a
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকগণের অনুকূলে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উল্লেখ্য, করোনার প্রথম ঢেউয়ে ২০২০ সালের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালের জানুয়ারী হতে আজ অবধি লকডাউনে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ও দরিদ্র, দুঃস্থ, ভাসমান এবং অসচ্ছল মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বরাদ্দ ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিতরণ করা হবে প্রতিটি জেলার জেলা কর্মকর্তাদের মধ্যমে।
ফাইল ছবি
আজ ২৭ নভেম্বর ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।
আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরো অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ ডা. মিলনসহ সকল বীর শহিদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে পুরোভাগে থাকা শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন পুলিশের গুলিতে শাহাদত বরণ করেন উল্লেখ করে তিনি শহিদ ডা. মিলনসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে স্বৈরশাসনের উত্থান ঘটে। ১৯৯০ সালে শহিদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকেও বেগবান করতে হবে। নতুন প্রজন্ম ডা. মিলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে।
রাষ্ট্রপতি শহিদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করে। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।
প্রধানমন্ত্রী ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শহীদ পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
ডা. মিলন ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে তিনি শহীদ হন। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, দেশের শান্তিপ্রিয় জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট এবং আইন অমান্য করে ভাংচুর ও আক্রমণ করা হলে সরকার অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। যারা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন নষ্ট করার চেষ্টা করছে তারা দেশের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেখাচ্ছে না।
আজ রবিবার ঢাকায় বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আয়োজিত ইপিজেডের শ্রমিকদের জন্য বেপজার হেল্পলাইন সেবা উদ্ধোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
আনিসুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে 'নতুন উদীয়মান অর্থনীতির দেশ'। ভৌগলিক অবস্থান, সহজলভ্য, উৎপাদনশীল ও সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য সম্ভাবনাময় শ্রমশক্তি এবং পরিমিত উৎপাদন ব্যয়ে এশিয়া এমনকি বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগের প্রধান আকর্ষণীয় ক্ষেত্র।
বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির বক্তব্য রাখেন। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন