a
ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী যেসব মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্বে, সে সব মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে সরাসরি প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রীর এই ক্ষমতা দিয়ে বৃহস্পতিবার পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, সরকারের যে সব মন্ত্রণালয়-বিভাগে প্রতিমন্ত্রী নিয়োজিত আছেন এবং প্রধানমন্ত্রী ওই মন্ত্রণালয়-বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন সে সব মন্ত্রণালয়-বিভাগের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত প্রস্তাব সরাসরি প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদনে বিষয়োল্লিখিত কমিটিতে উপস্থাপনের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ফটো:প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের নারী সমাজকে নিজ নিজ অধিকার আদায়ে নিজেদের যোগ্যতা অর্জনের আহ্বান জানান এবং নারী-পুরূষ নির্বিশেষে সকলকে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে, আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নারীদের একটা কথাই বলবো-নারীদের অধিকার দাও, অধিকার দাও বলে চিৎকার করা, বলা আর বক্তৃতা দেওয়া- এতে কিন্তু অধিকার আদায় হয় না। অধিকার আদায় করে নিতে হবে। অধিকার আদায়ের মত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, সেই যোগ্যতা আসবে শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। যে কারণে দেশ স্বাধীন হবার পরই এদেশে নারী শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং অবৈতনিক করে দেন জাতির পিতা।
তাঁর সরকার ২ কোটি ৫ লাখ ছেলে-মেয়েকে বৃত্তি-উপবৃত্তি দিচ্ছে যার মধ্যে বেশির ভাগই নারী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজকে যদি গড়ে তুলতে হয়, তবে নারী-পুরুষ সকলকেই শিক্ষা দিতে হবে। যে কারণে আমরা প্রতিটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।
শেখ হাসিনা অতীতকে স্মরণ করে বলেন, তিনি ’৯৬ সালে সরকারে এসে দেখেছেন কোন নারীই ডিসি, এসপি’র কোন পদ পেতনা, উপজেলায় কোন ইউএনও’র পদ পেতনা কিন্তু তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর এখন সকল পদে নারীরা আসীন হয়েছেন।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সংসদ নেতা, বিরোধী দলীয় নেতা, সংসদীয় উপনেতা সবাই মহিলা। এটাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় অর্জন। তিনি বলেন, অতীতে ধর্মের নাম নিয়ে বা সামাজিকতার কথা বলে নারীকে পশ্চাৎপদ করে রাখার অপচেষ্টা সমাজ থেকে দূর হয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিকূলতাকে পাশ কাটিয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারীদের সম্মাননা দেয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য প্রতি বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ৫ জন ‘জয়িতা’কে জাতীয় পর্যায়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফহিলাতুননেসা ইন্দিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ টাকার চেক, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সনদ তুলে দেন।
মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুননেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। জয়িতা পদক প্রাপ্তদের পক্ষে নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তৃতা করেন জয়িতা হাছিনা বেগম নীলা।
মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সামারিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশন ও দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্বের মাঝে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
ফাইল ছবি
মুন্সিগঞ্জে যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম শাওন নিহতের প্রতিবাদে জামালপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল। শনিবার বিকেলে শহরের সিংহজানী মোড় থেকে জেলা যুবদল বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর স্টেশন বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমাবেশ করে।
জেলা যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা সজিব খান, মিজানুর রহমান ও শাহ মাসুদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে নেমেছে। তাই যতো গুলি চালিয়ে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করা হোক না কেন, এই আন্দোলন সরকারের পতন না ঘটানো পর্যন্ত থামবে না। সূত্র: বিডি প্রতিদিন