a শহীদ জিয়া দেশের মানুষকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছেন: জয়নুল আবদিন ফারুক
ঢাকা শনিবার, ২৭ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

শহীদ জিয়া দেশের মানুষকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছেন: জয়নুল আবদিন ফারুক


সাইফুল আলম, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:০৩
শহীদ জিয়া দেশের মানুষকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছেন- জয়নুল আবদিন ফারুক

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

সাইফুল আলম: বিরোধী দলীয় সাবেক চিফ হুইপ, মাননীয় চেয়ারপার্সন অন্যতম উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, শহীদ জিয়া দেশের মানুষকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ৭ নভেম্বর বিপ্লব সংহতি দিবস দেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল আয়োজিত ২৪শে নভেম্বর ২০২৫ জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় এক আলোচনা সভায় জয়নুল আবদিন ফারুক এসব কথা বললে দিক নির্দেশনা দেন।

৭ নভেম্বর বিপ্লব সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, বিরোধী দলীয় সাবেক চিফ হুইপ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম জামাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি। জনাব কর্নেল এম এম ফয়সাল (অব.), সহ-সভাপতি, জাতীয়তাবাদী কৃষক দল। হেলেন জেরিন খান, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন জনাব সেলিম রেজা বাবু, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল। এবং সঞ্চালনায় ছিলেন জনাব মোঃ শীপন বকাউল, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল।

প্রধান অতিথি বক্তব্য জয়নুল আবদিন ফারুক আরো বলেন, আপনারা জানেন ’৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কীভাবে ভারতের এজেন্টরা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ করার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। অবশেষে ৭ নভেম্বর এ দেশের সিপাহি-জনতা সেই চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং তাদের চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দেয়। এ কারণে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে।

কিন্তু স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর পরিকল্পিতভাবে ঐতিহাসিক দিনগুলোকে জনগণের দৃষ্টির অন্তরালে নিয়ে যান। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের দাবি থাকবে, তারা ৭ নভেম্বরকে পূর্বের মতো রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। এতে দেশের জনগণ যেমন আওয়ামী চক্রান্ত সম্পর্কে সচেতন হবে, তেমনি দেশের গণতন্ত্র ও তাদের ভূমিকা সম্পর্কে অবগত থাকবে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সেনা অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে যখন চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত ঐক্যের বিপ্লব দেশ ও জাতিকে অনাকাঙ্ক্ষিত শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিয়েছিল। অভূতপূর্ব সেই বিপ্লব-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সাময়িক বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন স্বাধীনতার ঘোষক তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

সভাপতির বক্তব্যে সেলিম রেজা বাবু বলেন, আমরা চাই ভোটবঞ্চিত জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের প্রিয় ব্যক্তিদের নির্বাচিত করুক এবং তাদের নির্বাচিত যোগ্য ব্যক্তিরা দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনা করুক। তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং তিনি দ্রুত বাংলার মানুষকে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দেন। শহীদ জিয়া দেশের মানুষকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেন। ৭ নভেম্বর পালনের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থেই জিয়াকে স্মরণ করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঈদ পূণর্মিলনী ও করোনাকালীন জনকল্যাণে করনীয় শীর্ষক বৈঠক


কাজল, সিলেট প্রতিনিধি:
শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ১২:৪১
ঈদ পূণর্মিলনী ও করোনাকালীন জনকল্যাণে করনীয় শীর্ষক বৈঠক

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সাংবাদিকগণ ঈদ পরবর্তী পূণর্মিলনী ও করোনাকালীন জনকল্যাণে করনীয় শীর্ষক এক বৈঠক ২৩ জুলাই শুক্রবার হবিগঞ্জে অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। 

বৈঠকে দৈনিক মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন-এর সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সাংবাদিক শেখ মোঃ আব্দুল কাদির কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। 

সদস্য সচিব এম এ হান্নানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকবৃন্দ জনাব মুজিবুর রহমান খান, মীর দুলাল, আছাদুজ্জামান চৌধুরী, শাহেনা আক্তার, শেখ শামসুল ইসলাম, জমির আলী ও নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

বৈঠকে করোনার এই দুর্যোগ পরিস্থিতিতে নিজেদের সুরক্ষা রেখে জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ডে নিজেদের আরও নিবিড়ভাবে কিভাবে সম্পৃক্ত করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় নিজেদের সংগঠনগুলোর উদ্যোগে জনসচেতনতার পাশাপাশি মাস্ক ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

১লা জানুয়ারি থেকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন চায় গণ কর্মচারিরা


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি
সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:২৬
১লা জানুয়ারি থেকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন চায় গণ কর্মচারিরা

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা: গণ কর্মচারিদের বেতন বৈষম্য দূরীকরনের ৭ দফার ভিত্তিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রদান ও ১লা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বাস্তবায়নের এক দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। গত ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, রোজ শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ এর সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় -সরকারি উদ্যোগ মূখ্য সমন্বক জনাব ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে এই দাবি জানানো হয়। 

উক্ত দাবি সমূহ আদায়ে কর্মসূচি ঘোষনার লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের ২য় তলায় জহুর হোসেন চৌধুরি হলে এক সংবাদ সম্মেলন ও শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর স্মরণে দোয়া মোনাজাত” অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব মোঃ লুৎফর রহমান, সালজার রহমান,এমএ হান্নান, সেলিম মিয়া, ইছাহাক কবির,রফিকুল আলম,আবু নাসের খান, জিয়াউল হক, জাকির হোসেন এ কেএম নুরুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম,খায়ের আহমেদ মজুমদার,বেলাল হোসেন, মাহবুব হোসেন তালুকদার, হুমায়ুন কবির, আসাদুর রহমান, সাবেরা সুলতানা গিয়াস উদ্দিন,ফারুক মৃধা, জাহিদুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান, আনোয়ার হোসেন,জিয়াউর রহমান, শফিকুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক,মহিউদ্দিন খন্দকার, আসফাকুল আসেকীন, শাহজাহান সিরাজ, মনির হোসেন, আরিফুল ইসলাম, সারোয়ার তালুকদার, সেলিম রেজা, খাদিজা খানম ছাড়াও প্রজাতন্ত্রের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়াত্তশাসিত, আধা স্বায়াত্তশাসিত, সেক্টর, কর্পোরেশনের কর্মচারিরা অংশ গ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পে স্কেলের আওতাভুক্ত লক্ষ লক্ষ কর্মচারিদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণ, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড পূনর্বহাল দ্রব্যমূলের উর্দ্ধগতিতে কর্মচারিদের অবর্ণনীয় দুঃখ-দূর্দশার বিষয় নিয়ে ৭দফার ভিত্তিতে এক দফা দাবি আদায়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১লা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বাস্তবায়নের আলোচনা করা হয়।

আলোচনায় বক্তারা শহীদ ওসমান হাদীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বক্তারা বলেন-ওসমান হাদী সব সময় বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় অকুতোভয় ছিলেন । তিনি জীবন দিয়ে গেছেন কিন্তু তার স্বপ্ন থেকে বিচ্যুত হননি। আমরাও তার মতো বৈষম্যমুক্ত কর্মক্ষেত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো।দোয়া মোনাজাত শেষে দাবি আদায়ে কর্মসূচি ঘোষনা করার কথা থাকলেও শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর সম্মানে ও রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় নেতৃবৃন্দ সর্ব সম্মতিক্রমে আজকে কর্মসূচি ঘোষনা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

আগামী ২৬/১২/২০২৫ রোজ শুক্রবার পরবর্তি কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে ১লা জানুয়ারি হতে পে-স্কেল বাস্তবায়নের কোন দৃশ্যমান উদ্যোগ না নিলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - মতামত