a
ফাইল ছবি
অধিকৃত বায়তুল মুকাদ্দাস বা জেরুজালেমের রোমান অর্থোডক্স চার্চের আর্চবিশপ আতাউল্লাহ হানা বলেছেন, বায়তুল মুকাদ্দাস শীঘ্রই মুক্ত হবে। বিশ্ব কুদস দিবসকে সামনে রেখে তিনি বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন।
আতাউল্লাহ হানা এক বার্তায় আরও বলেন, মুসলমান ও খ্রিস্টানসহ বিশ্বের সকল মুক্তকামী মানুষের প্রতি আমার আহ্বান আপনারা বায়তুল মুকাদ্দাসকে একা হতে দেবেন না। বায়তুল মুকাদ্দাস ও এর ইতিহাস-ঐতিহ্য-পরিচিতিকে যেসব জল্লাদ টার্গেট করেছে তাদের ওপর আঘাত হানুন।
আতাউল্লাহ হানা বলেন, ফিলিস্তিনি খ্রিস্টানরা এ ভূখণ্ডের একটি অন্যতম প্রধান জাতি ও ফিলিস্তিনের ভূমির সাথে নিজেদের সম্পর্কের কারণে খ্রিস্টানরা গর্বিত। রোমান অর্থোডক্স চার্চের আর্চবিশপ বলেন, ফিলিস্তিনের লক্ষ্য-আদর্শ ও স্বপ্ন মুসলমান আর খ্রিস্টানদেরকে ঐক্যবদ্ধ করেছে।
বায়তুল মুকাদ্দাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সোচ্চার হওয়া সকল মানুষের নৈতিক, মানবিক, ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন। আধুনিক ইরানের রূপকার ইমাম খোমেনি পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবারকে আন্তর্জাতিক কুদস দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সূত্র: পার্সটুডে
ফাইল ছবি
মদিনার মসজিদে কুবার সাবেক ইমাম শায়খ ড. মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ জুরবান আল গামিদি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (৭ আগস্ট) মসজিদে নববিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হয়।
বিখ্যাত কুবা মসজিদে ইমাম ও দায়ি হিসেবে অনেক বছর দায়িত্ব পালন করেন শায়খ মুহাম্মদ। পাশাপাশি তিনি মদিনার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। খুবই বিচক্ষণ ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। সামাজিক কাজে নেতৃত্বচর্চার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আবেগঘন ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করতেন তিনি।
তার মৃত্যুতে মসজিদে কুবার বর্তমান ইমাম অধ্যাপক ড. সুলাইমান বিন সলিমুল্লাহ আল রাহিলি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমার প্রিয় গুরু ও শিক্ষক শায়খ মুহাম্মদ বিন জুরবান আল গামিদি মারা গেছেন। তিনি উচ্চমাধ্যমিক স্তরে আমাদের প্রিয় শিক্ষক ছিলেন।’
সংগৃহীত ছবি
চলতি বছরের মে মাসে ১১ দিন ধরে ফিলিস্তিনের গাজায় লড়াই হয়েছিল হামাসের ও ইসরায়েলি সেনাদের। সেই লড়াইয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ বা ‘ওয়ার ক্রাইমে’র অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
ঘটনার ২ মাস পর এক রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছে এই মানবাধিকার সংস্থাটি। হামাসের বিরুদ্ধেও অবশ্য একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। চলতি আগস্টে হামাসের বিষয়েও একটি আলাদা রিপোর্ট প্রকাশ করবে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
জেরুজালেমে ফিলিস্তিনি বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে প্রথম গোলমাল শুরু হয় হামাস এবং ইসরায়েলের মধ্যে। সে সময় গাজা উপত্যকায় একের পর এক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইসরায়েলের সেই বিমান হামলা নিয়ে এর আগেও অনেক বিতর্ক হয়েছে। এতে বহু নিরীহ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, ওই ১১ দিনে ইসরায়েলের জনবসতি লক্ষ্য করে অন্তত চার হাজার রকেট ছুড়েছিল হামাস। যার ফলে ইসরায়েলের সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হয়েছেন। অবশ্য আয়রন ডোম থাকায় বহু মানুষের প্রাণ বেঁচেছে। সূত্র: ডয়চে ভেলে।