a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ফাইজার ও বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগী কোভ্যাক্স গ্রুপ থেকে ফাইজারের টিকা দেশে আসবে। কোভ্যাক্স থেকে প্রথম ধাপে বিনামূল্যে দেশের ১১ শতাংশ মানুষের জন্য টিকা আসার কথা রয়েছে। পরে সরকার প্রয়োজন মনে করলে সেসব গ্রুপ থেকে কিনে আরও টিকা আনতে পারবে।
প্রথম চালান হিসেবে ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা আসবে এবং এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক উপকরণ সামগ্রী আগামী সপ্তাহে দেশে পৌঁছাবে।
সংগৃহীত ছবি
ঢাকায় পৌঁছেছে চীনের বেইজিং থেকে বাণিজ্যিকভাবে ক্রয় করা সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকার মধ্যে ১০ লাখ ডোজ টিকা। বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে শুক্রবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে এ টিকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
এদিকে, ‘কোভিক্স’ এর আওতায় মর্ডানার ১২ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা রাত ১১টা ২২ মিনিটে দেশে এসে পৌঁছায়। সবমিলিয়ে আজ দেশে পৌঁছাল সাড়ে ২২ লাখ ডোজ টিকা।
এ তথ্য নিশ্চিত করেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ।
ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, এর আগে রাত ১১টা ২২ মিনিটে ‘কোভিক্স’ এর আওতায় মর্ডানার ১২ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছায়। এছাড়া শনিবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় মর্ডানার ১২ লাখ ৫০ হাজার ডোজ টিকার চালান আসার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান সংবাদমাধ্যমকে জানান, সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ টিকা এখন এসেছে। অবশিষ্ট ১০ লাখ ডোজ সকালে এসে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।
ফাইল ছবি । স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
আপাতত গণটিকা কার্যক্রম শুরু হবেনা বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘গণটিকা কার্যক্রম আপাতত হচ্ছে না। নিবন্ধন করেই করোনার টিকা নিতে হবে।’
সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে ফাইজারের ৬০ লাখ টিকা আসবে। যখন যত টিকা আসবে তখন নিবন্ধন অনুযায়ীই টিকা দেওয়া হবে বলে জানান।