a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
কামরুল হোসেন, ঢাকা: ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগের মাধ্যমে সম্মাননা এবং পুরস্কার প্রদান করলেন জাতীয় কবিতা পরিষদ। জুলাই-আগস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার উদ্দেশ্যে এবারের জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ২০২৫ প্ৰদান করা হয় বীর শহীদদের পরিবারের সদস্যদের হাত দিয়ে।
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাব ‘জহুর হোসেন মিলনায়তন’-এ ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ২০২৫' প্রদান করা হয়। কবিতায় কবি মতিন বৈরাগী, শিশু সাহিত্যে ‘ফয়েজ আহমেদ পুরস্কার' কবি হাসান হাফিজ এবং ‘জাতীয় কবিতা পরিষদ সম্মাননা পুরস্কার' কবি জুলফিকার হোসেন তারা'কে প্রদান করা হয় ।পুরস্কার প্রদান করেন জুলাই-আগস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ'র বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ গোলাম নাফিজের বাবা মোঃ গোলাম রহমান, শহীদ আলভীর বাবা মোঃ আবুল হাসান এবং শহীদ ইয়াসিনের মা শিল্পী আক্তার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মোহন রায়হান, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি শাহীন রেজা এবং জাতীয় কবিতা পরিষদের প্রচার সম্পাদক, কবি আসাদ কাজল। অনুষ্ঠানে দেশ বরেণ্য লেখক, কবি, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার বিতরণ এবং বিশেষ সম্মাননা প্রদান করার পর জুলাই-আগস্ট ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ'র বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ গোলাম নাফিজের বাবা মোঃ গোলাম রহমান, শহীদ আলভীর বাবা মোঃ আবুল হাসান এবং শহীদ ইয়াসিনের মা শিল্পী আক্তার বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই সময় তারা সবাই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। উপস্থিত সকল সাংবাদিকদেরকে অভ্যুত্থানের সময় যারা নিহত হয়েছেন এবং শহীদ হয়েছেন তাদের বিচার যেন বিলম্বিত না হয় সেই প্রত্যাশা করেন। শহীদদের জন্য কেউ ভুলে না যায় এবং তাদের রক্ত যেন বৃথা না যায় সেই কামনা করেন।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ১৯৫৫ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারের তৎকালীন মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকারের ১২৮ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট সংগঠক চাঁদের কনা’র সভাপতি এ.টি.এম মমতাজুল করিমের সভাপতিত্বে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোঃ কফিল উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোঃ আইয়ুব হোসেন, কবি সাজেদা ডুলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান সরকার, বাংলাদেশ নাগরিক পরিষদের সভাপতি মোঃ আব্দুল আহাস নুর, লেখক সোহেল মোঃ ফকরুদ্দিন, ভাষা আন্দোলন স্মৃতি রক্ষা পরিষদের সেক্রেটারী মু.আ.ডা. মোক্তাদির, প্রাচ্য বাংলার সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, নাট্যকার নুর হোসেন রানা, এ্যাডভোকেট মোঃ আশরাফ উদ্দিন, এ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন মনির, সাবেক মূখ্য মন্ত্রী আবু হোসেন সরকার স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক কবি নজরুল বাঙ্গালী প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, আবু হোসেন সরকারের আত্মত্যাগে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেই বাংলা একাডেমী বিগত ৫০ বছরেও তাঁর স্মরণে কোন স্মরণ সভা করা হয় নাই। বক্তারা বাংলা একাডেমীতে আবু হোসেন সরকারের নামে একটি স্মৃতি মঞ্চ প্রতিষ্ঠা ও লেখক-কবিদের জন্য একটি “কবি ভবন” করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
অনুষ্ঠানে ভাষা সৈনিক মুহা. মোস্তাফিজুর রহমান, ইতিহাসবিদ লেখক সোহেল মোঃ ফকর উদ-দিন ও নাট্যকার মোঃ নুর হোসেন রানাকে সাবেক মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার স্মৃতি সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কবি নজরুল বাঙ্গালী কে আহ্বায়ক ও মোঃ আঃ কুদ্দুস কে সদস্য সচিব মনোনীত করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সাবেক মূখ্যমন্ত্রী “আবু হোসেন সরকার স্মৃতি পরিষদ” গঠন করা হয়।
ফাইল ছবি । নতুন প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ
ইসরায়েলের ১১তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন ইহুদিদের সংগঠন জিউশ অ্যাজেন্সির চেয়ারম্যান আইজ্যাক হারজগ। ইসরায়েলের আইনসভা নেসেটে এক গোপন ভোটাভুটিতে আইজ্যাক ৮৭ ভোট পান এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী শিক্ষাবিদ মিরিয়াম পেরেজ পান ২৭ ভোট। পেরেজ জয়ী হতে পারলে তিনি হতেন ইসরায়েলের ইতিহাসের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট।
ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটের হিসাব অনুযায়ী আইজ্যাক হারজগ সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেলেন।
নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আইজ্যাকের বাবা চেইম হারজগ ছিলেন ইসরায়েলের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট। আইজ্যাক হারজগ ৯ জুলাই বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল