a রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ১১:২৯
রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের

ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকার নর্দায় রাইদা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কেটে ঝুলে পড়েছে এক চালকের। গতকাল রবিবার (২৬ জুন) রাত ১০ টার দিকে বাস দুটি একটি আরেকটিকে ওভারটেক করতে গেলে বামপাশে থাকা বাস চালকের আঙ্গুল কেটে যায়।

যাত্রীরা চালকের হাতে কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এবং চালকের আসনে হেলপার বসে গাড়ি য়াত্রীশুন্য করে গন্তব্যে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বাসযাত্রীরা ক্ষুব্ধ হলেও পরে যে যার মতো চলে যায়। কারণ তারা এসব নিত্যদিনের ঘটনা নিজেদের প্রায় মানিয়েই নিয়েছে।
 
উল্লেখ্য, রাজধানী ভেতর দিয়ে চলাচলকারী রাইদা বাস দিয়াবাড়ি টু পোস্তগোলা রোডে চলাচল করে। এই বাস সার্ভিস চালুর পর এই রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে অনেক আনন্দ ছিল। কারণ এদের স্টাফগুলো অন্যান্য গাড়ির তুলনায় ভাল ও দক্ষ ছিল। কিন্তু দুই এক বছর পার হতো না হতে এদের পরিবহন সেবা অনেক বাজে হয়ে গেছে। একই রোডে চলাচলকারী তুরাগ বাসের চেয়েও এতের সার্ভিস খারাপ হয়ে গেছে।

রাইদা বাস সার্ভিস চালুর পর স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা এবং মহিলাশিক্ষক রিকসা না গিয়ে এই বাসে চলাচল করতেন। তারা খরচের পাশাপাশি এই বাসে চলাচলে নিজেদের নিরাপদ মনে  করতেন। কিন্তু এখন তারা আগের মতো ভরসা পাননা। কারণ অন্যান্য সমস্যাগুলো তো আছেই, তারপর এরা পেসেঞ্জার তোলার সময় অনেক সময় নিয়ে তুললেও বাসস্টপে নামার সময় নামতে না দিয়েই দ্রুত প্রস্থান করতে গিয়ে অনেকে পড়ে গিয়ে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে।

বিশেষ করে কোন একটা বাস স্টপে অনেক সময় ধরে বসে থাকলেও পেছন থেকে একই লাইনের গাড়ি ওভারটেক করতে গেলে নিজেদের মাঝে প্রায় যুদ্ধ লেগে যায়। সামনে-সাইডে কোন লোক বা রিকসা থাকলেও সেগুলো তোয়াক্কা না করে অনেক সময় ধাক্কা দিয়েই পার হতে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে।

এসব দূর্ঘটনায় যাত্রীদের সহযোগিতায় এদের পুলিশে সোপর্দ করলেও আইনের ফাঁক-ফোকরে এরা পার পেয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। বেপরোয়া এসব চালকদের জন্য যাত্রীদের প্রায়ই ভোগান্তির শিকার হতে হয় এবং এমন ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও নেহায়েত কম নয়!

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

পুনর্নির্ধারণী কমিটি বাসভাড়া কমিয়েছে ৩ পয়সা, জনগন বলছে এটা তামাশা!


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৪, ০৩:৩৮
পুনর্নির্ধারণী কমিটি বাসভাড়া কমিয়েছে ৩ পয়সা, জনগন বলছে এটা তামাশা!

ছবি: সংগৃহীত


জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২ টাকা ২৫ পয়সা কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কিলোমিটারপ্রতি বাসভাড়া ৩ পয়সা কমানোর সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুনর্নির্ধারণী কমিটি। সোমবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

ভাড়া কমানোর সুপারিশ অনুমোদন করবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ভাড়া কমানোর সুপারিশ আমরা এরইমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে।

বর্তমানে দেশের দূরপাল্লার রুটের জন্য সরকার নির্ধারিত বাস ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ১৫ পয়সা। এ ভাড়া কমিয়ে কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এটা কমিয়ে কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৪২ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে বর্তমানে মিনিবাসের নির্ধারিত ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৩৫ পয়সা। এ হার কমিয়ে কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে বাস ভাড়া পুনর্নির্ধারণী কমিটি।

সাধারন জনগণ এই ধরণের একতরফা সিদ্ধান্তকে তামাশা বলে আখ্যায়িত করেছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বছর বছরে কয়েক দফা তেলের দাম বাড়ার আগে তারা কিলো প্রতি ১/২  টাকা বাড়িয়ে দেয় এবং সরকার যখন তেলের দাম বাড়িয়ে দেয় তারা আবারও তাদের ইচ্ছে মতো বাস ভাড়া বাড়িয়ে তাদের ইচ্ছে মতো ভাড়া নির্ধারণ করে। ফলে প্রতিটি সেক্টরে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ। বর্তমানে প্রতিটি জিনিস মানুষের ক্রয় সীমানার বাইরে। এমতাবস্থায় ৩ পয়সা বাসের ভাড়া কমিয়ে তারা শায়েস্তা খানের শাসনামল স্বরণ করিয়ে দিয়ে পাবলিকের সঙ্গে তামাশা করছে বলে ভুক্তভোগীরা মনে করেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সৌম্য, নিরহংকার, শিক্ষিত, ভদ্র, এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এক নারী জোবায়দা রহমান


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ মে, ২০২৫, ০৯:২২
সৌম্য, নিরহংকার, শিক্ষিত, ভদ্র, এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এক নারী জোবায়দা রহমান

ছবি সংগৃহীত

জোবাইদা রহমান এই নামটা উচ্চারণ করলেই যেন এক সৌম্য, নিরহংকার, শিক্ষিত, ভদ্র, এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নারীর ছবি ভেসে ওঠে চোখের সামনে।

যাঁর জীবনটা শুধুই তারেক রহমানের স্ত্রী হওয়ার পরিচয়ে সীমাবদ্ধ নয়—বরং তিনি নিজেই এক বিশাল পরিচয়ের অধিকারী।

তিনি এমন একজন নারী, যিনি সর্বোচ্চ শিক্ষিত হয়েও নিজের কৃতিত্ব নিয়ে কখনও অহংকার করেননি। নিজেকে সবসময় রেখেছেন প্রচারের আড়ালে, আড়ালে থেকেও ছুঁয়ে গেছেন অসংখ্য হৃদয়।
আজও তাঁর নামে নেই কোনো বিতর্ক, নেই কোনো কেলেঙ্কারি, নেই কোনো রাজনীতির রঙচঙে মোড়ক—তবুও তিনি হয়েছেন নোংরা রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার।

এক যুগেরও বেশি সময় তাঁকে থাকতে হয়েছে প্রিয় মাতৃভূমি থেকে দূরে, সন্তান ও স্বামীকে নিয়ে নির্বাসনে কাটাতে হয়েছে কঠিন সময়।
নিজের হাতে স্বামীকে সুস্থ করে তুলেছেন, সন্তানকে গড়ে তুলেছেন শিক্ষায়, মূল্যবোধে।

যখন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তারেক রহমানের সব ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়, তখন সবাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো। ঠিক তখনই এক অসাধারণ উচ্চারণ করেছিলেন ডা. জোবাইদা রহমান:
“প্রয়োজনে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও আমি আমার স্বামীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেব।”
এই একটি বাক্যেই ফুটে ওঠে একজন নারীর সাহস, ভালোবাসা, এবং আত্মত্যাগ। এমন একজন নারী শুধু সংসার করেন না—সংসার গড়ে তোলেন হৃদয়ের সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে।

ডা. জোবাইদা রহমান একজন মেধাবী চিকিৎসক:
 • ১৯৯৫ সালে বিসিএস (স্বাস্থ্য) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার।
 • ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে মেডিসিনে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন, রেকর্ড নম্বর ও স্বর্ণপদকসহ।

একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি ছিলেন নিষ্ঠাবান, পেশাদার এবং গভীর জ্ঞানের অধিকারী।
রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াও তাঁর আলাদা সম্মান ও অবস্থান রয়েছে পেশাগত অঙ্গনে।

ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক শেকড় – ইতিহাস যাঁর রক্তে

পিতৃসূত্রে:
 • প্রপিতামহ: ডা. খান বাহাদুর আজদার আলী খান – অবিভক্ত ভারতের বিহার ও আসামে মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।
 • দাদা: আহমেদ আলী খান – ভারতবর্ষের প্রথম মুসলিম ব্যারিস্টারদের একজন, আসাম কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট।
 • চাচা: জেনারেল এমএজি ওসমানী – বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক।

মাতৃসূত্রে:
 • বাবা: রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান – স্বাধীন বাংলাদেশের তৃতীয় নৌবাহিনী প্রধান।
 • মা: সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু – স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সমাজসেবক।

শ্বশুরবাড়ির উত্তরাধিকার – রাজনীতির বিশাল ছায়া
 • শ্বশুর: মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান – বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি।
 • শাশুড়ি: বেগম খালেদা জিয়া – দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, যাঁকে আজও কেউ ভোটে হারাতে পারেনি।

আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে চারদিকে কোলাহল, আত্মপ্রচার আর কৃত্রিমতা, সেখানে ডা. জোবাইদা রহমান নীরব থেকে গড়ে তুলেছেন এক আস্থা, এক সম্ভাবনার ছায়া।

তিনি সরাসরি রাজনীতিতে আসুন বা না আসুন—তাঁর সংযম, বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা ও রুচিবোধ তাঁকে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের বিকল্প নেতৃত্বের প্রতীক করে তুলেছে।

ডা. জোবাইদা রহমান কেবল একজন স্ত্রী নন, কেবল একজন চিকিৎসক নন—তিনি একজন জীবন্ত অনুপ্রেরণা।
তাঁর জীবন ত্যাগে গড়া, মেধায় গড়া, ঐতিহ্যে গড়া।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে এমন একজন মার্জিত, সাহসী, শিক্ষিত ও নৈতিকতায় উজ্জ্বল নারীর উপস্থিতি নিঃসন্দেহে আমাদের আশা জাগায়।

আমার হৃদয়ের গভীর থেকে বিশ্বাস—তিনি তাঁর প্রজ্ঞা ও মেধা দিয়ে জনাব তারেক রহমানের আগামীর দিনগুলো এমনভাবে সাজাতে সাহায্য করবেন , যা একদিন বাংলাদেশের ইতিহাসে সোনালি অধ্যায় হয়ে লেখা থাকবে।

লেখক: প্রিসিলা, নিউইয়র্ক 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - ভ্রমন

সর্বোচ্চ পঠিত - ভ্রমন

ভ্রমন এর সব খবর