a
সংগৃহীত ছবি
আদালতের আদেশ পাওয়ার পর বাংলাদেশে পাবজি, ফ্রি ফায়ারের মত ‘বিপজ্জনক’ ইন্টারনেট গেইমের লিংক বন্ধ করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।
কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমকে (ডট) এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য ‘ক্ষতিকর’ অ্যাপগুলোও বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কতগুলো অ্যাপ বন্ধ করা হবে জানতে চাইলে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, টিকটক, বিগো লাইভ ও লাইকির মত অ্যাপসহ আরো বেশ কিছু অ্যাপ বাংলাদেশে বন্ধের প্রক্রিয়া তারা শুরু করা হয়েছে।
“এখন অ্যাপগুলোর লিংক বন্ধ করলেও ভিপিএন দিয়ে চালানো যায়। এসব বন্ধ করার মত সক্ষমতা আমাদের নেই। এই সব অ্যাপের কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েও আমরা বন্ধ করার অনুরোধ জানাব।”
ফাইল ফটো
টেন বল বিলিয়ার্ড ‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস ২০২১’ এর শিরোপা জিতেছেন মুনতাসির জুবেরি। রানারআপ হলেন আল আমিন। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) গুলশানে ‘দ্য অ্যারিনা আরকেবি’তে ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
টুর্নামেন্টের আয়োজক রিয়াসাত করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের পরিচালক ফাহিম সিনহা। ‘হৃদয় অ্যান্ড উদয় মটরস’ এর পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজনের সহযোগী হিসেবে ছিল ‘মালিহা কে’।
সপ্তাহব্যাপি এই টুর্নামেন্টে মোট ১৮ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। মোট প্রাইজমানি ৩ লাখ টাকা। ট্রফি ছাড়াও চ্যাম্পিয়ন ১ লাখ ও রানারআপ পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা করে।
তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা খেলোয়াড় পেয়েছেন যথাক্রমে ৩৫ ও ২৫ হাজার টাকা। পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে থাকাদের দেয়া হয় ২০ হাজার টাকা করে।
১৫ হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছে সপ্তম ও অষ্টম স্থানে ছিলেন যারা। নবম ও দশম স্থান নিশ্চিত করা দুইজনকে দেয়া হয় ১০ হাজার টাকা করে।
‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস ২০২১’ টুর্নামেন্টে ১৮ প্রতিযোগী মোট ৭৬ ম্যাচে অংশ নেন। ‘এ’ এবং ‘বি’ গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিযোগীরা ৭২টি লিগ ম্যাচে খেলেন। এলিমিনেশন, কোয়ালিফাইং ওয়ান, কোয়ালিফাইং টু খেলার পর ফাইনালে শিরোপার লড়াই হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিলিয়ার্ড খেলাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে আগামীতে আরও বড় পরিসরে নিয়মিত এমন টুর্নামেন্ট আয়োজনের ইচ্ছা রয়েছে তাদের।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
২২ মে ২০২২ (রবিবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ এর সাথে স্পেন দূতাবাসের উপপ্রধান এমিলিয়া সেলেমিন রেদোন্দো সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এসময় আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক জনাব খন্দকার মোন্তাসির হাসান সহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব), স্পেন দূতাবাসের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পেনিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স অন্তর্ভূক্তিকরন বিষয়ে স্পেন দূতাবাসের সাথে আজ আলোচনা হয়। এর আগে গত (৩ নভেম্বর ২০২১-বুধবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এর সাথে স্পেন দূতাবাসের উপপ্রধান এমিলিয়া সেলেমিন রেদোন্দো সৌজন্য সাক্ষাতে করেন। তখনি আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পেনিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স অন্তর্ভূক্তিকরন বিষয়ে স্পেন দূতাবাসের সাথে প্রাথমিক আলোচনা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড.মোস্তফা কামাল জানান, আধুনিক ভাষা ইনষ্টিটিউট (আইএমএল) এ আজকে স্পেনিশ ভাষা চালু করার বিষয়ে স্পেন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলের সাথে মিটিং হয়েছে। তাদের একদল প্রতিনিধি আমাদের এখানে শিক্ষক হিসেবে থাকবেন এবং শিক্ষার্থীদের স্পেনিশ ভাষার ক্লাস নিবেন।
আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের পরিচালক খন্দকার মোন্তাসির হাসানের কাছে প্রতিনিধি দলের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, তারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পেনিশ ভাষার কোর্স চালু করতে আগ্রহী। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ তারা পছন্দ করেছেন। জানুয়ারি থেকে স্প্যানিশ ল্যাংগুয়েজ কোর্স চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এমিলিয়া সেলেমিন রেদোন্দো ডরমেটরি ও আই.এম.এল (জবি) ঘুরে দেখে দ্রুত স্প্যানিশ কোর্স চালুর জন্য সকল সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
খন্দকার মোন্তাসির হাসান আরও বলেন, যেসব বিদেশি ভাষার কোর্স গুলো আমরা চালু করব তা যেন সে ভাষার নেটিভ শিক্ষক দ্বারা নিতে পারি। তাহলে আমদের শিক্ষার্থীরা কোর্সে আগ্রহ পাবে। দূতাবাসের সহায়তায় আমরা যদি স্হায়ী ফ্যাকাল্টি পাই তবে অদূর ভবিষ্যতে স্প্যানিশ ল্যাংগুয়েজে অনার্স চালু করার পরিকল্পনা আছে।
আই.এম.এল এর সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. প্রতিভা রানী কর্মকার মনে করেন, এর মাধ্যমে নতুন একটি ভাষা শেখার দ্বার উন্মোচন হবে যেখানে আই.এল.এল সহ অন্যান্য ডিপার্টমেন্টগুলো এর সুবিধা পাবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মুহাইমিনুল ইসলাম রাকিব বলেন, এটা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব ভালো একটি উদ্যোগ। স্পেনিশ, ফ্রেঞ্চ, মান্দারিন(চায়নিজ), জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স থাকাটা সময়ের দাবী। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেও স্প্যানিশ শেখার প্রতি খুবই আগ্রহী। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় ডিগ্রির পাশাপাশি যাতে অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলোর মাধ্যমে ভিন্ন কিছু শিখতে ও জানতে পারে সেই ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। দেরীতে হলেও স্পেনিশ ভাষার কোর্স চালু হচ্ছে জেনে ভালো লাগলো।
আধুনিক ভাষা ইন্সটিটিউটের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রিসাত রহমান জানান,আসলে আমাদের বিভাগে বিদেশি একটি ভাষার কোর্স চালু হচ্ছে আমরা এতে আনন্দিত। আশা করি এর মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান আরো উন্নত হবে।