a
সংগৃহীত ছবি
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত মানুষের সার্বিক কার্যাবলী ও চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। এ বিধিনিষেধ চলাকালীন সময়ে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক। লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধকল্পে সরকার কর্তৃক আরোপিত বিধি-নিষেধের মধ্যে ব্যাংকিং কার্যক্রম প্রসঙ্গে’ আজ বুধবার (৩০ জুন) নতুন এ নির্দেশনা জারি করেছে।
এ নির্দেশনায় বলা হয়, লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এছাড়া বিধিনিষেধে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে রোববারও ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
ফাইল ছবি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেস আবারও নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করায় মমতা ব্যানার্জিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। বুধবার মমতা ব্যানার্জিকে লেখা এক পত্রে ড. মোমেন এ অভিনন্দন জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ধারাবাহিকভাবে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনে জনগণের সমর্থন লাভ করেছে, যা আপনার নেতৃত্বের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের অব্যাহত আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন।
আমরা আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ, কারণ আপনি বাঙালির দীর্ঘ লালিত মূল্যবোধ ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ’ ধারণ করেছেন এবং এ ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু সারাজীবন অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
ড. মোমেন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিদ্যমান এবং সাম্প্রতিক বছরে দু’দেশের পারস্পারিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো আরও প্রসারিত হয়েছে।
অবিভক্ত ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা, মূল্যবোধ এবং বংশানুক্রমিক সংযোগ দু’দেশের জনগণের সম্পর্ককে অনন্য ও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ বাংলদেশিদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে রেখেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপনের এ বিশেষ বছরে আমি পশ্চিমবঙ্গের জনগণসহ ভারতের জনগণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমর্থন ও আত্মত্যাগকে কৃতজ্ঞতার সহিত স্মরণ করছি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনার অঙ্গীকার ও সহযোগিতার মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে এবং অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর সমাধান হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
ড. মোমেন আরও বলেন, অজানা শত্রু করোনাভাইরাসের ফলে সারাবিশ্ব নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ দু’দেশের পারস্পারিক সম্পদ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সবাই সম্মিলিতভাবে এ মহাবিপদ থেকে মুক্ত হয়ে শিগগিরই স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ফিরে আসবো।
ফাইল ছবি
আল্পনা শাহীন
হিন্দু-জানিনা, ইসলাম-চিনিনা, বুঝিনা-ক্রিশ্চান;
মানুষ চিনি, মানুষ ভজি
মানুষই বিশ্বে মহিয়ান!
সভ্যতার ঐ পিচ্ছিল পথে
রথে চড়ায়নি কোন ধর্ম,
যা কিছু নিত্য মহৎ সত্য সবই এই মানুষের কর্ম।
ধর্মের নামে অধর্ম আজ
বিশ্বকে করছে মহাগ্রাস,
বিভেদ বঞ্চনা কষ্ট শোকে
মানুষ ফেলছে দীর্ঘশ্বাস!
বোধের জগতে দেওলিয়া
হয়ে উন্মাদনায় মেতে রই,
এসো এবার মানুষ পূজি
মানুষের মত মানুষ হই।