a
ফাইল ছবি
সুশান্ত কুলু ৩০ বছর বয়সে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদোয়ানী ইউনিয়নের আমড়াতলা গ্রামের সদানন্দ কুলুর ছেলে বেলাল।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় পাথরঘাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান জুয়েল ও অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন সোহাগের উপস্থিতিতে কালেমা পড়ান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা এইচএম গোলাম কিবরিয়া।
ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পূর্বে বেলালের নাম ছিল সুশান্ত কুলু। বেলাল জানান, ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজ ইচ্ছায় ও স্বেচ্ছায় আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দুজন উকিলের উপস্থিতিতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি।
ইসলাম ধর্মের সব বিষয় যেন মেনে চলতে পারি সেজন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: গতকাল গোপালগঞ্চে এনসিপির কর্মসূচীতে নিষিদ্ধ দল ছাত্রলীগসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী সংগঠন হামলা ও সভার মঞ্চ ভাংচুর ও আগুণ লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়াসহ নানান অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার কারণে গতকাল বুধবার রাত ৮টা থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে চলমান কারফিউ আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করে।
ইতিপূর্বে গতকাল বুধবার রাত ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জে কারফিউ জারির কথা জানিয়েছিল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
গতকাল দুপুরে হামলার ঘটনার পর গোপালগঞ্জ জেলাজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান।
প্রসঙ্গত, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির পূর্বনির্ধারিত ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়েছে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। বুধবার দুপুরের পর অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে পালটাপালটি ধাওয়া শুরু হলেও পরে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ ঘটনায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া পুলিশ, সাংবাদিক, সাধারণ পথচারীসহ আহতের সংখ্যা কয়েকশ বলে জানা যায়। ঘটনার পর পুরো জেলাজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন রাত ৮টা থেকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।
ছবি সংগৃহীত
গাইবান্ধা থেকে সংবাদদাতা: ঈদের ছুটিতেও গাইবান্ধায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কার্যক্রম পুরাদমে চলমান ছিল।মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র (মাতৃসদন) গাইবান্ধায় ছুটিকালীন সময়ে ৪ জন মাকে স্বাভাবিক প্রসব সেবাসহ গাইবান্ধার অন্যান্য সেবা কেন্দ্রে মডেল, ২৪/৭, ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে মোট ৭৮ জন মাকে স্বাভাবিক প্রসব সেবা ১০১ জন মাকে প্রসব পূর্ববর্তী সেবা, ১২৪ জন মাকে প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান করা হয়।
এছাড়া সেবা কেন্দ্রেও মাঠ পর্যায়ে ৮৭১ সাইকেল খাবার বড়ি, ৩৩৪৩ পিস কনডম এবং ৫০৪ ভায়াল ইনজেকশন বিতরন করা হয়। সেবা কেন্দ্র ও মাঠ পর্যায়ে কৈশোরকালীন সেবা ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও সংশ্লিষ্টরা সেবা কেন্দ্রে অবস্থান পুর্বক সেবা নিশ্চিত করার ব্যাপারে জেলা-উপজেলা কর্মকর্তাগন ভার্চুয়াল মাধ্যমে নিয়মিত খোঁজ খবর নেন বলে জানা যায়।