a
সংগৃহীত ছবি
আগামী ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫টি ওয়ার্ডে এডিস মশার প্রজননস্থল নির্মূল ও ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের।
তিনি জানান, আগামীকাল দক্ষিণ সিটির ৬ নম্বর, ১৭ অক্টোবর ২ নম্বর, ১৮ অক্টোবর ৩ নম্বর, ১৯ অক্টোবর ৫৬ নম্বর এবং ২০ অক্টোবর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে দিনব্যাপী এ বিশেষ চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। চিরুনি অভিযানে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে সকালের লার্ভিসাইড কার্যক্রমে ১৩ জন ও বিকেলের অ্যাডাল্টিসাইডিং (পরিণত মশার কীটনাশক) কার্যক্রমে ১৩ জন মশককর্মী অংশ নেবেন।
এ ছাড়া স্ব স্ব ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন। আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা ও সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আঞ্চলিক পর্যায়ে এ কার্যক্রম সমন্বয়, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করবেন। সংস্থার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কেন্দ্রীয়ভাবে পুরো কার্যক্রমটি সমন্বয় করবেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আজ ২১ মে' ২০২১ বিকাল ৩-৩০ মিনিটে সংগঠনের অস্থায়ী কার্য্যালয়ে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব হবিগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক কমিটির এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের আহ্বায়ক জনাব শেখ মো: আব্দুল কাদির কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, প্রবীন সাংবাদিক মোজাহিদ হোসেন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল হক, মুজিবুর রহমান খান, সদস্য সচীব এম এ হান্নান, আছাদুজ্জামান চৌধুরী, শাহেনা আক্তার প্রমূখ। উপস্থিত সাংবাদিকরা স্বচ্ছ সাংবাদিকতা, সাংগঠনিক কার্যক্রমে জাতিকে ভাল কাজে উৎসাহ দেয়ার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
কেন্দ্রীয় সাংবাদিক নেতা বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ঢাকা-এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচীবসহ অন্যান্যদের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে সৌজন্যে সাক্ষাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ফাইল ছবি
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় প্রতিবাদে নেমেছে পরিবহন সেক্টরগুলো। ফলে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি পর্যন্ত চলেনি রাজধানীসহ সারাদেশে। এতে জনজীবনে অসহনীয় ভোগান্তি ও দুর্দশা নেমে আসে।
বাস মিনিবাস না চলার কারণে সারাদেশ অচল হয়ে পড়ে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ট্রাক ভ্যানের দেখাদেখি সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় এদিন কার্যত হরতালের রূপ নেয়। শুধু বাস বন্ধ থাকার খেসারত দিতে হয়েছে লাখ লাখ বেকার শিক্ষার্থীকে।
শুক্রবার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারী নিয়োগ পরীক্ষা থাকায় তাদের দুর্বিষহ ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। অনেকেই ঢাকায় আসতে না পারায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ ধরনের ধর্মঘটে জনজীবনে ভোগান্তির পাশাপাশি কাঁচাবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
গতকাল শুক্রবার যেই চিত্র দেখা গেছে- আজ শনিবার তা আরও মারাত্মক আকার ধারণ করার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অনেকে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করে শুক্রবারেই সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে আগামীকাল রবিবার পরিবহন নেতাদের সঙ্গে জরুরী বৈঠকের ডাক দিয়েছেন। তিনি পরীক্ষার্থী ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সকল স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বাস্তবভিত্তিক মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাসও দেন।
সড়ক পরিবহন মালিক সমিতিও জানিয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের ডাকা যে কোন বৈঠকে বসতে প্রস্তুত। সংগঠনের সভাপতি এনায়েত উল্লাহ খন্দকার বলেছেন, সরকারের ডাকের অপেক্ষায় রয়েছি। তেলের দাম না কমানো পর্যন্ত মালিকরা গাড়ি চালাবেন না। তবে এই ধর্মঘট কাল রবিবার পর্যন্ত চলবে।
যদিও আমরা কোন ধর্মঘটের ঘোষণা দেইনি-কিন্তু মালিকদের সেন্টিমেন্টের সঙ্গে আমরা একমত ও সংহতি প্রকাশ করছি।
এদিকে সাধারণ নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত নাগরিকদের ভোগান্তি তৈরি ছাড়া আর কিছুই না। তেলের মূল্য প্রত্যাহার বা স্থগিত করার কথা বললেও অন্তরালে আছে ভাড়া সমন্বয় করার কৌশল। পরিবহন মালিকদের উদ্দেশ্য ও স্বার্থ হয়তো রক্ষা হবে কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রা ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। আমরা তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল এবং পণ্য পরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিন সকাল থেকেই দেখা যায়, রাজধানীসহ সারাদেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখেন মালিক-শ্রমিকরা। দিনের শুরুতেই সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। অথচ পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়নি। অর্থাৎ ঘোষণা ছাড়াই শুক্রবার সকাল থেকে চলছে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট।
তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে শুধু ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। গন্তব্যের উদ্দেশে সড়কের বিভিন্ন মোড়গুলোতে অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা। কিন্তু কোন বাস না পেয়ে রিক্সা-সিএনজি কিংবা প্রাইভেটকার ভাড়া করে বাড়তি টাকা খরচ করে ছুটছেন অনেকে।