a
সংগৃহীত ছবি: রফিকুল ইসলাম মাদানী
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের চারটি মামলাই মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানীকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার জামিনে মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।
আদালতে রফিকুল ইসলাম মাদানীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আশরাফ আলী মোল্লা। তিনি সাংবাদিকদের জানান, রফিকুল ইসলাম ইতোমধ্যে মুচলেকা দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে তিনি সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেবেন না। এরপর আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। এখন তার জামিনে মুক্তিতে বাধা নেই।
২০২১ সালের ৭ এপ্রিল রফিকুল ইসলাম মাদানীকে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার লেটিরকান্দা থেকে আটক করে র্যাব। পরের দিন ৮ এপ্রিল গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে র্যাব মামলা করে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে গত ১১ এপ্রিল গাজীপুর মেট্রোপলিটনের বাসন থানায় স্থানীয় এক ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে। এছাড়া তেজগাঁও এবং মতিঝিল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। রফিকুল ইসলাম মাদানী নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার লেটিরকান্দা গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে। তিনি শিশু বক্তা হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেছেন, ২০২২ সালে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এবং হজের অনুমতি পাওয়া গেলে যারা প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করেছেন তারা পর্যায়ক্রমে সুযোগ পাবেন। তিনি বলেন, গত ২ বছর যাবত সৌদি আরবে সীমিত পরিসরে স্থানীয়রাই হজ করে আসছেন।
প্রতিমন্ত্রী বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ থেকে হজে গমনেচ্ছুক নিবন্ধিত ব্যক্তিগণের বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন প্রাক- নিবন্ধন ও নিবন্ধনকারী ব্যক্তি জমা রাখা টাকা তুলতে চাইলে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে তুলতে পারবেন।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২০ সালে ৩৪৫৭ জন নিবন্ধন করেছিলেন। এদের মধ্যে ৭৫৭ জন তাদের নিবন্ধন বাতিল করে টাকা নিয়ে গেছেন। বর্তমানে ২৭০০ জন নিবন্ধিত রয়েছেন।
একই বছরে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ১৪২ জন ব্যক্তি নিবন্ধন করেছিলেন। এর মধ্যে ৭৭১৯ জন নিবন্ধন বাতিল করে টাকা তুলে নিয়েছেন। বর্তমানে ৫৩,৪২৩ জন নিবন্ধিত রয়েছেন।
ভোলার বোরহানউদ্দিনে তাবলিগ জামাতের ১৪ সদস্যকে খাবারের সঙ্গে নেশাদ্রব্য খাইয়ে সবকিছু লুট করে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের চৌকিদার বাড়ি জামে মসজিদে শনিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা অচেতন তাবলিগ জামাতের সদস্যদের উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। তাদের সবার বাড়ি নেত্রকোনা জেলায় জানা গেলেও তাদের পুরো নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মো. মাজাহারুল আমিন এ বিষয়ে গনমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি শুনে আমরা গোপনে অভিযুক্তদের খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে তাবলিগ জামাতের পক্ষ থেকে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।