a
সংগৃহীত ছবি
বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার নির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪৯ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আবদুস সালামকে। আর রফিকুল আলম মজনুকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সোমবার এই কমিটির অনুমোদন দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি
০১ আহ্বায়ক আবদুস সালাম
০২ যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্ল্যাহ নবী, যাত্রাবাড়ী
০৩ যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, খিলগাঁও
০৪ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোহন, কোতয়ালী
০৫ যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন খোকন, লালবাগ
০৬ যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সাত্তার, সূত্রাপুর
০৭ যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, কলাবাগান
০৮ যুগ্ম আহ্বায়ক আ. ন. ম সাইফুল ইসলাম, শ্যামপুর
০৯ যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশিদ হারুন, মতিঝিল
১০ যুগ্ম আহ্বায়ক তানভীর আহমেদ রবিন, কদমতলী
১১ যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদ স্বেচ্ছাসেবক দল
১২ যুগ্ম আহ্বায়ক এস. কে সেকেন্দার কাদির, পল্টন
১৩ যুগ্ম আহ্বায়ক মনির হোসেন চেয়ারম্যান, কামরাঙ্গীরচর
১৪ সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, শান্তিনগর
১৫ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন
১৬ সদস্য ফরিদ উদ্দিন, সূত্রাপুর
১৭ সদস্য গোলাম হোসেন, সবুজবাগ
১৮ সদস্য সাব্বির হোসেন আরিফ, গোপীবাগ
১৯ সদস্য এডভোকেট ফারুকুল ইসলাম, খিলগাঁও
২০ সদস্য মকবুল হোসেন টিপু, গেন্ডারিয়া
২১ সদস্য আবদুল হান্নান, শাহবাগ
২২ সদস্য আরিফুর রহমান নাদিম, বংশাল
২৩ সদস্য আনোয়ার হোসেন বাদল, চকবাজার
২৪ সদস্য কে. এম জুবায়ের এজাজ, ধানমন্ডি
২৫ সদস্য ফরহান হোসেন, যাত্রাবাড়ী
২৬ সদস্য লতিফ উল্লাহ জাফরু, বংশাল
২৭ সদস্য এডভোকেট মকবুল হোসেন সর্দার, নিউ মার্কেট
২৮ সদস্য মোহাম্মদ আলী চায়না, মুগদা
২৯ সদস্য আবদুল আজিজ, হাজারীবাগ
৩০ সদস্য জামিলুর রহমান নয়ন যুবদল
৩১ সদস্য হাজী শহিদুল ইসলাম বাবুল, চকবাজার
৩২ সদস্য আকবর হোসেন নান্টু, ডেমরা
৩৩ সদস্য শামছুল হুদা কাজল, মুগদা
৩৪ সদস্য সাইদুর রহমান মিন্টু দপ্তর
৩৫ সদস্য এস এম আব্বাস, পল্টন
৩৬ সদস্য লোকমান হোসেন ফকির, পল্টন
৩৭ সদস্য জুম্মন হোসেন চেয়ারম্যান, দনিয়া
৩৮ সদস্য ফজলে রুবায়েত পাপ্পু, শাহজাহানপুর
৩৯ সদস্য আবদুল হাই পল্লব, ডেমরা
৪০ সদস্য এডভোকেট মহি উদ্দিন চৌধুরী
৪১ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা ছাত্রদল
৪২ সদস্য সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন ছাত্রদল
৪৩ সদস্য ওমর নবী বাবু, গেন্ডারিয়া
৪৪ সদস্য আবুল খায়ের লিটন, হাজারীবাগ
৪৫ সদস্য নাছরিন রশিদ পুতুল মহিলা কমিশনার
৪৬ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন ছাত্রদল
৪৭ সদস্য হাজী নাজিম, কোতয়ালী
৪৮ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারী, নিউমার্কেট
৪৯ সদস্য জামশেদুল আলম শ্যামল, যাত্রাবাড়ী
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিঠামইন) নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর হামলা, নির্যাতন, প্রাণ নাশের হুমকির প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশে একমাত্র বিতর্কিত ব্যক্তি এ্যড. ফজলুর রহমানের প্রাথমিক মনোনয়ন বাতিলের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহিম মোল্লা, সাবেক জেলা প্রশাসকসহ কিশোরগঞ্জ-৪ নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মীরা।
আজ ১১ নভেম্বর ২০২৫ সকালে রাজধানী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, আমি বিএনপির একজন কর্মী এবং মনোনয়ন প্রত্যাশী। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। পড়াশুনো শেষ করে একটি কলেজে প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। কিছুদিন পর ১৯৮৫ ব্যাচে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদানের কারণে সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম না। চাকরীকালীন সময়ে একপর্যায়ে আমি ঠাকুরগাঁও জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে এবং কুড়িগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু একসময়ে দলের প্রতি আনুগত্য থাকার বিষয়ে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের নজরে আসার পর দীর্ঘদিন ওএসডি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরীজীবন অতিবাহিত করি এবং ২০১৬ সালে অবসরে যাই। অবসরে যাওয়ার পর সরাসরি রাজনীতিতে পুনরায় সক্রিয় হই। ৫ই আগষ্টের পূর্ববর্তী সময়ে দলের নির্দেশে ঢাকার কেন্দ্রীয় প্রোগ্রাম, জেলার প্রোগ্রাম সহ ময়মনসিংহ টু কিশোরগঞ্জ রোডমার্চ, ভোট বর্জন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করি এবং সময়ে সময়ে দলীয় নির্দেশনা পালন করে যাচ্ছি।
অপরদিকে এ্যাড. ফজলুর রহমানের পরিচিতি সম্পর্কে আপনারা অনেকে ওয়াকিবহাল থাকলেও তাঁর সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট ভাবে কতিপয় বিষয় আপনাদের নিকট পেশ করছি। তিনি একসময় আওয়ামীলীগের আশ্রয়ে থেকে বাকশালের আশ্রয়ে ছিলেন। পরে আবার বাকশাল থেকে আওয়ামী রাজনীতিতে ফিরে আসেন। পরবর্তী ধাপে তিনি কিশোরগঞ্জ-৪ এলাকায় ১৯৯৬ সালে টেলিভিশন মার্কায় স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন। অন্য একটি সময়ে কিশোরগঞ্জ নির্বাচনী-২ এলাকা থেকে পিঁড়ি মার্কায় স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন এবং ২০০১ সালে কৃষক শ্রমীক জনতা লীগ থেকে গামছা মার্কায় কিশোরগঞ্জ নির্বাচনী এলাকা ৪ থেকে নির্বাচন করেন এবং ২০০৬ সালে বিএনপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ান ইলেভেনের সময় ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরাইশী এর সাথে কিংস পার্টি তৈরীতে সম্পৃক্ত হন এবং মাইনাস টু ফর্মুলার পরিকল্পনায় যুক্ত হন।
২০০৮ সালে বিএনপিতে যোগদান করার পর একপর্যায়ে জেলা কমিটির সভাপতি হলে টেলিভিশন, গামছা ও লীগের ঐসব সহকর্মীরাই (দুয়েকজন ব্যতীত) বিএনপির উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিতে প্রধান হয়ে উঠেন । ফলে বিএনপিতে বিগত ৩টি নির্বাচনে যেসব বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছিলেন যেমন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, সাবেক সচিব জহির উদ্দিন ভূঁইয়া এবং ইঞ্জি. ইমদাদুল হক সাহেবের সাথে কাজ করেছিলেন ফজলুর রহমানের কমিটিতে এদের কারোর স্থান হয় নাই। ফলে ফজলুর রহমানের দেওয়া কমিটিগুলোর পকেট কমিটি হিসেবে সারা এলাকায় পরিচিতি লাভ করে বলে জেলা নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে জানা যায়। ফলশ্রুতিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা আমার উপর আস্থা রেখে এখনও টিকে আছে। একারনেই আজকে ফজলুর রহমানের নাম প্রাথমিক তালিকায় আসার পর ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিঠামইন এ অত্যাচারের মাত্রা আতঙ্কে রূপ নিয়েছে।
উল্লেখ করার মত যে, ফজলুর রহমান বিগত ১৬ বছরে এলাকায় বিএনপির কোন রাজনৈতিক প্রোগ্রামে যাননি এবং দলীয় নির্দেশনাও পালন করেননি। এমনকি ১৬ বছরে কেন্দ্রীয় অফিসে কতবার যোগাযোগ রেখেছেন তাও সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শীরা জানেননা। আপনারা জানেন এ্যাড. ফজলুর রহমানের অন্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা স্থান পায়নি। আওয়ামীলীগ তার প্রাণ, বঙ্গবন্ধু তার ধ্যান, ৩২ নম্বর তার জ্ঞান, জয়বাংলা তার শ্লোগান। এ বিষয়ে তার টকশো, বক্তৃতা, বিবৃতি, ইউটিউব এবং এতদ্বসংক্রান্ত কার্যকলাপ শুধু ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিঠামইন নয় সারা বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে ও দেখছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যখন ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক বের করে দেওয়া হয়, অথবা যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম উপাধী কেড়ে নেওয়া হয় তখন ফজলুর রহমান বোধ হয় ঘুমিয়ে থাকেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে, এ্যাড. ফজলুর রহমানের নয়ন কুকীর্তি তুলে ধরেন আবদুর রহিম মোল্লা। তিনি আরো বলেন, এলাকার বিভিন্ন খাস জমি দখল, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির পায়তারা, বিশাল আকারের ফিসারি কার্যক্রম, মামলা বানিজ্য ও নগ্ন চাঁদাবাজি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বড় ব্যবসায়ীগণ এর সাথে দ্বন্দ্ব, নিজের নামে বাড়ি গাড়ি, কোটি টাকার গাড়ীতে চলাচলসহ আরো অনেক কর্মকান্ডের কথা বলেন।
যেহেতু ফজলুর রহমান নিজে আওয়ামীলীগের ভক্ত, আওয়ামীলীগ তার প্রাণ, বঙ্গবন্ধু তার ধ্যান, ৩২ নম্বর তার জ্ঞান, জয়বাংলা তার শ্লোগান এবং জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক নন শেখ মুজীবের ঈশারায় দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে বিশ্বাস করেন এবং বিএনপির নীতি আদর্শে বিশ্বাসী নয় সেহেতু এলাকাবাসী ধরে নিয়েছে যে এলাকায় সন্ত্রাস, দুর্নীতি, হত্যা, নির্যাতনের শিকার হবে বিএনপির নেতাকর্মীবৃন্দ। তাই এলাকাবাসীর প্রশ্ন ফজলুর রহমানের মত ব্যক্তিকে কিশোরগঞ্জ-৪ এর জন্য মনোনয়ন দিলে বিএনপি কর্মী ও গরীব হাওড়বাসী কি শান্তিতে থাকবে? না এলাকা ছেড়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসী হবে? কাজেই তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিকট এর প্রতিকার দাবী করেছে। এমতাবস্থায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে নিরাপদ কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা- অষ্টগ্রাম-মিঠামইন) হাওড় এলাকায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নের স্বার্থে এ্যাড. ফজলুর রহমানের প্রাথমিক মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা পূর্বক স্থগিতের জন্য হাওড়বাসীর পক্ষে সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
ফাইল ছবি: কমলাপুর ষ্টেশন
গাজীপুরের জয়দেবপুরে ট্রেন দুর্ঘটনার পর থেকে শুরু হওয়া শিডিউল জটিলতা চলছে তৃতীয় দিনে। ঢাকা থেকে ট্রেনের শিডিউল সময়ে চলাচল করতে আরও ২/১ দিন লাগতে পারে।
আজ রবিবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান ঢাকা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, ট্রেনের শিডিউল সময়ে চলাচল করতে আরও ২/১ দিন লাগতে পারে।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে পদ্মা সেতু অভিমুখী চলা সুন্দরবন এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস, নকশীকাঁথা ও মধুমতী এক্সপ্রেস সঠিক সময়ে চলছে। চট্টগ্রাম রুটের ননস্টপ সোনার বাংলা ও সুবর্ণ এক্সপ্রেসও যথাসময়ে চলছে।
এছাড়া ঢাকা থেকে সব ট্রেনই দেরিতে ছাড়ছে। তবে শনিবারের চেয়ে শিডিউল জটিলতা অনেকটা কমে আসছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন