a ৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১, ০৬:১৮
৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে সংক্রমণের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আশার কথা শোনালেন। তিনি বলেছেন, করোনা ভাইরাসের টিকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে এবং ৮০ শতাংশ মানুষকেই এই টিকার আওতায় আনা হবে।
 
শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের টিকা দিয়ে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথাও জানান তিনি।  

আজ মঙ্গলবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকার ব্যবস্থা হয়ে গেছে। এখন আর কোনও সমস্যা হবে না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা আসবে। জুলাই থেকেই আবারও শুরু হবে গণটিকা দান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকা সংগ্রহে যত টাকাই লাগুক না কেন আমরা সেই টাকা দেব। ১৪ হাজার কোটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। টিকা বাজারে আসার আগে থেকেই আমরা যোগাযোগ রেখেছি।

দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকার আওতায় আনা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, টিকাকরণের মাধ্যমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত খুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাকায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায়


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২, ০৫:৫৯
ঢাকায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায়

ফাইল ছবি

ঢাকায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায়। প্রতিবছর গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়লেও এবার গরম শুরুর আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ার খবর আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক মো. নাজমুল ইসলাম।

রোববার অধিদপ্তরের ভার্চ্যুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি বলেন, ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ঢাকা মহানগরীতে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডায়রিয়া রোধ করা যায় উল্লেখ করে অধ্যাপক নাজমুল বলেন, ডায়রিয়া রোধ করতে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে হবে জীবাণুমুক্ত পানি।

তিনি আরও বলেন, ডায়রিয়াজনিত রোগ চলে যায়নি। আমরা একে মোকাবিলা করতে চাই। ডায়রিয়া শুরু হলেই  চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একবার ১ জন করোনা রোগীকে দেখে যান, কষ্ট সহ্য করার মতো না


স্বাস্থ্য ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ১০:০১
একবার ১ জন করোনা রোগীকে দেখে যান, কষ্ট সহ্য করার মতো না

সংগৃহীত ছবি: লাইভে ডা. কৃষ্ণা মজুমদার রুপা

ফেসবুক লাইভে এসে করোনা রোগীদের মৃত্যুর যন্ত্রণার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণা মজুমদার রুপা। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় ফেসবুক লাইভে এসে এই চিকিৎসক বলেন, ‘একবার একজন করোনা রোগীর সঙ্গে এসে দেখা করে যান। আমি প্রায় শখানেক রোগী আজকে দেখেছি। কোনো স্বজনের চোখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। 

আপনারা এই জগৎ দেখেন নাই, কিন্তু কখনো দেখবেন না সেই গ্যারান্টি ওপরওয়ালা ছাড়া কেউ বলতে পারেন না। অত্যন্ত দুঃখ-ভারাক্রান্তভাবে বলছি, একেক জনের কষ্ট সহ্য করার মতো না। সর্বোচ্চ চিকিত্সা দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু জানি না আজকের দিনটা বাঁচবেন কি না।’

বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন ৯২ জন রোগী দেখেছেন জানিয়ে ডা. কৃষ্ণা বলেন, ‘আগেও ডিউটি করেছি, কিন্তু রোগীদের অবস্থা এত শোচনীয় ছিল না। সবাই মৃত্যুর যন্ত্রণায় ভুগছেন। অক্সিজেনের অভাবে কত কষ্টে একজন মানুষ মারা যেতে পারে, সামনে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। অক্সিজেন সাপ্লাই থাকার পরও নিতে পারছে না। কারণ, তাদের ফুসফুস অক্সিজেন নেওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে।’

পিপিই পরা অবস্থায় লাইভে এসে তিনি বলেন, ‘এই পোশাকে আমরা ডিউটি করি। দম বন্ধ অবস্থায় এই পোশাক পরে ডিউটি করতে হয়। যেখানে ডিউটি করি সেখানে এসি নেই। না থাকাটাই স্বাভাবিক। এই পোশাকে অক্সিজেন পাওয়া যায় না, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে, অনেক কষ্ট, জীবনটা মনে হয় বের হয়ে যাচ্ছে। করোনার প্রথম থেকে আমরা যে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছি, কোনো কিছুতেই সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ঈদের পরে করোনার ভয়াবহতা এমন করুণ পর্যায়ে পৌঁছাবে যে রোগীকে বিছানা দেওয়া সম্ভব হবে না। প্রত্যেককে অক্সিজেন দেওয়া আছে। কারো সেচুরেশন ৬৫, কারো ৭৫। ইয়াং বয়সের সবচেয়ে বেশি। গর্ভবতী মায়েদের কষ্টও দেখেছি। করজোড়ে অনুরোধ, এটাকে কেবল সরকার বা ফ্রন্টলাইনারদের যুদ্ধ ভাববেন না, এটা সবার যুদ্ধ। করোনাযুদ্ধ কবে শেষ হবে জানি না।

ডা. কৃষ্ণা মজুমদার আরো বলেন, এই আমি এতগুলো পজিটিভ রোগীর চিকিত্সা দিয়ে বাসায় যাব, তখন আমি কী করে পরিবারের সদস্যদের কাছে যাব। এই বাস্তবতা নিয়েই প্রত্যেক চিকিত্সক যার যার দায়িত্ব পালন করছেন। এর শেষ কোথায়? শেষ তখনই হবে যখন আপনারা সচেতন হবেন। সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনুরোধ, যুদ্ধটাকে শুধু সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। আপনারা হাসপাতালে ভর্তি না হলেই আমরা খুশি। যে অবস্থা দেখছি, হাসপাতালে এসেও রোগী আগামীতে আর ভর্তি হতে পারবে কি না, বলা যাচ্ছে না।’

সূত্র: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়