক