a পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ, আরও কয়েকটি অ্যাপ বন্ধ হবে
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ, আরও কয়েকটি অ্যাপ বন্ধ হবে


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৫ আগষ্ট, ২০২১, ০৬:১৯
পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ, আরও কয়েকটি অ্যাপ বন্ধ হবে

সংগৃহীত ছবি

আদালতের আদেশ পাওয়ার পর বাংলাদেশে পাবজি, ফ্রি ফায়ারের মত ‘বিপজ্জনক’ ইন্টারনেট গেইমের লিংক বন্ধ করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমকে (ডট) এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে পাবজি ও ফ্রি ফায়ার বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য ‘ক্ষতিকর’ অ্যাপগুলোও বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কতগুলো অ্যাপ বন্ধ করা হবে জানতে চাইলে ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, টিকটক, বিগো লাইভ ও লাইকির মত অ্যাপসহ আরো বেশ কিছু অ্যাপ বাংলাদেশে বন্ধের প্রক্রিয়া তারা শুরু করা হয়েছে।

“এখন অ্যাপগুলোর লিংক বন্ধ করলেও ভিপিএন দিয়ে চালানো যায়। এসব বন্ধ করার মত সক্ষমতা আমাদের নেই। এই সব অ্যাপের কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েও আমরা বন্ধ করার অনুরোধ জানাব।”
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ভারতের সংসদীয় কমিটি ভিপিএন বন্ধের দাবি জানালো


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৫২
ভারতের সংসদীয় কমিটি ভিপিএন বন্ধের দাবি জানালো

ফাইল ছবি

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ভিপিএন ব্যবহার হয় ভারতে। এরফলে ভিপিএন নিষিদ্ধ করতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তারা বলছেন, ভিপিএন অ্যাপ ব্যবহার করে অপরাধীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে অনলাইনে থাকছেন। তাই এটা বন্ধ করা অতীব জরুরী। 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, অ্যাটলাস ভিপিএন-এর মতে বিশ্বে সবচেয়ে ভিপিএন ব্যবহার হয় ভারতে। দেশটিতে পাবজি গেম নিষিদ্ধের পরে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠে ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ‘ভিপিএন’। এই অ্যাপ ও টুলের সহায়তা নিয়ে অনেকেই চলে যাচ্ছেন নিষিদ্ধ হওয়া ওয়েবসাইটে। জনপ্রিয় ভিপিএন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম নর্ড ভিপিএন, এক্সপ্রেস ভিপিএন ও আইপি ভ্যানিশ।

রাজ্যসভায় জমা দেওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিপিএন ব্যবহার করে দেশের সাইবার নিরাপত্তার সমস্ত বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাচ্ছেন অপরাধীরা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে এর মাধ্যমে বড় ধরনের অপরাধ হতে পারে।  

ভিপিএন পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে দেশটির বিশেষজ্ঞরা জানান, অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ভিপিএন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ কিংবা হ্যাকারদের কাছ থেকে কি তা নিরাপদ হবে? সেটাই এখন ভাবনার বিষয়। 
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বয়সের ফাঁদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীরা


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মু্ক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৪, ০৭:৪৭
বয়সের ফাঁদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীরা

২০২০ সালের জানুয়ারী মাসে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের আবেদনের বিজ্ঞাপন বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ(এন টি আর সি এ) প্রকাশ করে। এই পরীক্ষাটি ২০২০ সালের ১৫ই এপ্রিল ও ১৬ই এপ্রিল নেয়ার কথা ছিল। করোনা মহামারীর কারণে পরীক্ষার সময় ১ বছর পেছানোর পরেও তারা ২০২১ সালেও পরীক্ষা নিতে গড়িমসি করে। এরপর দফায় দফায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেয়ার পরেও তাদের টনক নড়েনি।

পরবর্তীতে পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও বিভিন্ন টিভি চ্যানেলসহ বিশেষ করে সময় টিভিতে সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন তৎকালিন এন টি আর সি এ চেয়ারম্যান ও পরিচালক ও ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার্থীদের পক্ষে জসীমউদ্দিন, অভি খানসহ আরো অনেকে লাইভ ভিডিওতে বক্তব্য দেন এবং সেটা অনেক ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলে। পরবর্তীতে আরো প্রায় ২ বছর বিলম্ব হওয়ার পর সর্বশেষ ২০২২ সালের ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর স্কুল ও কলেজ শাখার প্রিলি পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও ভাইভা হতে হতে আরো এক বছর বিলম্বিত হয়।

অবশেষে আমাদের চূড়ান্ত ফলাফল ২০২৩ এর ২৮ এ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। এই ফলাফলে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের মধ্যে অনেকেরই বয়স ৩৫ পেরিয়ে গেছে। অথচ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছর। ফলাফল প্রদানে বিলম্বিত হওয়ায় ও ইচ্ছাকৃতভাবে এন টি আর সি এ এর দায়িত্বে অবহেলার কারণে আজ ৩৫+ ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের ভবিষ্যৎ জীবন হুমকীর মুখে।

অথচ করোনাকালীন সময়ে সরকারী চাকরির বয়স ২ বছর বাড়িয়ে ৩২ করা হয়েছে। করোনার পরবর্তী ৪র্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের ৩৯ মাসের ব্যাকডেট দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৭তম নিবন্ধনধারীরাও ব্যাকডেট পাওয়ার প্রকৃত দাবিদার এবং কমপক্ষে ৪ বছরের ব্যাকডেট দিতে হবে। কারণ ১৭তম নিবন্ধনধারীরাই করোনার প্রকৃত ভূক্তভোগী। তাহলে এই ব্যাচ কেন সমান অধিকার পাবে না।

এই বিষয়ে ৩৫+ ১৭তম নিবন্ধনধারীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ ইয়াসিন আরাফাত খান খাদেম, উত্তম কুমার দে, হায়েদুজ্জামান খান, ডি,এম, হারিসসহ অনেকে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook