a সরকারি ব্যবস্থাপনায় আজ হজ নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সরকারি ব্যবস্থাপনায় আজ হজ নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১২:২৮
সরকারি ব্যবস্থাপনায় আজ হজ নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে

সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমে পবিত্র হজে যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের বর্ধিত নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে আজ। এ জন্য হজের কার্যক্রম সম্পৃক্ত ব্যাংকগুলো ছুটির দিনেও খোলা রাখা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার হজের নিবন্ধন শেষ হচ্ছে। প্রাক নিবন্ধনের ক্রমিক ২৯৪৬২ এর মধ্যে থাকা হজ যাত্রীদের এই সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত নিবন্ধন করার কথা বলা হয়েছে। নিবন্ধন শেষে নির্ধারিত ব্যাংকে হজের টাকা জমা দিতে পারবেন।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, শনিবার হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সব ব্যাংক খোলা থাকবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজে যেতে পারবেন।

সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১-এ পাঁচ লাখ ৮৬ হাজার ৩৪০ এবং প্যাকেজ-২-এ পাঁচ লাখ ২১ হাজার ১৫০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট আগামী ১৪ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ১৪ আগস্ট। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

‌শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ দক্ষতা-পেশাদারিত্ব দেখাতে হবে: ড. ইউনুস


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৮
 ‌শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ দক্ষতা-পেশাদারিত্ব দেখাতে হবে ড. ইউনুস

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: দেশ পূনর্গঠনে সেনাবাহিনীর চলমান ভূমিকা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সশস্ত্র বাহিনী দিবস–২০২৫ উপলক্ষে ঢাকার সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এ আস্থার কথা জানান তিনি।

ড. ইউনূস বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী তাদের পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে দেশের জন্য ত্যাগ ও তৎপরতার এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউনূস দেশের মুক্তিযুদ্ধ, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তরণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন– তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন। বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ সংবর্ধনায় তিন বাহিনীর প্রধান, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, শান্তিরক্ষী সদস্যদের পরিবারবর্গসহ দেশি–বিদেশি অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণের শুরুতেই ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং সকল বীরদের স্মরণ করেন। পাশাপাশি তিনি ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে নিহত, আহত এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, তাদের দুঃসাহসিক আত্মত্যাগ আমাদের জন্য দেশ পুনর্গঠনের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে। ২৫ মার্চের রাত থেকেই মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের সংগ্রাম শুরু হয় এবং ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত অভিযানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন চূড়ান্ত রূপ পায়। তিনি বলেন, ১৯৭১-এর যৌথ অভিযানই ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় নিশ্চিত করেছিল, যা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

দেশ পুনর্গঠন ও ২০২৪-পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে সশস্ত্র বাহিনীর অব্যাহত সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা রক্ষায় সেনাবাহিনী সবসময় অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব দেখাতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান উপদেষ্টা অতিথিদের উপস্থিতিতে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারের সুখ–সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবো। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জুমার দিনের ফজিলত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, ১০:৫৮
জুমার দিনের ফজিলত

সংগৃহীত ছবি

 

শুক্রবার জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের সেরা দিন। পবিত্র কোরআন শরিফে জুমা নামে একটি সূরাও আছে। এইদিনে মহান আল্লাহতায়ালা জগৎ সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছিলেন।

আদি পিতা হজরত আদম (আ.) ও মা হাওয়া (আ.)-কে এই দিনেই জান্নাতে একত্র করেছিলেন এবং এই দিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন বলা হয়।

জুমার নামাজের সূচনাঃ
জুমার নামাজ ফরজ হয় প্রথম হিজরিতে। রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরতকালে কুবাতে অবস্থান শেষে শুক্রবার দিনে মদিনা পৌঁছেন এবং বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছে জোহরের ওয়াক্ত হলে সেখানেই তিনি জুমার নামাজ আদায় করেন। এটাই ইতিহাসের প্রথম জুমার নামাজ।

হিজরতের পরে জুমার নামাজ ফরজ হওয়ার আগে নবুওয়তের দ্বাদশ বর্ষে মদিনায় নাকীউল খাজিমাতে হজরত আসআদ বিন যুরারাহ (রা.)-এর ইমামতিতে সম্মিলিতভাবে শুক্রবারে দুই রাকাত নামাজ আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে সেটা ছিল নফল নামাজ।

জুমার দিনের ফজিলতঃ
সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে জুমার দিনের ফজিলত অনেক বেশি। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন – জুমার দিনে ফেরেশতাগণ বিশেষ রেজিস্টার নিয়ে মসজিদের প্রতিটি দরজায় দাঁড়িয়ে যান। তাঁরা মসজিদে আগমনকারী মুসল্লিদের নাম পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করতে থাকেন। অতঃপর যখন ইমাম সাহেব এসে যান, তখন তারা রেজিস্টার বন্ধ করে খুতবা শুনতে থাকেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়