a
ছবি সংগৃহীত
কবিতার ছুটি
কবি শহীদুল্লাহ আনসারী
ভাষা আর আশা নিয়ে আজ বড় দৌড় ঝাঁপ বর্ণের
হাতে মহা—ধন ইমিটেশন চকচকে ঠিক যেন স্বর্ণের।
কেউ দেখেন স্বপ্নের বালিহাঁস বালিঘাটে সারারাত
নিঘুর্ম—ভাবনায় হিরে—মতি—জহরত পাওয়া যেন ডালভাত।
ডিম পাড়ে হিমশীতে ঘর বাঁধে বালুময় নির্জলা ব—দ্বীপে
সুর বাজে জাহাজের মাস্তুলে মগ্নতায় রংময় সে শিপে,
রাতারাতি বড় হবার অসম মাতামাতি দেখে কাঁপে বুকটা
চারিদিকে হানাহানি কানাকানি কীভাবে সারাবে এ রোগটা!
কারও আজ মন নেই, সত্য ও সুন্দর পুজারির ধন নেই
কবিতারা মার খায় সবখানে, কোথাও বা পারখায় শুরুতেই,
সত্য ও সুন্দরের কথা বলে। বিবেকের দংশনে রাতারাতি
মরে কেউ। আবার মতের বিভেদ নিয়ে লেগে যায় হাতাহাতি।
কবিতার রাজ্যে অরাজকতা দেখে কেউ মরে যায় লজ্জায়
কেউ কেউ মানসিক রোগি হয়, পঁচে গলে মিশে রোগ—শয্যায়,
ছন্দের দ্বন্দ্বে কাঁটাঘার গন্ধে কবিতাকে কবিতাই চেপে ধরে টুটি
দেখে শুনে গদ্যের বীজ বুনে মঞ্জুর করে দিলাম কবিতার ছুটি।
সংগৃহীত ছবি
আমি চাই কেউ আমাকে ডাকুক
অচিন পাখির মতো শুভ্র সকালে
নিরলোভ আকুতি নিয়ে
চোখ রাখুক।
কেউ আমাকে ডাকুক অনাহুত
পাখির মতো অবিরাম!
বৃষ্টির শব্দ যেমন আনন্দ আলোক,
চাই কেউ আমাকে ডাকুক
মরমি মানুষের মতো মগ্ন দুপুর,
ছায়াঘেরা সবুজ
মায়াময় কেউ ডাকুক।
অনন্ত বসে আছি তাঁর জন্য
রাতের অন্ধকারে কুঁজো হয়ে।
দিনের খোঁজে নিঘুমরাত পার করে
কতবার খুজেছি তাঁকে!
আমি চাই পাখিটি ডাকুক
কোন এক পশর সকালে,
দরজার উঠোনে অচিন পাখি...
....... চৌধুরী নূরুল হুদা
সংগৃহীত ছবি
চট্টগ্রামে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সন্ধ্যা ৬টার পর ওষুধের দোকান (ফার্মেসি) ও কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। শুক্রবার (২ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান এ নির্দেশনা প্রদান করেন ।
তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে চট্টগ্রামের সব শপিং সেন্টার, বিপণি কেন্দ্র, হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখতে হবে। তবে ওষুধের দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে।
এসব নির্দেশনা অমান্যকারীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হবে তিনি জানান। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে ৫১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১ জন।
জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯টি ল্যাবে ২ হাজার ৫৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্ত হিসেবে ৫১৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩৬ জনই নগরীর বাসিন্দা।