a
ফাইল ছবি
রাজশাহীতে করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শনিবার রাত ৮টা থেকে রাজশাহী জেলার সব বিপণিবিতান, শপিং মল, বিনোদনকেন্দ্র ও রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৭ জানুয়ারি রাজশাহী জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলার বিপণিবিতান, শপিং মল, বিনোদনকেন্দ্র, রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রাত ৮টা পর বন্ধ থাকবে। এই নির্দেশনার বিষয়ে মানুষকে জানাতে শুক্রবার রাতে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশকে মাইকিং করতে দেখা গেছে।
চলতি বছরের শুরু থেকেই রাজশাহী জেলায় করোনার সংক্রমণ ক্রমাগত হারে বাড়তে থাকে। শুক্রবার এই জেলায় সংক্রমণ হার ছিল মহামারি শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ ৭১ দশমিক ৩৯।
১৬ জানুয়ারি থেকেই এ জেলা রেড জোনে রয়েছে। এ অবস্থায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ন্ত্রণে আনতে জনগণকে অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যেতে নিরুৎসাহিত করতে জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা কমিটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, রাজশাহী জেলায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ সচেতন না হলে কারো একার পক্ষে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে জনগণের মধ্যে জনসচেতনা বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু বিবেচনায় করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকাল শেষে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে সারা বিশ্বে করোনা টিকা সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকেও করোনা ভ্যাকসিন দিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।
গণভবনে শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জন কেরি।
এসময় জন কেরি জানান, নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রথম একশ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ৯৯ মিলিয়ন আমেরিকান নাগরিক প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৫৬ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ।
আগামী ২২ ও ২৩ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০টি দেশের রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানের অংশগ্রহণে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হবে ‘গ্লোবাল লিডারস সামিট অন ক্লাইমেট চেঞ্জ’।
এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জো বাইডেনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন তিনি।
এ বৈঠকে জন কেরি জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, কার্বন নিঃসরণ ও অভিযোজনসহ জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, দেশটির বকেয়া ২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করবে বাইডেন প্রশাসন।
এ বৈঠক শেষেই ঢাকা ত্যাগ করেন জন কেরি। উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় একদিনের সংক্ষিপ্ত সফরে ঢাকায় আসেন তিনি।
তানজিয়া জামান মিথিলার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’ প্রতিযোগিতায় সেরা হলেন তানজিয়া জামান মিথিলা। ফলে আগামী ১৬ মে যুক্তরাষ্ট্রে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতার ৬৯তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।
শনিবার (৩ এপ্রিল) রাতে রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের বলরুমে মিথিলাকে মুকুট পরিয়ে দেন বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। বিশেষ বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ৪৩ বছর বয়সী এই তারকা। এজন্য আজ বিকেলে মুম্বাই থেকে ঢাকায় পা রাখেন তিনি।
প্রথম রানারআপ ফারজানা ইয়াসমিন অনন্যা এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন ফারজানা আকতার এ্যানি।
আরও পড়ুন: এবার রণবীর কাপুর এর প্রেমিকা আলিয়া ভাটের করোনা আক্রান্ত
শুধু সেরার স্বীকৃতিই নয়, বিশেষ যোগ্যতা অনুযায়ী দেওয়া পাঁচটি স্বীকৃতির মধ্যে মিস বডি বিউটিফুল নির্বাচিত হন তানজিয়া জামান মিথিলা। প্রথম রানারআপ ফারজানা ইয়াসমিন অনন্যা মিস মিনজেনিয়ালিটি স্বীকৃতি পেয়েছেন। এছাড়া মিস শাইনিং স্টার আপোনা চাকমা, মিস ফটোজেনিক নিদ্রা দে এবং মিস ট্যালেন্টেড হিসেবে নির্বাচিত হন তৌহিদা তাসনিম তিফা।
গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিচারকের আসনে ছিলেন সংগীতশিল্পী-অভিনেতা তাহসান রহমান খান, মডেল-অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা সাহা মিম, প্রাসাদ বিদাপা (ভারত), মেহরুজ মুনির, আইরিন সমার তিলগার, গৌতম সাহা, রিয়াজ ইসলাম, সারা সুলেমান।
‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’-এর প্রধান রফিকুল ইসলাম ডিউক বলেন, ‘তানজিয়া জামান মিথিলাকে নিয়ে আমরা আশাবাদী। আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন মিস ইউনিভার্স-এর মূল মঞ্চ।’
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই মুক্তি পেয়েছে
অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম এবং আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব উপস্থাপনা করেন কাজী সাবির।
প্রতিযোগিতার এবারের মূল স্লোগান ছিল ‘আমার আত্মবিশ্বাস, আমার সৌন্দর্য’। দেশ ও দেশের বাইরের বাংলাদেশি মিলিয়ে ৯ হাজার ২৫৬ জনেরও বেশি তরুণী এতে অংশগ্রহণ করেন। গত জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রাথমিক বাছাইয়ের পরে অডিশনের জন্য ডাক পান ৫০০ জন প্রতিযোগী।
অডিশন পর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মিস কালচার ওয়ার্ল্ডওয়াইড ২০১৮ প্রিয়তা ইফতেখার, ফ্যাশন ডিজাইনার শাহরুখ আমিন, আইস টুডের ফ্যাশন এডিটর গৌতম সাহা এবং মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯-এর প্রথম রানারআপ আলিশা ইসলাম।
আরও পড়ুন: জয়া পশ্চিমবঙ্গে মনোনয়ন পেলেন
অডিশন পর্বে প্রতিযোগীদের সৌন্দর্য, শিক্ষা, প্রতিভা, বুদ্ধিমত্তাসহ আরও বিভিন্ন যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে শীর্ষ ৫০ জন বাছাই করা হয়। সেখান থেকে সেরা ২০ সুন্দরীকে নিয়ে চলে গ্রুমিং সেশন। সেখান থেকে সেরা ১০ জন নির্বাচন করা হয়।
ইত্তেফাক থেকে সংগৃহীত