a
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্বে, সে সব মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে সরাসরি প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রীর এই ক্ষমতা দিয়ে বৃহস্পতিবার পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, সরকারের যে সব মন্ত্রণালয়-বিভাগে প্রতিমন্ত্রী নিয়োজিত আছেন এবং প্রধানমন্ত্রী ওই মন্ত্রণালয়-বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন সে সব মন্ত্রণালয়-বিভাগের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত প্রস্তাব সরাসরি প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদনে বিষয়োল্লিখিত কমিটিতে উপস্থাপনের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
‘স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলবার নয়’
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে ভারতের সহযোগিতা ভুলবার নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে সবমিলিয়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন। ওই সময়ে ভারত সরকার শরনার্থীদের ভরণ-পোষণ দিয়েছে। যুদ্ধে অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছে। তাই মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বাংলাদেশ।
জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর ১০ম দিনে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
এসময় নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতের অনেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার পেছনে ভারতের অবদান ভুলবার নয়।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্যরা অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছিল। গণহত্যা, অগ্নিসংযোগহ, ধর্ষণ, লুটপাটের শিকার হয়ে বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক কোটি মানুষ ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেন। ভারত সেই শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্য দিয়েছে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা যারা অংশ নিয়েছেন, সেই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ভারত, অস্ত্র সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছে। আমি ভারতের জনগণ ও সরকারের কাছে বাংলাদেশের জনগণ ও আমার নিজের পক্ষ থেকে অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
ফাইল ছবি
ঈশ্বরদী জংশন ষ্টেশনের টিটিই শফিকুল ইসলাম বরখাস্ত এবং তার বিরুদ্ধে যাত্রী ইমরুল কায়েস প্রান্ত’র লিখিত অভিযোগের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সোমবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১১ টায় জমা হয়েছে। পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) শাহিদুল ইসলামের নিকট তদন্ত কমিটির আহব্বায়ক সাজেদুল ইসলাম বাবু প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিবেদনে টিটিই শফিকুল ইসলাম নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই ট্রেনের গার্ড শরিফুল এবং অভিযোগ দাখিলকারী যাত্রী ইমরুল কায়েস প্রান্ত অভিযুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ডিআরএম শাহিদুল ইসলাম তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, প্রতিবেদনটি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হবে।
প্রতিবেদনের ফলাফল প্রসঙ্গে ডিআরএম জানান, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া টিটিই শফিকুল ইসলাম সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। ওই দিনের ঘটনার জন্য সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের গার্ড শরিফুল ইসলামের প্ররোচনায় যাত্রী ইমরুল কায়েস প্রান্ত লিখিত মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের জন্য তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির আহব্বায়ক বিভাগীয় সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিষয়বস্তুর আলোকে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তদন্তকালে ট্রেনে কর্তব্যরত এবং সংশ্লিষ্ট ৯ জনের লিখিত ও ক্রসড প্রশ্নোত্তর গ্রহণ করা হয়েছে। এতে টিটিই শফিকুল নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে। ট্রেনের গার্ড শরিফুল ইসলাম প্ররোচনার ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছেন। দক্ষতা ও শৃংখলা বিধি মোতাবেক তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযোগকারী যাত্রী ইমরুল কায়েস প্রান্তকে গণমাধ্যমের সামনে এসে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিকট ক্ষমা প্রার্থনার জন্য বলা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক