a
ফাইল ছবি
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার সকালে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ গত কয়েক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার পেমই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ৬৬.৬৬ শতাংশ বা দুই-তৃতীয়াংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এটাই সবচেয়ে লক্ষণীয় মাত্রায় মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তবে আসন্ন বাজেটে এই ভাতার বৃদ্ধির কারণে বরাদ্দ তেমন একটা বাড়ছে না। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের নতুন তালিকায় পূর্বের প্রায় ২৩.২৭ শতাংশ নাম বাতিল হওয়ায় নতুন করে অধিক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।
এই খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩২’শ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ হাজার ৯৯৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ অর্থবছরে বছর প্রতি ৩ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ফেব্রুয়ারিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রদানের এক অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১২ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন। আসন্ন অর্থবছর থেকেই নতুন ভাতা প্রদান শুরু করা হবে।
ওই সময় পর্যন্ত সরকারের নথিভুক্ত ২ লাখ ৫ হাজার ২০৬ জন মুক্তিযোদ্ধা সরকারি ভাতা পেয়ে আসছিলেন। এর মধ্যে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলো মাসিক ৩০ হাজার টাকা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক ২৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন।
এদিকে সাত বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারগুলো মাসিক ৩৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাচ্ছেন। এছাড়া বীর উত্তমদের জন্য ২৫ হাজার টাকা, বীর বিক্রমদের জন্য ২০ হাজার টাকা, বীর প্রতিকদের ১৫ হাজার টাকা এবং অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা ১২ হাজার টাকা করে ভাতা পেয়ে আসছেন।
মাসিক ভাতার পাশাপাশি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা বিনা খরচে চিকিৎসা সেবাসহ সব মুক্তিযোদ্ধারা বছরে পাঁচটি উৎসব ভাতা পেয়ে আসছেন।
ছবি: শ্রাবণী, জগন্নাথ বিশবিবিদ্যালয়
মুন্না শেখ, জবি প্রতিনিধি : যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট পরিচালিত 'স্টাডি অব দ্য ইউএস ইনস্টিটিউটস (এসইউএসআই) ফর গ্লোবাল স্টুডেন্ট লিডার্স ' প্রোগ্রামে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ২০২০ - ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী "নুরুন নাহার শ্রাবনী"।
বিশ্ববিদ্যালয়টির একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ আয়োজিত 'US Embassy: Exchange Opportunities' সেমিনারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ সুযোগ লাভ করেন শ্রাবণী।
উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী এই প্রথম এধরনের এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে।
আগামী ২৪শে জুন থেকে ২৬শে জুলাই পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নোভাডায় এক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন শ্রাবণী ।
এই উপলক্ষে আজ ৮ মে ২০২৫, বৃহস্পতিবার শ্রাবনী এবং ইউএস এক্সচেঞ্জ অ্যালামনাই এর সদস্য এবং জবির একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামসুন নাহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রেজাউল করিম -এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় উপাচার্য শ্রাবণীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “এই অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের শিক্ষার্থীদের সফল অংশগ্রহণ আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতার প্রমাণ বহন করে।”
অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শ্রাবণী বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত বিশ্ব দরবারে প্রথমবারের মতো আমার বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে। এ অর্জন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে। আমি মহান আল্লাহ তায়ালা, আমার মা-বাবা বিশেষ করে আমার মা কে অনেক ধন্যবাদ দিতে চাই সেই সাথে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক যারা আমার সাথে ছিলেন এবং একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামসুন নাহার ম্যামের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ মুলত ম্যামের সূত্র ধরেই আমার এই প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানা ও অংশ নেয়া।”