a
ফাইল ছবি
আজ সকাল থেকে মেঘলা আকাশ এবং কুয়াশাচ্ছন্ন। এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরতে পারে এবং রাজধানীতে বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আজ মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আজ রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ জায়গায় আকাশ পরিষ্কার থাকবে। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কিছু জায়গায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ বৃষ্টির পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাপমাত্রা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে এবং মাদারীপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে এই বৃষ্টির পর শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে। এটা শনি ও রোববার থেকে হতে পারে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারির পর থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন শ্রমিকরা। আজ রবিবার (২ মে) সকাল থেকে দেশের সকল টার্মিনালে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছে পরিবহন শ্রমিকেরা।
শ্রমিকদের বিক্ষোভের পাশাপাশি তাদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে নৌ-পরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করা, সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া এবং সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল বিক্রির ব্যবস্থা করা।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত সারা দেশে ২৪৯টি পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন এ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে। তারা বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।
এছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার (৪ মে) সারাদেশে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার কথা জানিয়েছে পরিবহন শ্রমিকদের নেতৃবৃন্দ।
ফাইল ছবি : মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার এত দিন মিথ্যাচার করেছে, রিজার্ভে এত টাকা আছে, এত ডলার জমা আছে যে কোনো চিন্তার কারণ নেই। কিন্তু এখন রিজার্ভ কমে যাওয়ায় আইএমএফ থেকে কঠিন শর্তে সরকার ঋণ নিচ্ছে—যার ফলেই জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি।
শনিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ভোলা জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রদল আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, এতদিন সরকার মিথ্যাচার করেছে। এখন রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে সরকার আইএমএফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবির কাছ থেকে ডলার ঋণ নিচ্ছে।
আইএমএফের ঋণের শর্ত খুব শক্ত। তারা বলেছে যেসব পণ্যে ভর্তুকি দিচ্ছ, সেসব বন্ধ করো। সেজন্য জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে। গতকাল বিপু সাহেব বললেন জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বাড়ানো হতে পারে, যা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এর দাম দেড়গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনারা জানেন, বার বার বিদ্যুৎ, গ্যাস, তেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তারমধ্যে আজ সকালে দেখলাম কাঁচা মরিচের দাম তিনশ টাকা। মানুষ এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার যে শুধু বিএনপির ওপরে আক্রমণ করেছে তা নয়, এই সরকার তার বেআইনি ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য যে দুর্নীতি শুরু করেছে, যে আকাশ ছোঁয়া দুর্নীতির মধ্যে দিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে তার আরেকটি প্রমাণ হচ্ছে শুক্রবার (৫ আগস্ট) মধ্যরাতে হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম ৫০ ভাগেরও বেশি বাড়িয়ে দিয়েছে। যে ডিজেলের দাম ছিল ৮০ টাকা, তার দাম করেছে ১১৪টাকা। অকটেনের দাম ছিল ৮৮টাকা তার দাম করেছে ১৩৫টাকা। ফলে আজ (৬ আগস্ট) রাস্তায় যানবাহন কমে গেছে। এটার ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়বে সারা দেশের অর্থনীতির ওপরে। দেশের সব মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ভাড়া, চাল, ডাল তেলের দাম আবার দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ হয়ে যাবে। মাঝখান থেকে আমাদের সাধারণ মানুষ যারা দিন আনে দিন খান, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সূত্র: ইত্তেফাক