a
ফাইল ছবি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, মিডিয়ায় আমার বক্তব্য কাটপিস করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীকে সামনে রেখে হঠাৎ করে কেন আমাকে টার্গেট করা হলো আমি জানি না। আমার নামে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে তা আমার নয়। এর দায়িত্ব আমার এবং আমার দলের নয়।
আজ বিকেল তিনটায় শাহজাহানপুরে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ১৭ এপ্রিলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করেছে এই সংবাদ সম্মেলনে ডাকতে। বিএনপির বিরুদ্ধে যত কথা দরকার লেখা যাবে কিন্তু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লেখা যাবে না। সংবাদপত্রের এমন স্বাধীনতা জিয়াউর রহমান দেননি। আধা ঘণ্টার মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়া এটাও একটা ষড়যন্ত্র।
‘বিএনপি নেতারা ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে আমি স্থায়ী কমিটির সদস্য এমন কথা বলতে পারি? আমি এমন কোনো কথা বলিনি। আমার বক্তব্য কাটপিস করে সামনের অংশ পেছনের অংশ বাদ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছে মতো লেখা লিখেছে। হঠাৎ মিডিয়া কেন আমাকেই টার্গেট করে এ ধরনের কাজ করলো তা আমি জানি না।’
ফাইল ফটো: আবদুল কাদের মির্জা
নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এপিএস মহিতুলকে দিয়ে তার স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদের সব খাত থেকে চাঁদা সংগ্রহ করেন। এই চাঁদার টাকার একটি অংশ প্রশাসনের লোকজনকে, একটি অংশ লন্ডনে তারেক জিয়ার জন্য পাঠান এবং অবশিষ্ট টাকা মন্ত্রীর স্ত্রী রেখে দেন।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেবের স্ত্রী আজ নিজাম হাজারী, একরাম চৌধুরীর সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করছেন। ঢাকা থেকে প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করছে জাহাঙ্গীর নামে এক ছেলে। সে মন্ত্রণালয়ের বিআরটিএ লুটপাট করে খাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদা নিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে। জাহাঙ্গীর এবং জুয়েল মন্ত্রীর স্ত্রীর নির্দেশে এসব করছে। এদের সঙ্গে ঢাকার ব্যবসায়ী নাজমুল হক নাজিম, উপজেলা চেয়ারম্যার মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, ইস্কান্দার মির্জা শামীমও রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত দেড় মাস যাবত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের বিরোধ চলছে। এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে এক অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে দুইপক্ষের দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর আগে ৯ মার্চ সিএনজিচালক ও শ্রমিক লীগ কর্মী আলাউদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন আরও অর্ধশতাধিক। এসব বিষয়ে আরেক সংঘর্ষে সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির নিহত হন। উৎস: যুগান্তর
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের দলে অবহেলিত ও ত্যাগী নেতাদের উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ‘নৌকা মঞ্চ’ নামে সংগঠনের আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেয়।
শনিবার চুয়াডাঙ্গা প্রেস ক্লাবে কাওছার আহম্মেদ বাবলুর সভাপতিত্বে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন, ‘নৌকা মঞ্চ’ সংগঠনের সভাপতি ও সাবেক ভাংবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাওছার আহমেদ বাবলু। তিনি বলেন, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগকে পারিবারিক দলে পরিণত করা হয়েছে। দলে আগমন ঘটেছে হাইব্রিড নেতাদের। বিএনপি সমর্থক গোষ্ঠী ঢুকে পড়েছে জেলা আওয়ামী লীগে। ফলে মূলধারার রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েছেন ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের তিনি জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়েছেন। স্থানীয় নির্বাচনেও পরিবারের সদস্যদের নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করিয়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থনও দেওয়া হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এর প্রত্যক্ষ সাক্ষী।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি। খুদে বার্তা পাঠালেও সাড়া মেলেনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আওয়ামী লীগের ত্যাগী, নির্যাতিত, পদবঞ্চিত নেতাকর্মীকে নিয়ে ‘নৌকা মঞ্চ’ নামে সংগঠনের আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন। ৭১ সদস্যবিশিষ্ট সংগঠনের সভাপতি কাওছার আহমেদ বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান। সূত্র: সমকাল