a ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন
ঢাকা বুধবার, ১৫ মাঘ ১৪৩২, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ০২ আগষ্ট, ২০২১, ০৬:২৪
ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন

সংগৃহীত ছবি

বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আমানউল্লাহ আমানকে আহ্বায়ক এবং আমিনুল হককে সদস্য সচিব করে দল ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর আহ্বায়ক কমিটি:
১. আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান
২. যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলী নকি, গুলশান
৩. যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, তেজগাঁও
৪. যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন, মোহাম্মদপুর
৫. যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, বিমানবন্দর
৬. যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি, সাবেক কাউন্সিলর
৭. যুগ্ম আহ্বায়ক এ জি এম শামসুল হক, বাড্ডা
৮. যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মতি, কাফরুল
৯. যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, ভাটারা
১০. যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, খিলক্ষেত
১১. যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, তুরাগ
১২. সদস্য সচিব আমিনুল হক রুপনগর
১৩. সদস্য তাবিথ আউয়াল, গুলশান
১৪. সদস্য ফয়েজ আহমেদ ফরু, রামপুরা
১৫. সদস্য শাহিনুর আলম মারফত, খিলক্ষেত
১৬. সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসেম, আদাবর
১৭. সদস্য মাহফুজুর রহমান, বাড্ডা
১৮. সদস্য আলাউদ্দিন সরকার টিপু, বিমানবন্দর
১৯. সদস্য তুহিনুল ইসলাম তুহিন, বাড্ডা
২০. সদস্য হাফিজুর রহমান ছাগির, উত্তরা পশ্চিম
২১. সদস্য সোহেল রহমান, মোহাম্মদপুর
২২. সদস্য এ্যাড: মো. আক্তারুজ্জামান, আদাবর
২৩. সদস্য আবুল হোসেন আব্দুল, মিরপুর
২৪. সদস্য মো. শাহ্ আলম, শেরে-বাংলানগর
২৫. সদস্য এল রহমান, তেজগাঁও
২৬. সদস্য আফাজ উদ্দিন, উত্তরা পশ্চিম
২৭. সদস্য আহসান হাবিব মোল্লা, উত্তর খান
২৮. সদস্য সালাম সরকার, উত্তরা পূর্ব
২৯. সদস্য গোলাম কিবরিয়া মাখন, ভাষাণটেক
৩০. সদস্য এ বি এম রাজ্জাক, মিরপুর
৩১. সদস্য তারিকুল ইসলাম তালুকদার, ক্যান্টনমেন্ট
৩২. সদস্য হাজী মো. ইউসুফ, মোহাম্মদপুর
৩৩. সদস্য আলী আকবর আলী, দক্ষিণ খান
৩৪. সদস্য আহসান উল্লা চৌধুরী হাসান, কাফরুল
৩৫. সদস্য মিজানুর রহমান বাচ্চু, বনানী
৩৬. সদস্য হুমায়ন কবির রওশন, শাহ আলী
৩৭. সদস্য আমজাদ হোসেন মোল্লা, রূপনগর
৩৮. সদস্য রেজাউর রহমান ফাহিম, বনানী
৩৯. সদস্য মাহবুব আলম মন্টু, পল্লবী
৪০. সদস্য হাফিজুর হাসান শুভ্র, দারুস-সালাম
৪১. সদস্য জাহাঙ্গীর মোল্লা, বাড্ডা
৪২. সদস্য আজহারুল ইসলাম সেলিম, ভাটারা
৪৩. সদস্য শফিকুল ইসলাম শাহিন, গুলশান
৪৪. সদস্য আফতাব উদ্দিন জসিম, শেরে-বাংলানগর
৪৫. সদস্য মো. হানিফ মিয়া শাহ্ আলী
৪৬. সদস্য মো. মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল
৪৭. সদস্য মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, মিরপুর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইতিহাসের মোড় ঘোরানো মুহূর্তসমূহ: প্রফেসর ড. শেখ আকরাম আলী


ড শেখ আকরাম আলী, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:০১
ইতিহাসের মোড় ঘোরানো মুহূর্তসমূহ প্রফেসর ড শেখ আকরাম আলী

ছবি: সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসের মোড়ঘোরানো মুহূর্তসমূহ একটি জাতির রূপ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট এলাকা বা দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার উপর। দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ ইতিহাসের এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা তাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। উদাহরণস্বরূপ, দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে মুসলমানদের বিজয়ী হিসেবে আগমন এবং পরবর্তীকালে শাসক হিসেবে এই ভূখণ্ডে বসবাস শুরু, যা চলতে থাকে ১৭৫৭ সালে পলাশীর তথাকথিত যুদ্ধে ব্রিটিশদের দ্বারা বাংলা দখল পর্যন্ত। এই ১৭৫৭ সালকে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো বছর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলমানরা তাদের ক্ষমতা হারায় এবং সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগীতে পরিণত হয়। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের প্রতিক্রিয়ায় তারা চরম নিপীড়নের শিকার হয়, যদিও হিন্দুরাও ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। এই ১৮৫৭ সালও ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত। ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ব্রিটিশ সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলমানদের সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়নি। কিন্তু বিশ শতকের শুরুতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে, যখন ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠিত হয়। এই ১৯০৬ সালকেও ভারতের মুসলমানদের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো বছর হিসেবে দেখা হয়। ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।

১৯১৩ সালে মুসলিম লীগ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নেতা হিসেবে পেয়ে সৌভাগ্য অর্জন করে, যদিও ১৯১৫ সালের জানুয়ারিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত হন। আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু গ্র্যাজুয়েট মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে জিন্নাহর হাত শক্তিশালী করেন। অল্প সময়েই জিন্নাহ ভারতের মুসলমানদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। এক সময় তিনি হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন, কিন্তু কংগ্রেস নেতাদের মনোভাব তাকে বুঝতে বাধ্য করে যে, হিন্দু মহাসভার অধীনে ভারতের মুসলমানদের অধিকার নিরাপদ নয়। ১৯২৩ সালের শুরুতে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর বিখ্যাত দ্বিজাতি তত্ত্ব ঘোষণা করেন এবং বলেন, ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দৈনন্দিন জীবনে মুসলমানরা হিন্দুদের থেকে আলাদা। এই তত্ত্ব ভারতের মুসলিম জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন প্রথম ভারতীয় সরকার গঠিত হয়, যা জিন্নাহকে স্পষ্ট করে দেয় যে, মুসলমানদের জন্য পৃথক মাতৃভূমির কথা ভাবা ছাড়া উপায় নেই। ফলে ১৯৪০ সালে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যেখানে মুসলিম রাষ্ট্রের দাবি তোলা হয়। এটিও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

পাকিস্তানের জন্মকে ভারতীয় মুসলমানদের প্রায় দুই শত বছরের সংগ্রামের ফলাফল হিসেবে দেখা হয় এবং ১৯৪৭ সালকে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো বছর হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু পাকিস্তান শুরুর থেকেই অভ্যন্তরীণ ও বহিঃশত্রুতার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়। ভারত প্রথম থেকেই পাকিস্তানের বিরোধী হয়ে ওঠে এবং তা ভাঙার জন্য বদ্ধপরিকর ছিল।

ইয়াহিয়া খানের সামরিক সরকার পূর্ব পাকিস্তানে সাধারণ মানুষের ওপর সেনা অভিযান চালিয়ে ভারতের জন্য এক ‘সুবর্ণ সুযোগ’ তৈরি করে এবং ভারত এই সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগায়, যার জন্য তারা বহুদিন অপেক্ষায় ছিল। বাংলাদেশের জন্ম ঘটে ভারতের সামরিক সহায়তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের নেতারা নিজেদের স্বার্থে ভারতের সাথে একটি সাত দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা বাংলাদেশের জন্মকে ত্বরান্বিত করে কিন্তু তাকে চিরস্থায়ী দাসত্বের দিকে ঠেলে দেয়। এভাবেই ১৯৭১ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি মোড়ঘোরানো বছর হয়ে ওঠে।

জনগণ দ্রুতই বুঝে যায় যে তারা নিজেদের নেতাদের এবং ভারতের আধিপত্যবাদী রাজনীতির দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। যে নেতা গণতন্ত্রের জন্য লড়েছিলেন, তিনিই নিজের হাতে তা ধ্বংস করেন এবং এর জন্য চরম মূল্যও দেন। ভারতের আধিপত্যবাদী রাজনীতির গতি স্তব্ধ হয় ১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিবের পতনের মাধ্যমে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

নভেম্বর ১৯৭৫-এ সিপাহী-জনতার নেতৃত্বে একটি বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের উত্থান ঘটে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ জিয়াউর রহমানের আনা পরিবর্তনে সন্তুষ্ট হন। কিন্তু তার মর্মান্তিক মৃত্যু আবারো ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ এনে দেয়।

১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদের পতন রোধ করা যায়নি এবং খালেদা জিয়ার ক্ষমতায় আরোহন ঘটে। এসময় ভারত সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত শেখ হাসিনার প্রথম সরকারে আবারও সাফল্য পায়। 

মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমেরিকার সহযোগিতায় ভারতকে আবারো বাংলাদেশে প্রকাশ্য রাজনৈতিক খেলা খেলার সুযোগ দেয়। আমরা বাঙালি মুসলমানরা পুনরায় শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন এবং ভারতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার হই। ভারত বাংলাদেশকে নিজের উপনিবেশ মনে করতে শুরু করে।

কয়েক শত প্রাণের ত্যাগ ও কয়েক হাজার মানুষের অজানা দুঃখ-কষ্ট জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনে দেয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের এই পরিবর্তনের সুযোগ দিয়েছেন, এবং তা পুরোপুরি নির্ভর করছে আমাদের আন্তরিকতার উপর। আমরা যদি এই ট্রেন মিস করি, তবে তা চিরতরে হারিয়ে যাবে। জুলাই বিপ্লব ২০২৪ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো মুহূর্ত হিসেবে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

জনগণ, রাজনৈতিক দল এবং সরকারকে এটি উপলব্ধি করতে হবে এবং জুলাই বিপ্লবকে জাতির সর্বশেষ রাজনৈতিক মোড়ঘোরানো ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। জাতিকে দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং সরকারের উদ্যোগকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গুলিবিদ্ধ হয়ে মাওলানা তারিক জামিলের ছেলের মৃত্যু, পুলিশ বলছে আত্বহত্যা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:২৬
গুলিবিদ্ধ হয়ে মাওলানা তারিক জামিলের ছেলের মৃত্যু, পুলিশ বলছে আত্বহত্যা

ফাইল ছবি

পাকিস্তানের জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি আলোচক মাওলানা তারিক জামিলের ছেলে আসিম জামিল মারা গেছেন, পুলিশ বলছে আত্মহত্যা করেছেন। নিজ বাসায় গুলি চালিয়ে নিজে মৃত্যুবরণ করেন বলে জানানো হয়। খবর জিও টিভির

রোববার (২৯ নভেম্বর) পাঞ্জাবের খানেওয়াল জেলায় তিনি আত্মহত্যা করেন।

ছেলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মাওলানা তারিক জামিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমার ছেলে তালম্বাতে (পাঞ্জাবের খানেওয়াল) ইন্তেকাল করেছেন। এ শোকাবহ পরিস্থিতিতে আপনাদের কাছে অনুরোধ আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত দান করেন।

পাকিস্তানের মুলতানের আঞ্চলিক পুলিশ কর্মকর্তা (আরপিও) সোহাইল চৌধুরী জানান, তারা একটি সিসিটিভির ফুটেজ উদ্ধার করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে আসিম জামিল আত্মহত্যা করেছেন।

পাঞ্জাবের আইজিপি ড. উসমান আনোয়ার মুলতান পুলিশকে ফরেনসিক রিপোর্টের আলোকে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।

সোহাইল চৌধুরী আরও বলেন, আসিম একজন মানসিক রোগী ছিলেন। বহু বছর ধরে তিনি চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তিনি ৩০-বোর পিস্তল দিয়ে গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি তার গৃহকর্মী ইমরানকে পিস্তল আনতে বলেন। যখনই ইমরান তাকে পিস্তল এনে দেন, তখন সে পিস্তলটি নিজের বুকে ঠেকায়। এ সময় ওই গৃহকর্মী তাকে গুলি চালাতে নিষেধ করলেও তা শুনেননি। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - রাজনীতি