a
ফাইল ছবি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, মিডিয়ায় আমার বক্তব্য কাটপিস করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীকে সামনে রেখে হঠাৎ করে কেন আমাকে টার্গেট করা হলো আমি জানি না। আমার নামে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে তা আমার নয়। এর দায়িত্ব আমার এবং আমার দলের নয়।
আজ বিকেল তিনটায় শাহজাহানপুরে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, ১৭ এপ্রিলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি আমাকে বাধ্য করেছে এই সংবাদ সম্মেলনে ডাকতে। বিএনপির বিরুদ্ধে যত কথা দরকার লেখা যাবে কিন্তু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লেখা যাবে না। সংবাদপত্রের এমন স্বাধীনতা জিয়াউর রহমান দেননি। আধা ঘণ্টার মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়া এটাও একটা ষড়যন্ত্র।
‘বিএনপি নেতারা ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে আমি স্থায়ী কমিটির সদস্য এমন কথা বলতে পারি? আমি এমন কোনো কথা বলিনি। আমার বক্তব্য কাটপিস করে সামনের অংশ পেছনের অংশ বাদ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছে মতো লেখা লিখেছে। হঠাৎ মিডিয়া কেন আমাকেই টার্গেট করে এ ধরনের কাজ করলো তা আমি জানি না।’
সংগৃহীত ছবি: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের দলীয় প্রতীক
সম্প্রতি দেশের ১১ জন বিশিষ্ট নাগরিক হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে যে বিবৃতি দিয়েছেন তা ‘অমানবিক ও উস্কানিমূলক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
আজ বুধবার বিকেলে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, দেশপ্রেমিক ও ধর্মপ্রাণ প্রতিবাদী জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে একদল গণবিচ্ছিন্ন তথাকথিত বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতিকে আমরা অমানবিক, উস্কানিমূলক ও গণবিরোধী বলে আখ্যায়িত করছি। এই বিবৃতি স্বৈরতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদের নির্লজ্জ দালালির প্রমাণ বহন করে।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের আহ্বানে দেশব্যাপী পালিত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও হরতালের কর্মসূচি চলাকালে প্রতিবাদকারী আলেম সমাজ, মাদ্রাসার ছাত্র ও ধর্মপ্রাণ মানুষদের ওপর বিনা উস্কানিতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালানোর পর তীব্র গণপ্রতিরোধ গড়ে ওঠে।
পুলিশের গুলিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা না জানিয়ে তারা একতরফাভাবে প্রতিবাদী জনতার গণপ্রতিরোধকে তথাকথিত ‘তাণ্ডব’ আখ্যা দিয়ে গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আপনারা এতই অন্ধ যে, আপনাদের বিবৃতিতে পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়া ১৭ জন নাগরিকের প্রতি কোনো ধরনের মানবিক সমবেদনা প্রকাশ করেননি। বরং আপনারা বিবেক-বুদ্ধি জলাঞ্জলি দিয়ে দালালির নজরানা পেশ করেছেন। প্রতিবাদী ধর্মপ্রাণ গণমানুষের ওপর ‘সর্বশক্তি প্রয়োগের' আহ্বান জানিয়ে প্রকারান্তরে ক্ষমতাসীনদের মানুষ হত্যার উৎসাহ দিয়েছেন।
এজন্য ভবিষ্যতে আপনাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ফাইল ছবি
রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূক বক্তব্যের অভিযোগে মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছে র্যাব। র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার উপ-পরিচালক মেজর রইসুল আজম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, আজ দুপুরে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম-মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক তার মুক্তির দাবি জানিয়ে ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে মামুনুল হক লিখেছেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী RAB এর নিরাপত্তায় আছে মর্মে নিশ্চিত হয়েছি। অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করছি!