a
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকার নর্দায় রাইদা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কেটে ঝুলে পড়েছে এক চালকের। গতকাল রবিবার (২৬ জুন) রাত ১০ টার দিকে বাস দুটি একটি আরেকটিকে ওভারটেক করতে গেলে বামপাশে থাকা বাস চালকের আঙ্গুল কেটে যায়।
যাত্রীরা চালকের হাতে কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এবং চালকের আসনে হেলপার বসে গাড়ি য়াত্রীশুন্য করে গন্তব্যে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বাসযাত্রীরা ক্ষুব্ধ হলেও পরে যে যার মতো চলে যায়। কারণ তারা এসব নিত্যদিনের ঘটনা নিজেদের প্রায় মানিয়েই নিয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজধানী ভেতর দিয়ে চলাচলকারী রাইদা বাস দিয়াবাড়ি টু পোস্তগোলা রোডে চলাচল করে। এই বাস সার্ভিস চালুর পর এই রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে অনেক আনন্দ ছিল। কারণ এদের স্টাফগুলো অন্যান্য গাড়ির তুলনায় ভাল ও দক্ষ ছিল। কিন্তু দুই এক বছর পার হতো না হতে এদের পরিবহন সেবা অনেক বাজে হয়ে গেছে। একই রোডে চলাচলকারী তুরাগ বাসের চেয়েও এতের সার্ভিস খারাপ হয়ে গেছে।
রাইদা বাস সার্ভিস চালুর পর স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা এবং মহিলাশিক্ষক রিকসা না গিয়ে এই বাসে চলাচল করতেন। তারা খরচের পাশাপাশি এই বাসে চলাচলে নিজেদের নিরাপদ মনে করতেন। কিন্তু এখন তারা আগের মতো ভরসা পাননা। কারণ অন্যান্য সমস্যাগুলো তো আছেই, তারপর এরা পেসেঞ্জার তোলার সময় অনেক সময় নিয়ে তুললেও বাসস্টপে নামার সময় নামতে না দিয়েই দ্রুত প্রস্থান করতে গিয়ে অনেকে পড়ে গিয়ে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে।
বিশেষ করে কোন একটা বাস স্টপে অনেক সময় ধরে বসে থাকলেও পেছন থেকে একই লাইনের গাড়ি ওভারটেক করতে গেলে নিজেদের মাঝে প্রায় যুদ্ধ লেগে যায়। সামনে-সাইডে কোন লোক বা রিকসা থাকলেও সেগুলো তোয়াক্কা না করে অনেক সময় ধাক্কা দিয়েই পার হতে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে।
এসব দূর্ঘটনায় যাত্রীদের সহযোগিতায় এদের পুলিশে সোপর্দ করলেও আইনের ফাঁক-ফোকরে এরা পার পেয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। বেপরোয়া এসব চালকদের জন্য যাত্রীদের প্রায়ই ভোগান্তির শিকার হতে হয় এবং এমন ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও নেহায়েত কম নয়!
ফাইল ছবি: রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন
দেশে করোনা বেড়ে যাওয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনের সময় জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ্যমকে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, লকউনের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা ও সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখা। এ জন্য জরুরি খাদ্যবাহী ট্রেন ছাড়া সব প্রকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
ছবি সংগৃহীত: মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ (বাঁয়ে), মো. জহুরুল হক ও মোছা. আছিয়া খাতুন
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক ও কমিশনার (অনুসন্ধান) মোছা. আছিয়া খাতুন পদত্যাগ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার পর মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ দুদক বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেছেন, তিনি ও দুই কমিশনার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ কী কারণে পদত্যাগ করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি । সূত্র: প্রথম আলো