a
ফাইল ছবি
ইসরায়েলি প্রত্নতাত্ত্বিকরা দেশটির দক্ষিণে ১২০০ বছরের পুরোনো প্রাচীন মসজিদের সন্ধান পেয়েছেন। ইসরায়েলের পুরাকীর্তি কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মসজিদটির যে অংশের সন্ধান পাওয়া গেছে, ধারণা করা হচ্ছে, তা ১২০০ বছরের বেশি পুরোনো মসজিদ। নেগেভ জেলার বেদুঈন শহর রাহাতে নতুন নির্মাণ কাজ করার সময় এটি আবিষ্কৃত হয়।
মসজিদটি নেগেভ জেলায় মরুভূমিতে অবস্থিত এবং এতে একটি বর্গাকৃতি কক্ষ ও মক্কামুখি অর্ধ বৃত্তাকৃতির খোপসহ একটি দেয়াল রয়েছে।
পুরাকীর্তি কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘অনন্য এ স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে যে, এটি একটি মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হতো এবং এতে একসঙ্গে কয়েক ডজন মুসল্লি নামাজ পড়তে পারতেন।’
মসজিদের সন্নিকটে একটি বিলাসবহুল ভবন সন্ধান পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে পাওয়া গেছে কিছু থালাবাসন এবং গ্লাসের প্রত্নবস্তু, যা সেখানকার বাসিন্দারা যে সম্পদশালী ছিলেন, তা নির্দেশ করে।
উল্লেখ্য, তিন বছর আগে পুরাকীর্তি কর্তৃপক্ষ এ মসজিদটির কাছাকাছি একই সময়ের আরও একটি মসজিদ আবিষ্কার করেছিল। মসজিদ দুটি ৭০০ থেকে ৮০০ খ্রিস্টাব্দের সময়কার বলে ধারণা এবং বিশ্বব্যাপী ইসলামের প্রথম দিককার মসজিদ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: এএফপি, দ্য গার্ডিয়ান
সাকিব খান
অভিনয় ছেড়ে ইসলামের পথে মনোনিবেশ করলেন রোডিজ খ্যাত ভারতীয় টিভি তারকা সাকিব খান। তিনি জানান, তিনি কাশ্মীর থেকে এসেছেন এবং বর্তমানে তিনি বিনোদন জগত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এই ঘোষণা দেন সাকিব খান।
তিনি বলেন, তিনি আগামীতে আর কখনো অভিনয় এবং মডেলিং করবেন না। এমন নয় যে, আমার কাছে কাজ ছিল না অথবা আমি বশ্যতা স্বীকার করেছি। আমার হাতে ভালো কাজ ও প্রোজেক্ট ছিল। সবটাই আল্লার ইচ্ছে। আল্লাহ নিশ্চই আমার জন্য আরো ভালো কিছু ভেবে রেখেছেন।
বিনোদন দুনিয়াকে বিদায় জানানোর কারণ হিসেবে সাকিব খান আরও জানান, ‘আমি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছিলাম এবং আমার ইসলাম ধর্মের প্রতি অবিচার করছিলাম। আমি প্রতিদিন নামাজ পড়তাম তবে শান্তি এবং আল্লাহ প্রতি মনযোগ দিতে পারছিলান না। তাই আমি আল্লাহ-র কাছে আত্মসমর্পন করছি।'
ফাইল ছবি: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক অস্থিরতার ঘটনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনাকে আমি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করি না। এর সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত আছে। একদিকে শূন্যতার সুযোগ নেয়া, অন্যদিকে জিও পলিটিক্সে যে পরিবর্তন ঘটছে মিয়ানমারকে কেন্দ্র করে আশ-পাশের অঞ্চলে, ওইদিকে ভারতবর্ষের মনিপুরে যে বিদ্রোহ, এসবগুলোকে যদি আপনি আনেন, জিওপলিটিক্সের এই ঘটনাগুলো ভেরি সিগনিফিকেন্ট বলে আমি মনে করি। যেহেতু এখন কমেন্ট করাটা ঠিক হবে না।
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যে, একটা বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়াকে শুরু করার চেষ্টা করা। অন্যদিকে শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশে থেকে যে সমস্ত কথা বলছেন, সেগুলো কতটুকু সত্য-মিথ্যা আমি জানি না। তবে সেই কথাগুলো এখানে বড় ইম্প্যাক্ট তৈরি করছে। বলা যায় যে, উদ্বিগ্ন হবার কারণ আছে। আর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সচিবালয়ে আনসার বাহিনীর ঘেরাও, বিভিন্ন সংগঠনের নানা দাবি-দাওয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মব লিঞ্চিং’, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার বিভিন্ন ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ উল্লেখ করে সরকারকে অস্থিতিশীল করতেই করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, যেমন শুক্রবার মেইন ঘটনাটা ঘটছে। আমাদের দলে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন দীপেন দেওয়ান, উনি আগে এমপি প্রার্থী ছিলেন, তিনি আমাকে ফোন করে বললেন যে, স্যার ইমিডিয়েটলি কারফিউ দিতে বলেন, কারফিউ ছাড়া একে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তখন আমি জানার পরে যাদেরকে চিনি, তাদেরকে জানানোর পরে কারফিউ হয়নি, ১৪৪ ধারা দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে। ঠিক এফেক্টিভ কন্ট্রোল তারা করতে পারেনি, এর মধ্যে এটা (ঘটনা) বিস্তারলাভ করেছে। এই যে দেরি হচ্ছে, এই দেরিটা কিন্তু ক্ষতির ব্যাপার হচ্ছে। এটাতে আমি তাদেরকে (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) দোষারোপ করছি না। যারা দায়িত্বে আছেন, তাদের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারকে সঠিকভাবে পরামর্শ দেয়া, এটা করা উচিত। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, এক্ষেত্রে অনেকটা গ্যাপ আছে। সমস্যাটা ওই জায়গায়।
তিনি বলেন, এই সরকার খুবই সিরিয়াস, তারা করতে চান, তারা সব কিছু করতে পারেন। আমার কথা হচ্ছে, আমরা সহযোগিতা করি। ইতিমধ্যে তারা অনেক বড় বড় কাজে হাত দিয়েছেন- সেগুলো আমরা দেখি। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে বিএনপির পরামর্শ কি জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, আমাদের পরামর্শ হচ্ছে, প্রধান প্রধান দলগুলোর সঙ্গে কথা বলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিষয়ে হলো, পার্বত্য চট্টগ্রামে তো আমাদের চুক্তি আছে, এতো দিন কোনো সমস্যা হয়নি। এখানে শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা তা নয়, সামাজিক সমস্যা আছে। দীর্ঘকাল ধরে এসব সমস্যা সমাধান করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার এতো কথা বলেছে, চুক্তি করেছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেনি। এসব কাজ একদিনে হবে না, ওদের সঙ্গে বসতে হবে, কথা বলতে হবে, বিষয়গুলোকে আলাপ-আলোচনা করেই সমস্যা সমাধান করতে হবে। সূত্র: মানবজমিন