a আবারও রেলের টিকিট কাউন্টারেই পাওয়া যাবে
ঢাকা শুক্রবার, ২৪ মাঘ ১৪৩২, ০৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আবারও রেলের টিকিট কাউন্টারেই পাওয়া যাবে


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৮ জুন, ২০২১, ০৩:৫০
আবারও রেলের টিকিট কাউন্টারেই পাওয়া যাবে

ফাইল ছবি

আবারও ট্রেনের টিকিট কাউন্টারেই পাওয়া যাবে। দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর এ টিকিট আজ থেকে কাউন্টারে পাওয়া যাচ্ছে।

রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনসহ দেশের সব স্টেশনের কাউন্টারে মঙ্গলবার (৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

এ বিষয়ে দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে জানায় যে, করোনার ঝুঁকি এড়াতে সরকারি নির্দেশনা মেনে অর্ধেক আসনে ট্রেন চলাচল করছে। এসব ট্রেনের টিকিট একই সঙ্গে কাউন্টার ও অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। ট্রেনের মূল আসন সংখ্যার ২৫ শতাংশ টিকিট মোবাইল অ্যাপস্ এবং ২৫ শতাংশ টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা আগে অবিক্রিত টিকিট একই সঙ্গে অনলাইন অথবা কাউন্টার থেকে কেনা যাবে। এছাড়া, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আগে কেনা আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট ফেরতও (রিফান্ড) দেয়া যাবে।

এ বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালের সিনিয়র তথ্য অফিসার শরিফুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, গত মঙ্গলবার (১ জুন) এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা বাংলাদেশ রেলওয়ে থেকে জারি করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ৮ জুন থেকে কাউন্টারে টিকিট বিক্রি হবে। তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে।
 
করোনাকালে ট্রেন পরিচালনার জন্য  বাংলাদেশ রেলওয়ে বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে- আসনবিহীন টিকিট বিক্রি করা হবে না। তাই অযথা কাউন্টারে ভিড় না করার জন্য বলা হয়েছে। টিকিটবিহীন কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন না। ট্রেনে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য ভিন্ন ভিন্ন দরজা ব্যবহার করতে হবে। অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাস্ক ব্যতীত কোনো যাত্রীকে স্টেশনে প্রবেশ বা ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেয়া হবে না।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক গত ৫ এপ্রিল তারিখ থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। গত ২৩ মে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ২৪ মে থেকে সরকার কর্তৃক বিদ্যমান আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন পরিচালনার নির্দেশনা দেয়া হয়।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঈদ যাত্রা হয়রানীমুক্ত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন হতে হবে


সিয়াম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫, ০৫:৫৮
ঈদ যাত্রা হয়রানীমুক্ত, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন হতে হবে

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে যাত্রীদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ, যাত্রী হয়রানীমুক্ত টিকেট কালোবাজারী বন্ধ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ ও সড়ক পথে চাঁদাবাজী বন্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন কর্তৃক যৌথভাবে প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করে।

আজ ২৪/৩/২০২৫ইং তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আজকের প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সকলকে কৃতজ্ঞ এবং আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আসন্ন ঈদে সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সিনিয়স সহ-সভাপতি ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি জনাব এম, এ, বাতেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আব্দুর রহিম বক্স দুদু ও সাধারন সম্পাদক জনাব হুমায়ূন কবির খান এবং মোঃ সাইফুল আলম মহাসচিব বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও সাধারন সম্পাদক ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

জনাব মোঃ সাইফুল আলম বলেন, আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, আসন্ন পবিত্র ঈদ উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে ঘরমূখী মানুষ তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ উদযাপন করার জন্য নিজ নিজ গন্তব্যে যাতায়াত করবেন। এই যাত্রাকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সকলকে সচেতন করার জন্যই আজকের এই প্রেস ব্রিফিং। ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা থেকে যে পরিমান যাত্রী সড়ক পথে যাত্রা করিবেন, নির্দিষ্ট সংখ্যক গাড়ী দিয়ে কম সময়ে সে পরিমান যাত্রীকে নিরাপদ গন্তব্যে পৌছানো কষ্টদায়ক কাজ। ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ, যানজটমুক্ত এবং সড়ক পথে চাঁদাবাজিমুক্ত রাখার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, আইন-শৃংখলা বাহিনী, যৌথবাহিনী এবং মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিসহ দেশের সকল জায়গায় যৌথসভা করা হয়েছে।

আমরা ঢাকাস্থ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের যাত্রাপথে সার্বিক সহযোগিতায় এবং নিম্নোক্ত বিষয়ে কার্য্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের নিকট সবিনয়ে আহবান জানাচ্ছি-
১। ঈদের ৫ দিন পূর্ব হতে ঈদের ১ সপ্তাহ পর পর্যন্ত ঢাকাস্থ সকল বাস টার্মিনাল এবং আশেপাশের এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করতে হবে।
২। ঢাকার চার পাশের চিহ্নিত স্থান সমূহ যেমন: চন্দ্রা, বাইপাল, গাজীপুর বাইপাস, সাইন বোর্ড, শনির আখড়া, কেরানীগঞ্জ, ভূলতা গাউসিয়া, মদনপুর, সাভার, নবীনগর, হেমায়েতপুর এলাকায় স্থানীয় ও হাইওয়ে পুলিশের মাধ্যমে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে যানজটমুক্ত রাখতে হবে।
৩। ইতিমধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ ২০২৫ইং থেকে ঈদ পর্যন্ত এবং ঈদের পরের ৩ দিন পণ্যবাহী পরিবহন বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
৪। সড়ক ও মহাসড়কে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বন্ধ সহ সড়ক পথে যে কোন নামে চাঁদাবাজি বন্ধ করার লক্ষ্যে সারা দেশের থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের বিশেষ টহলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
৫। ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন, নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে যাত্রীদের যাত্রাপথে সহযোগিতার জন্য ঢাকাস্থ সকল টার্মিনালে একটি “হেল্প ডেস্ক” থাকবে। যাদের কাজ হবে যাত্রীদের তাৎক্ষনিক অভিযোগ নিষ্পত্তি ও যাতায়াতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা। এই “হেল্প ডেস্ক” ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট টার্মিনালের মালিক-শ্রমিকদের সহযোগিতায় সার্বক্ষনিক তদারকিতে নিয়োজিত থাকবেন। যাত্রীদের যে কোন প্রয়োজনে এই “হেল্প ডেস্ক সেবা‘ গ্রহন করার জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি।
৬। স্ব-স্ব কোম্পানী/কাউন্টারে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে টানাইয়া রাখিতে হবে। এর ব্যাত্যয় ঘটলে বা বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে যাত্রীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিকভাবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
৭। কোন অবস্থাতেই ফিটনেসবিহীন গাড়ী, লক্কর-ঝক্কর গাড়ী রাস্তায় যাত্রী বহন করিতে পারিবে না । এই বিষয়ে সকল মালিক শ্রমিককে নির্দেশনা দেওয়া হইয়াছে । প্রশাসনকেও ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানানো হইয়াছে ।
৮। সিটিতে চলাচলরত গাড়ী দূরপাল্লায় যাত্রী নিয়ে না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হইয়াছে ।
৯। লাইসেন্সবিহীন/অপেশাদার চালক কোন যাত্রীবাহী বাস না চালানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হইয়াছে।
১০। কোন অবস্থাতেই ঈদ বকশিশ বা অন্য যে কোন নামে যাত্রীদের কাছ থেকে কোন অতিরিক্ত অর্থ চাওয়া যাইবে না বলে সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হইয়াছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করিয়া আসিতেছি যে, মাঝে মাঝে কিছু ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া প্রকৃত ঘটনা ও সঠিকভাবে অনুসন্ধান না করে সড়ক পরিবহন সেক্টরের মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দের নাম চাঁদাবাজির খবরের সঙ্গে সংযুক্ত করে শিরোনাম করা হচ্ছে। যাহা তথ্যভিত্তিক ও সত্য নয়। আমরা এ সব খবরের প্রতিবাদ পাঠালেও সংবাদে তা ছাপানো হয় না। যাহা দুঃখজনক এবং প্রকৃত সাংবাদিকতার পরিপন্থি বলে আমরা মনে করি।
বিগত ১৬ বৎসর পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার সড়ক পরিবহন সেক্টরকে দলীয়করনসহ চাঁদাবাজীর স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছিল এবং সকল ক্ষেত্রে একটি বিশৃংখল অবস্থা সৃষ্টি করিয়াছে।

আমরা আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, গত ৫ আগষ্ট'২০২৪ এর পর ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নামে সকল প্রকার চাঁদা বন্ধ ঘোষনা করা হইয়াছে । যাহা অদ্যাবধি বলবৎ আছে। শুধুমাত্র স্ব-স্ব পরিবহন কোম্পানী/কাউন্টার মালিকেরা তাহাদের নিজ নিজ পরিবহন পরিচালনার প্রয়োজনে মালিকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালনা ব্যায় মিটাইয়া থাতকেন। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় মালিক সমিতি বা কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশন কোনভাবেই সংশ্লিষ্ট বা জড়িত
নয়।

কিন্তু লক্ষ্য করা গিয়াছে যে, স্ব-স্ব পরিবহন কোম্পানী/কাউন্টার পরিচালনার জন্য যে সকল অর্থ আদায় ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য খরচ করেন সে সকল অর্থের পরিমান দৈনিক/মাসিক/বাৎসরিক আয় দেখিয়ে একটি বিশাল অংকের দায়ভার কেন্দ্রীয় মালিক সমিতি এবং কেন্দ্রীয় শ্রমিক ফেডারেশনের উপর দায়ভার দেখাইয়া কিছু কিছু সংবাদে খবর ছাপানো হয় । যাহা সম্পূর্ণ অসত্য এবং সঠিক তথ্য ভিত্তিক নয় বলিয়া আমরা মনে করি।

স্ব-স্ব পরিবহন কোম্পানী/কাউন্টার মালিকগন কোম্পানী আইনে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করিয়া থাকেন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাবের জবাবদিহিতার দায়ভার তাদের নিজেদের। তারপরও আমরা সমিতিগতভাবে অবৈধ অর্থ আদায় বন্ধ করা বা চাঁদাবাজির নামে অতিরিক্ত কোন অর্থ যাহাতে গাড়ী থেকে আদায় না করা হয় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করি এবং ভবিষ্যতেও করিব।

উল্লেখিত বিষয়টি বিবেচনায় রাখার জন্য সকল সাংবাদিক ভাই ও বোনদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানাইতেছি।

আমরা পরিশেষে বলতে চাই, সড়ক পরিবহন দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। জাতীয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পণ্য পরিবহনে অত্যান্ত গুরুত্ব ভূমিকা রাখিয়া থাকে। তাই এই সেক্টরকে শৃংখলায়ন, যানজটমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত গড়ে তোলার জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

আপনাদের উপস্থিতি আমাদেরকে উৎসাহিত করেছে। ভবিষ্যতে আপনাদের সহযোগিতা এ সেক্টরের উত্তরোত্তর উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করে যাব। প্রেস ব্রিফিং শেষে সকলকে অগ্রীম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কোটা সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০২৪, ০২:৩১
কোটা সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ

ফাইল ছবি

 

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি ও শিক্ষার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় সড়ক অবরোধ করে নানা স্লোগান দিতে থাকেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এর ফলে রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও কোটা বাতিলের দাবিতে রাজধানীর বেড়িবাঁধ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ইউল্যাবের সামনের সড়ক অবরোধ করেন তারা। অবরোধের ফলে রাজধানীর গাবতলী থেকে মোহাম্মদপুর হয়ে ধানমন্ডি সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

এদিকে, রাজধানীর প্রগতির সরণির নতুন বাজার এলাকা অবরোধ করে আন্দোলন করেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) শিক্ষার্থীরা। এতে বাড্ডা লিংক রোড থেকে কুড়িল বিশ্বরোডমুখি সড়কে যান চলাচল হয়ে যায়।

রাজধানীর চিটাগাং রোডের শনির আখড়া কাজলা রোডের রাস্তায় কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলন করছেন দনিয়া কলেজ ও মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ শিক্ষার্থীরা।

কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর উত্তরা ১১ নং সেক্টর চৌরাস্তা জমজম মোড় অবরোধ করেছেন উত্তরা ইউনিভার্সিটি, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে রাজধানীর বনানী ও কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন শিক্ষার্থীরা। কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক অবরোধ করেন স্টেট ইউনিভার্সিটি।

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে শিক্ষার্থীদের অবরোধে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। অনেকেই বাস থেকে নেমে হেঁটেই গন্তব্যের দিকে রওনা হন।

এদিকে ঢাকার বাইরে কোটা সংস্কারের দাবিতে সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিরা রেলওয়ে স্টেশন ও মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে তারা এ আন্দোলন শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস এবং ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে মহাসড়কের প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা কোটাবিরোধী নানা স্লোগান দিয়ে তাদের দাবি জানান দিচ্ছেন।

বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের ওসি খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, সকাল থেকে ছাত্ররা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করছে। তবে তারা কোনো গাড়ি ভাঙচুর করেননি। পুলিশ এবং প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে থেকে পর্যবেক্ষন করছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ভ্রমন

সর্বোচ্চ পঠিত - ভ্রমন

ভ্রমন এর সব খবর