a
সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমে পবিত্র হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের বর্ধিত নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে আজ। এ জন্য হজের কার্যক্রম সম্পৃক্ত ব্যাংকগুলো ছুটির দিনেও খোলা রাখা হয়েছে।
শুক্রবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার হজের নিবন্ধন শেষ হচ্ছে। প্রাক নিবন্ধনের ক্রমিক ২৯৪৬২ এর মধ্যে থাকা হজ যাত্রীদের এই সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত নিবন্ধন করার কথা বলা হয়েছে। নিবন্ধন শেষে নির্ধারিত ব্যাংকে হজের টাকা জমা দিতে পারবেন।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, শনিবার হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সব ব্যাংক খোলা থাকবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজে যেতে পারবেন।
সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১-এ পাঁচ লাখ ৮৬ হাজার ৩৪০ এবং প্যাকেজ-২-এ পাঁচ লাখ ২১ হাজার ১৫০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট আগামী ১৪ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ১৪ আগস্ট। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত হতে বলেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (২৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। আমি আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীকে প্রস্তুত হতে বলব। সবাইকে সব অনুষ্ঠান সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। পাশাপাশি গত বছর মানুষের পাশে যেভাবে দাঁড়িয়েছেন, তেমনি সামনের দিনেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, মানুষ যেন কষ্টে না থাকে।
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা যা করার করব। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগেরও মানুষের পাশে থাকতে হবে। যে দল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন করেছে, তাদের ওপর অনেক দায়িত্ব। মানুষের জন্য খাদ্য বিতরণ, মাস্কসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও বিভিন্ন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সারাবিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানরা শুভেচ্ছা দিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য সম্মানের, এটাই আমাদের সার্থকতা। তবে আমাদের যাত্রা অনেক দূরের; জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করতে হবে।
সরকার প্রধান বলেন, আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। আমরা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এটাই জাতির পিতার স্বপ্ন। তার স্বপ্নের ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব, এটাই প্রতিজ্ঞা।
শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পাঁচ দেশের প্রধানরা বাংলাদেশে এসেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও ২৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে শুভেচ্ছা বার্তা আমরা পেয়েছি। এটা বাংলাদেশের জনগণের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এটাই আমাদের সার্থকতা।
তিনি বলেন, সময়ের অভাবে বিদেশিদের সব বার্তা শোনাতে পারিনি। সব বার্তা সংরক্ষণে আছে। এসব তৃণমূল পর্যন্ত প্রচার করতে হবে। তাদের শুভেচ্ছা বার্তা যেন জনসাধারণ জানতে পারে। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনকে এগুলো প্রচারে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবুজ বাংলা আরও সবুজ করতে চারা রোপণ করতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। কোনো জলাশয় যেন অনাবাদি না থাকে। খাদ্য উৎপাদন করে নিজেদের প্রস্তুতি রাখতে হবে। করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যায় বলা যায় না। যাতে অন্তত খাদ্য সংকট না হয়। আমরা নিজের খাদ্য নিজেই জোগান নিশ্চিত করে অন্যকে দেবো।
সরকার প্রধান বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়া অব্যাহত থাকবে। তবে কেউ যাতে মাস্ক ছাড়া বাইরে বের না হয়। নিরাপদ দূরত্ব মেনে বসতে হবে। সভা-সেমিনার-কর্মশালা স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দেয়।
শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমাদের প্রতিজ্ঞা হলো, বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। আমরা সেই ব্যবস্থা করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু তার সংবিধান ও আইনে যে মৌলিক নির্দেশনা রেখে গেছেন, আমরা সে আলোকেই পথ চলছি। তার সব কাজ পূর্ণ করছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। ৭ মার্চের ভাষণও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশকে ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিলাম। তারপরও চক্রান্ত থামেনি। ২০০১-এ আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। কিন্তু ফল ভালো হয়নি। পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিভিন্ন খাতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, আমাদের শাসনামলে গত ১২ বছরে বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছি। এত সব অর্জনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শই কারণ। এটা নতুন কিছু না, কোনো ম্যাজিকও না। এদেশের মানুষ জাতির পিতার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ করে। ৭ মার্চের ভাষণে যা যা করতে বলেছেন, মানুষ তাই করেছিল। তিনিই বলেছিলেন, বাঙালিকে দাবায়া রাখতে পারবা না। আসলেও দাবায়া রাখা যায়নি, যাচ্ছে না। আমরা তার আদর্শে দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে যাচ্ছি। সূত্র: ঢাকাপোষ্ট
ফাইল ছবি
হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের দ্বিতীয় বিয়ে প্রসঙ্গে কথা বলেছেন তার ভাগ্নে মাওলানা এহসানুল হক। তিনি বলেছেন, আমার শ্রদ্ধেয় মামা আল্লামা মামুনুল হককে তার দ্বিতীয় স্ত্রী (আমার মামী)সহ নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী সন্ত্রাসীরা রিসোর্টে আক্রমণ করেছে।
তিনি জানান, এ বিয়ে কোনো লুকোচুরির বিষয় নয়। এটি পারিবারিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে মামুনুল হকের বিয়ে নিয়ে রাজধানীর জামিয়া রহমানিয়ার শিক্ষক মাওলানা এহসানুল হক বলেন, ‘শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের পরিবারের সদস্যরা আজ নির্বাক, স্তম্ভিত ও বাকরুদ্ধ। আমরা মজলুম ইয়া আল্লাহ। একজন আলেম তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে গেলেও দুশমনদের হাতে এভাবে হেনস্তা হতে হবে?
ইয়া আল্লাহ, তুমি আমাদের পরিবারের ওপর রহম করো। আমার সম্মানিত মামাকে হেফাজত করো। একজন আলিমের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে আমাদের কলিজা ছিঁড়ে দিলো ওরা। যারা এমন হয়রানি করলো তাদের বিচার চাই। তুমি সব দেখছো আল্লাহ।’