a আজ পবিত্র হজ: রোনাজারিতে মুখর থাকবে আরাফাতের ময়দান
ঢাকা বুধবার, ১৫ মাঘ ১৪৩২, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আজ পবিত্র হজ: রোনাজারিতে মুখর থাকবে আরাফাতের ময়দান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১, ০৮:২৯
আজ পবিত্র হজ: রোনাজারিতে মুখর থাকবে আরাফাতের ময়দান

সংগৃহীত ছবি

আজ পবিত্র হজ। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’ অর্থাৎ ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার’-এ ধ্বনিতে আজ মুখর থাকবে আরাফাতের ময়দান।

প্রায় ৬০ হাজার মুসল্লি স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন করে সেখানে খুতবা শুনবেন, আল্লাহর দরবারে রোনাজারি করবেন, কেঁদে ভাসাবেন বুক।

ময়দানে সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশে এবার খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের অন্যতম ইমাম ও তাইফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শায়খ ড. বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলাহ। মক্কার উম আল-কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি ও মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্নকারী এ আলেমকে এ বছরের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ।

করোনা মহামারির কারণে গেল বছর মাত্র ১০ হাজার মুসল্লিকে হজ পালনের অনুমতি দিয়েছিল সৌদি আরব-আগের বছর যেখানে প্রায় ২৫ লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছিলেন। এবার সৌদি আরবে বসবাসরত ১৫০ দেশের ৬০ হাজার নাগরিক হজের অনুমতি পেয়েছেন। ৫ লাখ ৫৮ হাজার আবেদনকারীর মধ্যে ভাগ্যবান এসব মানুষ হজের সুযোগ পেয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত।

১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সি-যাদের কোনো দীর্ঘমেয়াদি অসুখ নেই; অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না বা জনসনের দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন-এমন ব্যক্তিদেরই হজ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে সহায়তায় ২৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।

রিয়াদের উম্মে আজম (৫৩) এবার স্বামীসহ হজের অনুমতি পেয়েছেন। তিনি আরব নিউজকে বলেন, যখন মেসেজটি (অনুমতি পাওয়ার খুদেবার্তা) পেলাম, আমার চেয়ে সুখী আর কেউ ছিল না। যেন বিশেষ অনুগ্রহই আল্লাহ আমাদের দিয়েছেন।

তিনি বলেন, মহামারিতে এত ভয় কেন, যখন আমরা আল্লাহর মেহমান। আমার মনে হয়, আরও বেশি মানুষকে হজের সুযোগ দেওয়া উচিত। সৌদিতে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিক মরিয়ম মুহাম্মদ (২৪) বলেন, আমি অভিভূত। অনেকদিন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি। অবশেষে আল্লাহ তা কবুল করলেন।

হজের অনুমতি পাওয়া মুসল্লিরা রোববার পবিত্র হারাম শরিফে তাওয়াফ আল-কদম (সূচনা তাওয়াফ) করে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে মিনায় যান। তাদের আনা-নেওয়ায় প্রায় তিন হাজার বাস ব্যবহার করা হয়, প্রতিটি বাসে মাত্র ২০ জন যাত্রী ছিলেন। হজের অন্যতম সুন্নত রাতটি মিনায় কাটানো। এ সুন্নত পালন করে আজ ভোরে তারা এসেছেন ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে। এ ময়দানে অবস্থান হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা (ফরজ)।

আজ হাজিরা সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত দুই মাইল দৈর্ঘ্য ও দুই মাইল প্রস্থের এ ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকবেন। ময়দানের তিনদিক পাহাড়বেষ্টিত। জাবালে রহমত হলো রহমতের পাহাড়। বলা হয়ে থাকে, এ পাহাড়ে হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.)-এর দেখা হয়েছিল। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ আরাফাতের ময়দানেই জাবালে রহমত পাহাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন।

আজ আরাফাতের ময়দানে খুতবার পর এক আজানে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন হাজিরা। তারা সূর্যাস্ত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে মুজদালিফায় গিয়ে আবারও এক আজানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। রাতে সেখানে অবস্থান করবেন খোলা মাঠে। শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ৭০টি পাথর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকে। মুজদালিফায় কাল ফজরের নামাজ আদায় করে মিনায় নিজ তাঁবুতে ফিরবেন।

মিনায় ফিরে কাল বড় শয়তানের উদ্দেশে সাতটি পাথর ছুড়বেন হাজিরা। এরপর তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কুরবানি দেবেন। মাথার চুল ছেঁটে (ন্যাড়া করে) গোসল করে ইহরাম (সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড়) বদলে স্বাভাবিক পোশাক পরবেন। এরপর মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন। কাবার সামনে দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় ‘সায়ি’ (সাতবার দৌড়) করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় যাবেন। মিনায় যতদিন থাকবেন, ততদিন তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানকে ২১টি পাথর মারবেন। এরপর মক্কায় বিদায়ি তাওয়াফ করবেন তারা।

আজ কাবা শরিফে গিলাফ পরানো হবে: আজ পবিত্র কাবা শরিফে পরানো হবে নতুন গিলাফ। প্রতিবছর (৯ জিলহজ) হজের দিন হাজিরা সব আরাফাতের ময়দানে থাকেন এবং মসজিদে হারামে মুসল্লির সংখ্যাও থাকে কম। হাজিরা আরাফাত থেকে ফিরে এসে কাবা শরিফের গায়ে নতুন গিলাফ দেখতে পান। নতুন গিলাফ পরানোর সময় পুরোনো গিলাফটি সরিয়ে ফেলা হয়। পুরোনো গিলাফ কেটে মুসলিম দেশের সরকারপ্রধানদের উপহার দেওয়া হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ভেতরেও কাবা শরিফের গিলাফের অংশ টানানো আছে। সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পঞ্চাশ দশকে গির্জায় হাজার হাজার যৌন নির্যাতক ছিল তদন্ত রিপোর্ট


আন্তর্জাতিক সংবাদ:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ অক্টোবর, ২০২১, ১২:০০
পঞ্চাশ দশকে গির্জায় হাজার হাজার যৌন নির্যাতক ছিল: তদন্ত রিপোর্ট

ফাইল ছবি

ফ্রান্সে ১৯৫০-এর দশক থেকে রোমান ক্যাথলিক চার্চে ঘটে যাওয়া বহু যৌন নির্যাতনের ঘটনার তদন্তের জন্য গঠিত এক নিরপেক্ষ কমিশনের প্রধান বলেছেন, সে সময় হাজার হাজার শিশু নির্যাতনকারী তৎপর ছিল।

জঁ-মার্ক সোভ ফরাসি বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, ২,৯০০ থেকে ৩,২০০ শিশু নির্যাতনকারী পাদ্রী এবং অন্যান্য যাজকদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন তারা।

তিনি বলছেন, "এটি হচ্ছে ন্যূনতম অনুমান।"
মোট ১১৫,০০০ জন পাদ্রী ও অন্য গির্জা কর্মকর্তার ব্যাপারে তদন্ত চালানো হয়। রিপোর্টটি তৈরি হয়েছে চার্চ, আদালত এবং পুলিশের দলিলপত্রের আর্কাইভে পাওয়া তথ্য এবং যৌন নির্যাতনের শিকারদের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে।

আগামী মঙ্গলবার এই তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেশ করা হবে। আর রিপোর্টটি হবে আড়াই হাজার পৃষ্ঠার বেশি।

যৌন নির্যাতনের একজন ভুক্তভোগী বলেছেন, এর ফল হবে বোমা ফাটার মতো।

বিভিন্ন দেশে কয়েকটি কেলেংকারির ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ফরাসি ক্যাথলিক গির্জা কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালে নিরপেক্ষভাবে ওই তদন্তের নির্দেশ দেন।

কমিশনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ডাক্তার, ইতিহাসবিদ, সমাজবিজ্ঞানী এবং ধর্মতত্ত্ববিদরা। আড়াই বছরের মধ্যে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি সাক্ষীর সাথে যোগাযোগ করা হয়।

রোমান ক্যাথলিক প্রকাশনা দ্য ট্যাবলেটের ক্রিস্টোফার ল্যাম্ব বলেছেন, এই যৌন নির্যাতন কেলেংকারি ক্যাথলিক চার্চকে গত ৫০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকটে ফেলে দিয়েছিল।

এর ধারাবাহিকতায় পোপ ফ্রান্স এ বছরই ক্যাথলিক চার্চে নিয়মকানুনে সংশোধনী আনেন - যাতে যৌন নিপীড়ন, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন, শিশু পর্নোগ্রাফি, এবং এসব ঘটনা চাপা দেবার চেষ্টাকে স্পষ্টভাবে অপরাধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

সোভ ফরাসী দৈনিক লা মঁদকে বলেছেন, এই প্যানেল এমন ২২টি ঘটনার তথ্যপ্রমাণ কৌঁসুলিদের হাতে তুলে 
দেয়া হয়েছে যেগুলোর ব্যাপারে এখনো ফৌজদারি পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশ ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছে


কর্নেল আকরাম, লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:০৯
 বাংলাদেশ ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

নিউজ ডেস্ক: সন্ধিক্ষণ বা ক্রসরোড ব্যক্তি জীবনের পাশাপাশি জাতীয় জীবনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জীবনের যে কোনো সময়েই আসতে পারে। "ইতিহাসের ক্রসরোড" বলতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের কথা বোঝানো হয়, যেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, "আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছি।"

ক্রসরোড ছিল এমন একটি স্থান যেখানে দুটি পথ বা সীমারেখা মিলে যেত—একটি জায়গা, "না এখানে, না সেখানে।" বিভিন্ন সংস্কৃতি ও পৌরাণিক কাহিনিতে, ক্রসরোডের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী এবং জাদুকরি অর্থ রয়েছে। এটি সাধারণত এমন একটি স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয় যেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিবর্তন এবং রূপান্তর ঘটে, কারণ এটি জীবনগত এবং রূপকভাবে সমসাময়িক জীবনের আন্তঃসংযোগ।

ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে, আমরা ইতিহাসকে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করি, সব দিক থেকে বিশ্লেষণ করি এবং সকল দৃষ্টিভঙ্গি পর্যালোচনা করি। আমরা প্রায়ই ইতিহাসের পাঠকে বর্তমান ও ভবিষ্যতের সমঝোতার জন্য আহ্বান করি।

যেমন পূর্বে ইতিহাস ছিল বিজয়ীদের গল্প, তেমনটি নয়, আমরা ইতিহাসকে নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করতে চেষ্টা করি, যেখানে আগের সময়ের নিদর্শনগুলোকে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্তগুলির জন্য অবজেকটিভভাবে উপস্থাপন করা হয়।

এটি আমাদের কর্তব্য, আমাদের ব্যাপক দক্ষতা এবং জ্ঞানকে সঠিক দিকের জন্য ব্যবহার করা, যাতে আমরা বাংলাদেশকে সেই অবস্থায় পুনর্গঠন করতে পারি, যেখানে এটি ১৯৭১ সালে শুরু হওয়া উচিত ছিল। তবে দুর্ভাগ্যবশত, আমরা একটি সঠিক পথ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের মধ্যে ছাত্ররা একটি অনন্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং আমাদের জন্য পরিবর্তনের একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ক্রসরোড ছিল—রাজনীতি, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, ধর্ম এবং আরও অনেক ক্ষেত্রের ক্রসরোড।

যেহেতু আমরা ইতিহাসের ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছি এবং আমাদের উপরে সাইনপোস্টগুলো দেখতে পাচ্ছি, একটি সাইনপোস্ট আমাদের পেছনে, একটি ভয়াবহ এবং অপ্রত্যাশিত রাস্তা নির্দেশ করছে। অন্যটি একটি ভালো ভবিষ্যতের দিকে, তবে সে পথ মসৃণ নয়। এটি একটি পথ যার বাঁক এবং কণ্টকপূর্ণ মোড় রয়েছে।

এটি কখনো কখনো আমাদের অগ্রগতি ধীর করে দেবে এবং পিছনে ফিরিয়ে নেবে। তবুও, আমাদের সেই পথটি নিতে হবে, ইতিহাসের সত্য ব্যবহার করে, অবশেষে, একটি রুটম্যাপ হিসেবে, যা আমাদের আগের সময়ের কষ্ট ও সমস্যার পাশাপাশি সামনে আসা নতুন চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।

আমরা এক ধরনের ক্রসরোডে রয়েছি, কোনো না কোনো কারণে, যেখানে আপনিই থাকার জন্য নির্ধারিত ছিলেন, তাই সেখানে পথ খুঁজুন। এই ইতিহাসের মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন এমন একজন নেতা, যিনি বাংলাদেশে ঐতিহাসিক এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।

লেখক: কর্নেল আকরাম, সম্পাদক: মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাসের অধ্যাপক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - ধর্ম

সর্বোচ্চ পঠিত - ধর্ম

ধর্ম এর সব খবর