a
ফাইল ছবি
দেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ১০ জুলাই রবিবার (১০ জিলহজ) বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সন্ধ্যায় ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগে ফোন করে ফাউন্ডেশনের শেরপুর, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার উপ-পরিচালকরা চাঁদ দেখার সংবাদ জানান।
সংগৃহীত ছবি
আজ বুধবার (২ জুন) বিকেলে ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পেশ হবে।
এর আগে সভাপতিমণ্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরে শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, একাধিক দফা বিরতি দিয়ে ১২ কার্যদিবসের মতো অধিবেশন চলতে পারে।
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সব নিয়ম মেনে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও রোস্টার করে সংসদ সদস্যরা অধিবেশনে অংশ নেবেন। প্রতি কার্যদিবসে উপস্থিতি সংখ্যা ১০০ থেকে ১২০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।
কর্মকর্তারা আরো জানান, এক্ষেত্রে একজন সংসদ সদস্য তিন থেকে চার কার্যদিবস অধিবেশনে যোগ দেবেন। যোগদানের জন্য তাদের করোনা নেগেটিভ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক।
একদিন করোনার টেস্টের নেগেটিভ ফলাফলের ভিত্তিতে পরপর দুদিন অধিবেশনে যোগ দেওয়া যাবে। ফলে সংসদে যোগদানের জন্য সংসদ সদস্যদের একাধিকবার নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন পড়বে।
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হেফাজত ইসলাম নামে একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশের বিদ্যমান স্বস্তি এবং শান্তি বিনষ্টে কাজ করে যাচ্ছে যাচ্ছে। তাদের এ তাণ্ডব সহনশীলতার সকল মাত্রা অতিক্রম করেছে।
তিনি বলেন, জনগণের জানমালের সুরক্ষা দিতে শেখ হাসিনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য সৃষ্টিকারি ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উস্কানিদাতাদের তালিকা প্রস্তুত করে এদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
ওবায়দুল কাদের আজ বুধবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সতর্ক করে বলেন, যারা দেশব্যাপী তাণ্ডব চালিয়েছে বা এখনো চালিয়ে যাচ্ছে, দেশের জনগণের ধৈর্য ও সহনশীলতার একটা সীমা আছে! সীমা অতিক্রম করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ।