a মহানগরে বিএনপির সমাবেশ, সতর্ক পাহারায় আওয়ামী লীগ
ঢাকা শনিবার, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২, ৩০ আগষ্ট, ২০২৫
https://www.msprotidin.com website logo

মহানগরে বিএনপির সমাবেশ, সতর্ক পাহারায় আওয়ামী লীগ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০২৩, ১১:০৩
মহানগরে বিএনপির সমাবেশ, সতর্ক পাহারায় আওয়ামী লীগ

ফাইল ছবি

আজ শনিবার যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজধানীসহ সব মহানগরে একযোগে সমাবেশ করবে বিএনপি । সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে হবে এ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। সমাবেশ সফল করতে দফায় দফায় বৈঠক করে যাচ্ছেন নেতারা। ১২ সাংগঠনিক মহানগরে আজ বেলা ২টা থেকে শুরু হবে সমাবেশ।

এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে সমাবেশ হবে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। এতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস থাকবেন। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, খুলনায় ড. আবদুল মঈন খান, কুমিল্লায় নজরুল ইসলাম খান, চট্টগ্রামে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রংপুরে বেগম সেলিমা রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন। বরিশালে থাকবেন ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, সিলেটে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গাজীপুরে বরকত উল্লাহ বুলু, ফরিদপুরে মো. শাহজাহান, রাজশাহীতে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও ময়মনসিংহে শামসুজ্জামান দুদু।

কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে সাংগঠনিক মহানগরে পাঠানো এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মহানগরের সব কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য ও মেয়র অতিথি হিসেবে থাকবেন।

এদিকে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপির সঙ্গী জোটগুলো আজ রাজধানীতে সমাবেশ করবে। গণতন্ত্র মঞ্চ, এলডিপি, ১২-দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণফোরাম (মন্টু) ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ও সমমনা পেশাজীবী গণতান্ত্রিক জোটও পৃথকভাবে বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করার কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে বিএনপির সমাবেশের দিনে মহানগরগুলোতে আওয়ামী লীগ থাকবে সতর্ক পাহারায়। রাজধানীসহ সকল মহানগর সদরে ‘বিএনপি-জামায়াতের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, নৈরাজ্য-সহিংসতা ও আগুন-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে’ ক্ষমতাসীন দল ও তাদের সহযোগী সংগঠন শান্তি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

একটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ


কর্নেল(অব.) আকরাম, লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫, ০৭:৪৮
একটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

ছবি সংগৃহীত

 

কর্নেল(অব.) আকরাম: কটি জাতির জন্য পদ্ধতি বা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি সরকারি ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু ফরাসি বিপ্লবের পর থেকে আমরা বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে সংঘাত দেখতে পাচ্ছি। বিশ্বে অতীতে বিভিন্ন পদ্ধতির অভিজ্ঞতা রয়েছে। পশ্চিমে রাজতন্ত্র ও রাজপ্রথা এবং পূর্বে খিলাফত ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু উভয় ব্যবস্থাই এখন বিলুপ্ত।  

বর্তমান সময় গণতন্ত্রের যুগ এবং এটি এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে সর্বোত্তম সরকারি ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। একটি দেশের সংবিধান সরকারের গঠন ও কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, কিন্তু এটি জনগণের ভালো শাসনের উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণেও ব্যর্থ হয়েছে।  

জনগণের অধিকার ও আকাঙ্ক্ষার বিষয়ে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুব একটা ইতিবাচক নয়। বর্তমান সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে অনেক ভালো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও তা কখনই বাস্তবায়িত হয়নি। উপরন্তু অতীতে দেশের জনগণকে শাসকদের দ্বারা সব সময়ই হয়রানি ও চাপের মুখে রাখা হয়েছে।  

যেহেতু দেশের বেশিরভাগ জনগণ মুসলিম, তাই তাদের প্রত্যাশা সংবিধানে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং নাগরিকদের এমন একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রশাসনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ দিতে হবে যা তাদের জন্য উপযুক্ত। একটি টেকসই কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য এই ব্যবস্থাকে অর্থবহ ও ব্যবহারিক করে তুলতে গভীর গবেষণা এবং সুচিন্তিত পরিকল্পনা প্রয়োজন।  

দেশের জনগণ সংবিধানে আর কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেখতে প্রস্তুত নয়, বরং তারা একটি সত্যিকারের কল্যাণ রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা চায়। একটি জাতি মূলত তার সংবিধানের মাধ্যমেই গঠিত হয় এবং এটি যথাযথ যত্ন ও বিচক্ষণতার সাথে করা উচিত। রাতারাতি কোনো ভালো ফলাফল অর্জিত হয় না। আমরা অতীতে ভয়াবহ দুর্ভোগের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি এবং কোনো অশুভ ভবিষ্যৎকে আমরা প্রশংসা করব না। ভবিষ্যতে যেকোনো ব্যবস্থা সংক্রান্ত উদ্যোগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হওয়া উচিত। আমাদের জনগণ সবচেয়ে বেশি কষ্টভোগ করছে এবং তারা তাদের দুর্ভোগের অবসান চাইছে।  

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব নিঃসন্দেহে জাতিকে বর্তমান সংবিধানের উপযোগিতা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার সুযোগ তৈরি করেছে। এদিকে জাতি দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এক শিবিরে রয়েছে বিএনপি এবং অন্যটিতে রয়েছে সিএনসি, একটি নতুন ছাত্রনেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল। জামাত সম্ভবত এনসিপির পদক্ষেপের পক্ষে থাকবে। সংবিধান ও শাসন ব্যবস্থা নিয়ে দুটি শিবিরের মধ্যে একটি সত্যিকারের সংঘাতের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।  

উভয় পক্ষই অনমনীয় ও একগুঁয়েমী বলে মনে হচ্ছে এবং সমস্যা সমাধানের জন্য পারস্পরিক সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এদিকে এনসিপির নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে শাসন ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশে নিকট ভবিষ্যতে একটি রাজনৈতিক সংঘাত হতে পারে। সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন যে দেশটি যুদ্ধের পরিবেশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।  

১৯৭২ সাল থেকে আমরা কখনই সত্যিকারের স্বাধীনতা অনুভব করতে পারিনি এবং ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা শাসনামলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে যখন আমরা আমাদের নিজ দেশের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি। গত পনেরো বছর ধরে ভারত বাংলাদেশের মালিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মনে হচ্ছে আমরা আমাদের ইতিহাসের সাম্প্রতিক অতীত ভুলে গেছি এবং তাদের অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টা করছি।  

ঐক্যের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য এখন মারাত্মক হুমকির মুখে এবং এটি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। পরাজিত শত্রুরা এই অস্থির পরিস্থিতিকে তাদের সুবিধা নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করবে না। আমরা সম্পূর্ণ জেনেশুনেই আমাদের নিজেদের পায়ে কুড়াল মারতে চলেছি। আমরা কি এতই মূর্খ যে সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোর পরেও আমাদের জাতীয় স্বার্থ বুঝতে পারছি না?  

এনসিপির প্রত্যাশা অনুযায়ী দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের বিষয়ে একটি জাতীয় সংলাপ হোক। আসুন আমরা আমাদের প্রত্যাশার বিষয়ে বাস্তববাদী ও ব্যবহারিক হই। প্রতিটি শিবিরকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং পরিপক্কতা ও বিচক্ষণতার সাথে কাজ করতে হবে। সবকিছু রাতারাতি করা যায় না। আমরা নতুন বাংলাদেশে ভবিষ্যতে একটি সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি দেখতে চাই। আমাদের আর জনগণকে ভণ্ডামির রাজনীতির শিকার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ১২, শনাক্ত ১০১৪ এবং সুস্থ ১১৩৮


স্বাস্থ্য ডেস্ক:
শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১,৬:৪৯
করোনাভাইরাসের সর্বশেষ তথ্য

ফাইল ফটো: করোনাভাইরাস

গত ১ দিনে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১২ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৫২৭ জন।

এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ১০১৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৬ জন।

আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে আরও জানানো হয়, গত ১ দিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১১৩৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ১০ হাজার ৩১০ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - রাজনীতি