a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ফাইজার ও বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগী কোভ্যাক্স গ্রুপ থেকে ফাইজারের টিকা দেশে আসবে। কোভ্যাক্স থেকে প্রথম ধাপে বিনামূল্যে দেশের ১১ শতাংশ মানুষের জন্য টিকা আসার কথা রয়েছে। পরে সরকার প্রয়োজন মনে করলে সেসব গ্রুপ থেকে কিনে আরও টিকা আনতে পারবে।
প্রথম চালান হিসেবে ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা আসবে এবং এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক উপকরণ সামগ্রী আগামী সপ্তাহে দেশে পৌঁছাবে।
ফাইল ছবি
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় আরও ২২ হাজার ১০১ পরিবারকে আধাপাকা ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে এক লাখ ১৫ হাজার মানুষের মুখে হাসি ফুটল। এ ছাড়া আজ পাবনাসহ দেশের ১২ জেলা ও ১২৩ উপজেলাকে ভূমিহীনমুক্তের ঘোষণা দেন তিনি।
বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব ঘর হস্তান্তর করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বারাসত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্লাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাগ্রহীতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন।
গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে একটি অনন্য প্রকল্প, কারণ পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বিপুলসংখ্যক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাড়ি বিতরণ করা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খুলনার তেরখাদার বারাসাত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্যাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর হস্তান্তর করবেন। এর মধ্য দিয়ে ১২৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে। আগের ২১১টিসহ মোট ৩৪৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হবে। সূত্র: যুগান্তর
বাইডেন ও নরেন্দ্র মোদী
ভারতে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এর মাঝে ব্যাহত হচ্ছে ভ্যাকসিন উৎপাদন। কাঁচামালের অভাবে দেশটির টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করতে পারছে না। এমতাবস্থায় বিভিন্ন রাজ্যে দেখা দিয়েছে টিকার স্বল্পতা।
এই পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত আবেদন করেছিল যাতে করোনা টিকা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। তবে ভারতের আবেদন গ্রহণ না করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার পক্ষেই যুক্তি যেন।
এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বক্তব্য, ভারতের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল বা ওষুধ কতটা জরুরি, তা বুঝতে পারলেও ডিপিএ অ্যাক্ট অনুযায়ী কিছু বিধিনিষেধ মানতে হয় মার্কিন সরকারকে। তাই আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে দেশের অভ্যন্তরের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে হয়।
কয়েকদিন আগেই ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের জোগানের আবেদন জানিয়ে মার্কিন সরকারকে একটি টুইট করেন সেরাম ইনস্টিটউটের সিইও আদার পুনাওয়ালা। এরপরই আমেরিকায় ভারতের অ্যাম্বাসাডর তরণজিৎ সিং সান্ধু বাইডেন প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন, সেখানে ভারতে দ্রুত ওষুধ পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়।
এরপর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তনি ব্লিনকেন আর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মাঝে ফোনালাপে করোনাভাইরাস মহামারীর বর্তমান অবস্থা এবং তা মোকাবেলা করার বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এদিকে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন উৎপাদন আর সরবরাহের জন্যে কোয়াড গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। সেখানে ভারত-মার্কিন যৌথ উদ্যোগে আমেরকিায় তৈরি ভ্যাকসিন নোভাভ্যাক্স আর জনসন অ্যান্ড জনসন তৈরি করার কথা। আর সেই প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
এই বিষয়ে ওয়াশিংটনের বক্তব্য, ভারতের কথা মাথায় রয়েছে মার্কিন সরকারের। তবে সেখানে হোয়াইট হাউজ ওষুধ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস